У нас вы можете посмотреть бесплатно শত বছরের পুরনো মসজিদ।I Shato bochorar Purono Mosjid или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার বজরা ইউনিয়নে অবস্থিত বজরা শাহী মসজিদ মুঘল আমলের এক অসাধারণ স্থাপত্য নিদর্শন, যা ১৭৪১-৪২ সালে জমিদার আমানুল্লাহর তত্ত্বাবধানে দিল্লির শাহী মসজিদের আদলে নির্মিত হয়েছিল, এবং এর মোগল কারুকার্য ও রঙিন টালির কাজ এটিকে নোয়াখালী অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক স্থান হিসেবে পরিচিত করেছে। পরবর্তীতে, ১৯১১-১৯২৮ সালের মধ্যে জমিদার খান বাহাদুর আমীর উল্লাহ ও মুজীর উদ্দীন এর ব্যাপক সংস্কার করেন, যা মসজিদের সৌন্দর্য ও আকর্ষণ বহুগুণে বাড়িয়ে তোলে। ইতিহাস ও নির্মাণ নির্মাতা ও সময়কাল: মোগল সম্রাট মোহাম্মদ শাহের শাসনামলে, আনুমানিক ১৭৪১-৪২ খ্রিস্টাব্দে (১১৫৪ হিজরি) স্থানীয় জমিদার আমানুল্লাহ এই মসজিদটি নির্মাণ করেন। স্থাপত্যশৈলী: এটি দিল্লির শাহী জামে মসজিদের নকশার অনুকরণে তৈরি, যেখানে তিনটি গম্বুজ, অষ্টভুজাকৃতির বুরুজ এবং আকর্ষণীয় মেহরাব ও তোরণ রয়েছে। নির্মাণের উদ্দেশ্য: প্রায় ৩০ একর জমির উপর একটি বিশাল দিঘি খনন করে তার পাশে এটি নির্মাণ করা হয়। প্রথম ইমাম: মোগল সম্রাট মোহাম্মদ শাহের অনুরোধে সৌদি আরব থেকে মাওলানা শাহ আবু সিদ্দীক প্রথম ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন। সংস্কার ও বর্তমান অবস্থা ব্যাপক সংস্কার: ১৯১১ থেকে ১৯২৮ সালের মধ্যে জমিদার খান বাহাদুর আমীর উল্লাহ ও খান বাহাদুর মুজীর উদ্দীন আহমেদ মসজিদের ব্যাপক সংস্কার ও সজ্জার কাজ করেন, যেখানে রঙিন সিরামিকের ভাঙা টুকরো দিয়ে মোজাইক করা হয়। প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের দায়িত্ব: ১৯৯৮ সাল থেকে বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ এর ঐতিহ্য রক্ষা ও সংরক্ষণের কাজ করছে। বিশেষত্ব: এর মনোমুগ্ধকর মোজাইক ও স্থাপত্যশৈলীর কারণে এটি আজও স্থাপত্যপ্রেমীদের কাছে এক আকর্ষণীয় স্থান।