У нас вы можете посмотреть бесплатно A religious state/ধর্মাশ্রয়ী রাষ্ট্র/একাদশ শ্রেণীর ইতিহাস/ или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
A religious state/ধর্মাশ্রয়ী রাষ্ট্র/একাদশ শ্রেণীর ইতিহাস/#history #class #bengali ✍️#historywbcs #wbcshistory #exam #wbssceducation #swapnakhonjeducation একাদশ শ্রেণীর ইতিহাস। আজকের বিষয় - ধর্মাশ্রয়ী রাষ্ট্র। ভারতে সুলতানি রাষ্ট্রের প্রকৃতি সম্পর্কে আলোচনার মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হল এই রাষ্ট্র ধর্মাশ্রয়ী ছিল কি না, তা বিচার করা সুলতানি রাষ্ট্র ধর্মাশ্রয়ী ছিল কি না, তা বিচার করার পূর্বে ধর্মাশ্রয়ী বা পুরোহিত তান্ত্রিক রাষ্ট্র বলতে কি বোঝায় তা উল্লেখ করা দরকার। ধর্মাশ্রয়ী বা পুরোহিত তান্ত্রিক রাষ্ট্রের ইংরেজি প্রতিশব্দ হল থিওক্র্যাটিক। থিওক্র্যাটিক শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে গ্রীক শব্দ থিওস থেকে, যার অর্থ হল দেবতা। সেই অর্থে, দেবতাতান্ত্রিক রাষ্ট্র হল ধর্মাশ্রয়ী বা পুরোহিততান্ত্রিক রাষ্ট্র। এরূপ রাষ্ট্রে ধর্ম ও রাজনীতির মধ্যে গভীর সম্পর্ক থাকে এবং যাজক বা পুরোহিতদের দ্বারা রাষ্ট্রের রাষ্ট্রনীতি পরিচালিত হয়। ধর্মাশ্রয়ী রাষ্ট্রের কয়েকটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হল - ১। ধর্মাশ্রয়ী রাষ্ট্রে অদৃশ্য ঈশ্বর হলেন সব শক্তির উৎস এবং চূড়ান্ত সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী। ২। ঈশ্বরের নির্দেশেই হল রাষ্ট্রের আইন। ৩। ঈশ্বরের প্রতিনিধি হিসেবে যাজক বা পুরোহিত শ্রেণী এরূপ রাষ্ট্রের সাশনক্ষমতা পরিচালনা করেন এবং ঈশ্বরের আইন কার্যকরী করেন। বরনির মতে ধর্মাশ্রয়ী রাষ্ট্র - সুলতানি যুগের শ্রেষ্ঠ ইতিহাসবিদ জিয়াউদ্দিন বরনি তাঁর ফতোয়া- ই - জাহান্দারি গ্রন্থে সুলতানি রাষ্ট্রকে জাহান্দারি অর্থাৎ ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র বলে অভিহিত করেছেন। ১। ইসলামের আদর্শ থেকে বিচ্যুত - তাঁর মতে, মধ্যযুগে ভারতের মুসলমানরা ইসলামের মূল আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয়েছে এবং সুলতানি শাসকরাও ইসলামের আদর্শ সর্বদা অনুসরণ করেননি। ২। ধর্মনীতি ও রাষ্ট্রনীতি এক নয় - বরনি উল্লেখ করেছেন যে, বলবন একবার বলেছিলেন, "আমার প্রভু ইলতুতমিস প্রায়ই বলতেন যে, সুলতানের পক্ষে ধর্মবিশ্বাস মেনে কাজ করা সম্ভব নয়। ... আমি ব্যক্তিগতভাবে ন্যায়বিচার করতে পারলেই খুশি থাকব।" বরনির মতের বিপক্ষে ধর্মাশ্রয়ী রাষ্ট্রের সপক্ষে যুক্তি- আধুনিক ইতিহাসবিদ ড.এ.