У нас вы можете посмотреть бесплатно নবীর রওজা জিয়ারত করুন সহজেই। Surprising Facts about Prophets Fasting Pilgrimage in Madina Sharif или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
রাসুল সা. বলেন, যে আমার ওফাতের পর আমার রওজা জিয়ারত করল, সে যেন আমার জীবদ্দশায় আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করল। অণ্য এক হাদিসে আছে রাসুল সা. বলেন, যে আমার রওজা জিয়ারত করলো তার জন্য আমার সুপারিশ ওয়াজিব হয়ে গেলো। তিনি আরো বলেন, যে হজ্জ করলো কিন্তুু আমার রওজা জিয়ারত করলো না ; সে আমার প্রতি জুলুম করলো। অতএব রাসুলের রওজাহ জিয়ারত করা অতি উত্তম কাজ। চলুন রাসুল সা. এর রওজাহ সহজে কিভাবে জিয়ারাহ করা যায় তার বিস্তারিত তুলে ধরবো। প্রিয় বন্ধুরা পবিত্র মদিনায় ফজর ও আসরের নামাজের পরপরই রাসুলের রওজা জিয়ারার সুযোগ দেয়া হয়। হাজার হাজার হাজী জিয়ারাহ জন্য হুমরি খেয়ে পরেন। বিশাল আকারের লাইনে দাড়িয়ে এই বাবে সালাম গেট দিয়ে ঢুকতে হবে। আবার জিয়ারাহ শেষে বাবুল বাকী দিয়ে বের হবেন। তবে, জিয়ারহ নির্দিষ্ট কিছু শিষ্টাচার ও আদব রয়েছে। ভিতরে যাওয়ার আগে রওজাহ জিয়ারাহ কিছু নিয়ম দেখে নেই। পবিত্র শরীর ও কাপড় পরিধান, বেশি বেশি দরুদ পাঠ, আল্লহর কাছে দোয়া করবে যেন জিয়ারতের মাধ্যমে সে উপকৃত হয় জাগতিক সব চিন্তাভাবনা দূর করা, নবীর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধায় অন্তর পূর্ণ করা রওজার দিকে দাড়িয়ে অস্তে সালাম দেয়া, নবীজির করবে চুমু বা তাওয়াফ করা থেকে বিরত থাকা। যা যা চাওয়ার তা আল্লাহর কাছে চাওয়া, ধাক্কা ধাক্কি না করা এবার চলুন নবীর রওয়াজার বিস্তারিত জেনে নেই। সবুজ গম্বুজের ছায়াতলে অবস্থিত তার রওজার চতুর্দিকে সুরক্ষিতভাবে বষ্টনী আছে। যে কারণে জিয়ারতকারীর সরাসরি তা দেখার সুযোগ নেই। রাসুল (সা.) ও তার দুই প্রিয় খলিফা আবু বকর (রা.) ও উমর (রা.)-এর রওজা ধারাবাহিকভাবে পাশাপাশি অবস্থিত। রাসুল সা. এর কাধ বরারব হযরাত আবু বকর রা. করব আর আবু বরকর রা. কাধ বরাবর হযরত ওমর রা. কবর। আর একটি কবরের জায়গা খালি রাখা হয়েছে কারণ পৃথিবীর শেষে আবার হযরত ঈসা আ. কে সেখানেই কবর দেয়া হবে। রওজার কামরাটিতে প্রবেশ পথে স্থায়ীভাবে সোনালি গ্রিলের বেষ্টনী দিয়ে আবদ্ধ করে রাখা হয়েছে। ফলে রাসুল (সা.)-এর রওজার কামরায় প্রবেশের কোনো সুযোগ নেই। উম্মুল মুমিনিন আয়েশা (রা.)-এর ঘরেই রাসুল সা. কে দাফন করা হয়। অথৎ যেখানে তার ইন্তেকাল হয়, সেখানেই তাকে দাফন করা হয়। মসজিদে নববির আঙিনায় অবস্থিত ছোট ঘরটিতে রাসুল (সা.) তাঁর স্ত্রী আয়েশাসহ (রা.) বসবাস করতেন। তার অন্যান্য স্ত্রীর কামরাও একসঙ্গে সারিবদ্ধভাবে লাগোয়া ছিল। কামরাগুলো তখন মসজিদে নববির মূল অংশ থেকে কিছুটা বিচ্ছিন্ন ছিল। পরবর্তীতে রাসুল (সা.)-এর কবর মসজিদে নববির মূল অংশের ভেতরে সংযুক্ত করা হয়। সবুজ রঙ্গের বেষ্টনীগুলো এমনভাবে করা হয়েছে, যাতে কেউ খেয়াল করলে ভেতরে দেখতে পারে। পাশাপাশি কামরাটির প্রবেশপথের গ্রিলে তিনটি ছিদ্র পথ রয়েছে, যা দিয়ে রাসুল (সা.)-এর রওজা ও তার দুই সঙ্গীর কবর সরাসরি দেখা যায়। প্রথম বড় ছিদ্রপথ দিয়ে রাসুল (সা.)-এর রওজা। মাঝের ছিদ্রপথ দিয়ে আবু বকর (রা.)-এর ও শেষ ছিদ্রপথ দিয়ে উমর (রা.)-এর কবর দেখা যায়। দেয়ালে ঘেরা: এটাও গ্রাফিক্স দিয়েন রাসুল (সা.) রওজা ও তার দুই সঙ্গীর কবরকে দেয়াল দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে। ইসলামী ইতিহাসের অন্যতম মহান খলিফা উমর ইবনে আবদুল আজিজ (র.) ৯১ হিজরিতে দেয়ালটি নির্মাণ করেন। যাতে কেউ রাসুল (সা.)-এর রওজার ঘরে চাইলেই প্রবেশ করতে না পারে। মাটির গভীরেও ঘেরাও দেয়া: এই হেড লাইটা শুধু গ্রাফিক্স দিয়েন বিভিন্ন সময়ে খ্রিস্টান ও ইহুদি দুষ্কৃতিকারীরা কবর থেকে রাসুল (সা.)-এর দেহ মুবারক চুরি করার চেষ্টা করলে সুলতান নুরদ্দিন মাটির নীচে মজবুত করে জংকি গলিত সিসা দিয়ে আবদ্ধ করে দিয়েছেন। রাসুল সা. এর রওজায় মুবরকে দু রাকাত নফল নামাজ পড়লে অনেক সওয়াব হয়। তবে সেখানে অনেক বেশী ভিড় হওয়ায় কয়েক মাস আগেই অন লাইনে বুকিং দিয়ে যেতে হবে। কোন হজ্জ বা ওমরার যাত্রী ভিসা করার পর নুসুক এর এ অ্যাপসে ঢুকে ভিসা নম্বর দিয়ে সহজেই নিবন্ধন করে নিতে পারেন। #নবীজীররওজা #রওজাশরিফ Facebook Page: / saydulislame. . Email: saydul850211@gmail.com