У нас вы можете посмотреть бесплатно এস আই আর শিবিরে বিরোধী দলের লোকজন কোথায়? ৮০% শিবির দখলে তৃণমূলের। или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
এই লড়াই কে আমরা দুটো ভাগে ভাগ করে নিতে পারি। ১) এস আই আর এর পক্ষে। ২) এস আই আর এর বিপক্ষে। পক্ষে থাকাটা জরুরি ছিল না কিন্তু পাকেচক্রে এস আই আর এখন বিজেপির, বিশেষ করে বঙ্গ বিজেপির পলিটিক্যাল এজেন্ডা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর বিপক্ষে বাকি সবাই। কাজেই বিজেপির এই এস আই এর বাড়াবাড়ি আর এক যুক্তিহীন কাজ দেখে ভোটারদের এক বড় অংশ বিজেপির বিরুদ্ধে চলে গেছে, এমনকি যারা গতবারেও ভোট দিয়েছে বিজেপিকে তাঁদেরও এক অংশ এবারে ঐ লাইনে দাঁড়িয়েই অন্যসুরে কথা বলছেন, তার কারণ এই আহাম্মকিপনা কেন হঠাৎ এত জরুরি হয়ে পড়লো তা বিজেপি একবারের জন্যও বুঝিয়ে উঠতে পারেনি। এবারে অন্যদিকে আসুন, রাজ্যজুড়েই এই প্রক্রিয়া চলছে, প্রথমে মমতা এই ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে, নিজে সওয়াল করে এই বিরোধীতার চ্যাম্পিয়ন হয়েই গেছেন, সিপিএম যে দিন মমতা গেলেন সেদিনে এ তো নাটক, এ তো লোকদেখানো ইত্যাদি বললেন, একবারও সেদিনে বললেন না যে তাঁদের একজনই তো সেইদিনের পিটিশনার ছিলেন, সেদিন তাঁর পক্ষে কে ছিল সর্বোচ্চ আদালতে? কেউ না। কিন্তু দ্বিতীয় দিনে তাঁদের টনক নড়েছে, এয়ারপোর্ট থেকে দিল্লিতে নীলোৎপল বসুকে নিয়ে মোস্তারি বানুকে সামনে রেখে সাংবাদিক সম্মেলন করা হলো। হ্যাঁ আজ মঙ্গলবারে গণশক্তির প্রথম পাতায় সিপিএম উকিল সাহেবদের সঙ্গে তার ছবিও ছাপা হলো, কিন্তু সেদিন? সেদিন ওই উকিলবাবুরা কোথায় ছিলেন? ইন ফ্যাক্ট তার আগেরদিনেও যখন বলা হচ্ছে মমতা নিজেই থাকতে পারেন সওয়াল করতে সেদিন গণশক্তিতে একবারও বলা হয়েছিল এই মোস্তারি বানুর কথা? হয়নি। কাজেই ঐ লড়াই এ মমতা যোজন খানেক এগিয়ে গেছে। কিন্তু সেটাও বড় কথা নয়, এটা বহুমানুষের চিন্তা, আশঙ্কা, হয়রানি, এক কোটি র বেশি মানুষ নোটিশ পেয়েছেন। গিয়ে দেখেছেন সেই সব এস আই আর ক্যাম্পে? কারা আছে? ঠিক যেমন প্রথম পর্যায়ে আপনার নাম কোথায় আছে মাসিমা দেখে দিচ্ছি, ও মেশোমসাই আসুন ভোটার লিস্ট ২০০২ এর এখানে আছে, কাউন্সিলরেরা, পঞ্চায়েতের নেতারা ২০০২ এর লিস্ট নিয়ে বসে আছেন যেন সাক্ষাৎ মুসকিল আসান, হ্যাঁ হাজির ছিল তৃণমূল কর্মীরা, এবারেও তাঁদের উপস্থিতিকেই আগে নিশ্চিত করেছে তৃণমূল, সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে ঐ রাজনৈতিক প্রতিনিধি বি এল এ রা শুনানির সময়ে থাকতে পারবে, ছোটত রায়, কিন্তু এই রায় তৃণমূলের পক্ষে কততা কাজ করছে একবার এলাকার ঐ শিবিরগুলোতে যান যেখানে শুনানি হচ্ছে বুঝতে পারবেন। শতরুপ নীতি নৈতিকতার পাঠ তাকে তুলে কীভাবে কমিউনিস্ট পার্টি করতে হবে সেটা শেখাচ্ছেন, বাকিরা সন্ধ্যে হলেই কলতলার