এল. শ্রীবাস্তব, ড. ঈশ্বরীপ্রসাদ, ড. রমেশচন্দ্র মজুমদার, ড. রামশরন শর্মা, ড. আর. পি. ত্রিপাঠি প্রমুখ সুলতানি রাষ্ট্রের ধর্মনিরপেক্ষ প্রকৃতি সম্পর্কে জিয়াউদ্দিন বরনির অভিমতের বিরোধিতা করেছেন। তাদের মতে, সুলতানি রাষ্ট্র ছিল ধর্মাশ্রয়ী বা পুরোহিত তান্ত্রিক রাষ্ট্র। ইতিহাসবিদ ড. এ. এল. শ্রীবাস্তব, ড. ঈশ্বরীপ্রসাদ প্রমুখ সুলতানি রাষ্ট্রকে একটি ইসলামীয় ধর্মরাজ্য বা ইসলামিক থিওক্র্যাটিক স্ট্যাট বলে অভিহিত করেছেন। তাঁদের বক্তব্যর সমর্থনে তাঁরা যেসব যুক্তি উপস্থাপন করেন। তা হল - ১। উলেমা শ্রেণীর গুরুত্ব - দিল্লি সুলতানির প্রশাসনে উলেমা শ্রেণীর যথেষ্ট মর্যাদা ও গুরুত্ব ছিল। ক। শরীয়তের ব্যাখ্যাকর্তা - উলেমা শ্রেণী ছিল ইসলামীয় আইন শরীয়তের ব্যাখ্যাকর্তা। তাদের ব্যাখ্যা অনুসারে সুলতানগন তাদের শাসন পরিচালনা করতেন। উলেমা শ্রেণী আশা করত যে, সুলতান শরীয়তের বিধান মেনে শাসন পরিচালনার মাধ্যমে দার - উল- হারব অর্থাৎ বিধর্মীদের দেশকে দার - উল - ইসলাম অর্থাৎ ইসলামের পবিত্র ভূমিতে পরিণত করবেন। খ। উলেমাতন্ত্র - ড. ঈশ্বরীপ্রসাদ, ড. শ্রীবাস্তব, ড. ত্রিপাঠি প্রমুখের মতে, উলেমা শ্রেণী ছিল প্রায় ধর্মান্ধ এবং হিন্দু বিদ্বেষী। উলেমা শ্রেণীর রাষ্ট্রনীতির প্রধান দিক ছিল অমুসলমানদের বিনাশসাধন, মূর্তিপূজার অবসান এবং অবিশ্বাসীদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করা। বরনির মতের সপক্ষে ধর্মাশ্রয়ী রাষ্ট্রের বিপক্ষে যুক্তি- সুলতানি রাষ্ট্রের ধর্মনিরপেক্ষ প্রকৃতি সম্পর্কে জিয়াউদ্দিন বরনির অভিমতকে আধুনিক ইতিহাসবিদ ড. সতিশচন্দ্র, ড. মহম্মদ. হাবিব, ড. মুজিব, ড. হাবীবুল্লাহ, ড. নিজামী, ড. ইফতিকার আলম খান, ইস্তিয়াফ হোসেন কুরেশি, ড. কে. এম. আশরাফ প্রমুখ সমর্থন করেছেন। ড. মহম্মদ হাবিবের মতে, সুলতানি রাষ্ট্র কোনোভাবেই ধর্মাশ্রয়ী ছিল না। বরং ধর্মাশ্রয়ী রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য গুলির অনুপস্থিতি এখানে লক্ষণীয়। তাঁরা তাঁদের বক্তব্যের সমর্থনে নিম্নলিখিত যুক্তিগুলি উপস্থাপন করেন। তা হল - ১। শরিয়ত বহির্ভূত নির্দেশ - সুলতানি শাসনকালে শরীয়তের বিধান লঙ্ঘনের বহু উদাহরণ পাওয়া যায়। তা হল - ক। প্রাণদণ্ড - শরীয়তে মুসলিমদের প্রাণদণ্ড নিষিদ্ধ হলেও অধিকাংশ সুলতানের আমলেই মুসলিমদের প্রানদণ্ডের প্রথা চালু ছিল। খ। সুদ গ্রহণ - শরীয়তে সুদ গ্রহণ নিষিদ্ধ হলেও ব্যবসাবাণিজ্যের প্রয়োজনে সুলতানি আমলে ঋণদান ও সুদগ্রহন চলত। গ। পৌত্তলিকদের গুরুত্ব - শরীয়তের বিধান অনুসারে মুসলিম রাষ্ট্রে পৌত্তলিকদের কোনো স্থান না থাকলেও সুলতানি আমলে পৌত্তলিক হিন্দুদের যথেষ্ট গুরুত্ব ছিল। ঘ। জিজিয়া থেকে অব্যাহতি - মুসলিম রাষ্ট্রে বসবাসকারী অমুসলিমদের জিজিয়া কর দানের নিয়ম থাকলেও সুলতানি রাষ্ট্রে ব্রাহ্মণ, মহিলা, শিশু ও অসহায় ব্যক্তিরা জিজিয়া প্রদান থেকে অব্যাহতি পেতেন। মূল্যায়ন - জিয়াউদ্দিন বরনি ছিলেন একজন গোঁড়া মুসলমান। নিজ ধর্মীয় চিন্তায় আচ্ছন্ন থেকে তিনি সুলতানদের কাজের ভালোমন্দ বিচার করেছেন। এজন্য ইতিহাসবিদ হেনরি ইলিয়ট বরনিকে মধ্যযুগের একজন পক্ষপাতদুষ্ট ইতিহাসবিদ বলে অভিহিত করেছেন। History of bengali class History of bengali literature History of competitive exams History of wbcs History of India History of world