У нас вы можете посмотреть бесплатно রাজউক এর ড্যাপ নিয়ে চিন্তিত? или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
রাজউকের ড্যাপ (DAP - Detailed Area Plan) বা বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনা হলো ঢাকার পরিকল্পিত নগরায়নের একটি মহাপরিকল্পনা। এটি মূলত ঢাকা মহানগরী ও এর আশপাশের অঞ্চলের জমি কোন কাজে (আবাসিক, বাণিজ্যিক, শিল্প বা জলাশয়) ব্যবহৃত হবে, তা নির্ধারণ করে দেয়। বর্তমানে বাংলাদেশে আলোচিত হচ্ছে ২০২২ সালে গেজেটভুক্ত হওয়া নতুন ড্যাপ (২০২২-২০৩৫)। নিচে এর মূল দিকগুলো সহজভাবে আলোচনা করা হলো: ১. ড্যাপ-এর প্রধান লক্ষ্য জনঘনত্ব নিয়ন্ত্রণ: ঢাকার ওপর মানুষের অতিরিক্ত চাপ কমিয়ে পরিকল্পিত আবাসন নিশ্চিত করা। জলাশয় রক্ষা: বন্যা ও জলাবদ্ধতা রোধে খালের সীমানা নির্ধারণ ও নিচু জমি সংরক্ষণ। নাগরিক সুবিধা: পর্যাপ্ত খেলার মাঠ, পার্ক এবং উন্মুক্ত স্থান তৈরি করা। যোগাযোগ: উন্নত পরিবহন ব্যবস্থা (যেমন- মেট্রোরেল বা ট্রানজিট-ভিত্তিক উন্নয়ন) নিশ্চিত করা। ২. নতুন ড্যাপ-এর গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য নতুন ড্যাপে বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে যা আবাসন খাতে বড় প্রভাব ফেলেছে: ফার (FAR - Floor Area Ratio): নতুন ড্যাপে ভবনের উচ্চতা ও আয়তন নির্ধারণে 'ফার' পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। রাস্তার প্রশস্ততা এবং এলাকার জনঘনত্বের ওপর ভিত্তি করে এখন নির্ধারণ করা হয় একটি প্লটে কত তলা ভবন নির্মাণ করা যাবে। ব্লক ভিত্তিক উন্নয়ন: ছোট ছোট প্লট মালিকরা মিলে বড় 'ব্লক' হিসেবে ভবন করলে বেশি নাগরিক সুবিধা ও বেশি উচ্চতার ভবন নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। ট্রানজিট ওরিয়েন্টেড ডেভেলপমেন্ট (TOD): মেট্রোরেল বা প্রধান স্টেশনগুলোর আশেপাশে বাণিজ্যিক ও বহুতল ভবনের বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মিশ্র ভূমি ব্যবহার: আবাসিক এলাকায় সীমিত পরিসরে প্রয়োজনীয় বাণিজ্যিক সুবিধা (যেমন- গ্রোসারি বা ফার্মেসি) রাখার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ৩. চ্যালেঞ্জ ও বিতর্ক ড্যাপ বাস্তবায়ন নিয়ে কিছু সাধারণ চ্যালেঞ্জ এবং বিতর্কও রয়েছে: আবাসন খাতের শঙ্কা: অনেক আবাসন ব্যবসায়ীর মতে, নতুন ড্যাপের ফার (FAR) কমানোর ফলে ফ্ল্যাটের সংখ্যা কমে যেতে পারে, যা ফ্ল্যাটের দাম বাড়িয়ে দিতে পারে। রাস্তার প্রশস্ততা: অনেক এলাকায় সরু রাস্তার কারণে মালিকরা বড় ভবন করতে পারছেন না, যা নিয়ে সাধারণ প্লট মালিকদের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে। বাস্তবায়ন: বিশাল এই পরিকল্পনা সঠিকভাবে তদারকি করা রাজউকের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। ৪. ড্যাপ-এর এলাকা বা সীমানা রাজউকের ড্যাপের আওতায় প্রায় ১,৫২৮ বর্গকিলোমিটার এলাকা রয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন ছাড়াও সাভার, কেরানীগঞ্জ, রূপগঞ্জ, কালিগঞ্জ ও গাজীপুরের একাংশ অন্তর্ভুক্ত। একটি গুরুত্বপূর্ণ নোট: আপনি যদি আপনার নির্দিষ্ট কোনো জমির ছাড়পত্র (Land Use Clearance) বা ভবন নির্মাণের নকশা অনুমোদনের বিষয়ে জানতে চান, তবে রাজউকের অনলাইন পোর্টালে আপনার প্লটের দাগ নম্বর দিয়ে সর্বশেষ অবস্থা যাচাই করে নেওয়া ভালো। আপনি কি আপনার নির্দিষ্ট কোনো এলাকার ভূমি ব্যবহার (Land Use) বা ফার (FAR) সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাচ্ছেন? জানালে আমি সে বিষয়ে তথ্য দিয়ে সাহায্য করতে পারি। ইঞ্জিনিয়ার জসীম উদ্দীন 01712771910 ডট ডিজাইন, H#31, R#10, Block#L, Dakkin Bonosree, Dhaka.