ঝগড়াতে, আর সারাদিন অনায়াস বিদগ্ধ চর্চায় ফেসবুকে, শাণিত যুক্তি আর তীক্ষ্ণ মেমে নিয়ে হাজির, শিবিরে দুলাল, যিশু, কেলে মদন, হুমদো বুকাই, ঢ্যাঙা প্রদীপেরা মাসিমা মেশোমশাইকে নিয়ে গিয়ে শুনানিতে সামিল। হ্যাঁ এক বিন্দু মিথ্যে বলছি না, চলে যান যেখানে শিবির হচ্ছে, ৮০% শিবিরে একমাত্র তৃণমূল, খুউউব ছোট্ট বেলায় ৭৮ এর সেই বন্যার সময়ে সালতিতে করে খিচুড়ি নিয়ে এসেছিল কারা, সব্বাই ছিল সিপিএম এর ক্যাডার, পাঁড় কংগ্রেসী ঘরের লোকজন হাতজোড় করে বলেছিল লাগবে না বাবা, যাঁদের দরকার আছে তাদের দাও, ইশ্বর তোমাদের মঙ্গল করুক, এক্কেবারে সেই ছবি, এক ্বেশ প্রবীণ অবসরপ্রাপ্ত জয়েন্ট বিডিও সাহেব, সঙ্গে স্ত্রী, এক নাছোড়বান্দা তৃণমূল কর্মী, বি এল এ, তাঁদের সাহায্য করবেই, মানুষটি বলছেন আমি আমারটা সামলে নিতে পারবো ভাই, আপনি বরং ঐ ওদের দেখুন, থ্যাঙ্ক ইউ, আপনি সাহায্য করবেন বলেছেন ধন্যবাদ। হ্যাঁ এতাই বাস্তব ছবি। রেজাল্ট হাতে এসে যাবার পরে জোট হলে আরও সাতজনের জামানত বাজেয়াপ্ত হতো না এই চিন্তা যখন মাথায় ঘুরবে কমরেডগণ তখন মনে রাখুন রাজনীতিটা আপনারাই মাঠে নেমে করতে শিখিয়েছিলেন, আজ আপনারা ভুলে গেলেও আপনাদের আর্ক রাইভাল তৃণমূল সেটাকে রপ্ত করে ফেলেছে আপনারা বসে আছেন। হ্যাঁ এই মুহূর্তে এস আই আর ২০২৬ নির্বাচনের সবচেয়ে বড় ইস্যু, এই এস আই আর এর ফলে যদি মানুষের গণহারে নাম কাটা যায়, সেটা আগামী দিনে আরও বড় ইস্যু হয়ে উঠবে, সেটা হবে কিনা তা তো ফাইনাল ভোটার লিস্ট বের হবার পরেই বলা যাবে। কিন্তু তার আগে পর্যন্ত এস আই আর এর সমস্ত ক্ষীর আপনি চান বা না চান তৃণমূল খেয়ে গেছে, হ্যাঁ মুসলমানেদের নাম কাটার চেষ্টা করেছি, ওরা তো আসলে ঘুসপেটিয়া এসব বলে বিজেপি তার কোর ভোটকে তো হাতে রাখবে, কিন্তু বামেদের এই এস আই আর হয়ে উঠতেই পারতো কিছুটা হলেও ঘুরে দাঁড়ানোর হাতিয়ার, তাঁরা শুরু থেকেই বিষয়টাকে এক প্রতিকী ব্যাপার হিসেবে ডিল করেছেন। ভাবা যায়, কমরেড সুজন চক্রবর্তির মত নেতা জিজ্ঞেষ করছেন যখন তামিল নাড়ু বা কেরালা রাজ্য বিধানসভাতে এস আই আর এর বিরুদ্ধে প্রস্তাব পাস করালো তখন তৃণমূল কেন করলো না? একবারও ভেবেছেন আস্তিনে কোন প্যাঁচতা নিয়ে মমতা ঘুরছিলেন? সেই কবেই ঠিক হয়েছিল উনি যাবেন সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করতে, মানুষকে যদি এটাই বোঝাতে হয় আমি এস আই আর এর লড়াই এর সময়ে আপনাদের পক্ষে ছিলাম, তাহলে সেটাই তো সবথেকে জরুরি পদক্ষেপ ছিল, যা আপনাদের বিব্রত করেছে, গোটা দেশ বলছে হ্যাঁ পারেন মমতা। একজন সাংবাদিক হিসেবে বলবো বাকিদের একটু শিবির গুলো ঘুরে দেখুন, আপনাকে ঐ সমীক্ষা ইত্যাদি করতে হবেনা, এস আই আর শুনানির শিবিরগুলোতে কান পাতলে বুঝে যাবেন কারা আসবেন ক্ষমতায়, হ্যাঁ খোকা তো গেল মাছ ধরতে, কোলা ব্যাং যা করার করলো কিন্তু মাছ আসলে কে পেল সেটাই তো কথা।