У нас вы можете посмотреть бесплатно মহেশপুর সুন্দরপুর মোগল আমলের জমিদার বাড়ি। Maheshpur Sundarpur Zamindar house of Mughal period или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
মহেশপুর সুন্দরপুর মোগল আমলের জমিদার বাড়ি। Maheshpur Sundarpur Zamindar house of Mughal period I khamari bari এসবিকে এর ইতিহাস সুন্দরপুর জমিদার বাড়ি, মহেশপুর। ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার এস.বি.কে ইউনিয়নের অন্তর্গত সুন্দরপুর। একটি প্রাচীন বর্ধিষ্ণু গ্রাম। কপোতাক্ষ নদীর উত্তর তীরে অবস্থিত প্রাকৃতিক শোভা ছায়া ঘেরা সুনিবিড় পরিবেশ এবং চৌধুরী পরিবারের ঐতিহ্য গ্রামকে খ্যাতিমান করে। রেখেছে এতদঞ্চলে। খালিশপুর থেকে একটি পাকা রাস্তা কিছুদূর দক্ষিণে যেয়ে পূর্বদিকে বাক ঘুরে সুন্দরপুর গ্রামের মধ্য দিয়ে চৌধুরী বাড়ি হয়ে পূর্বদিকে চলে গেছে। এই রাস্তা ধরে অগ্রসর হলে সহজেই পৌছানো যায় চৌধুরী বাড়ি। স্থানীয় মানুষের নিকট বাড়িটি জমিদার বাড়ি নামে পরিচিত। চৌধুরী বাড়ির রূপ যৌবন এখন আর নেই। আছে শুধু বাধ্যকের ছাপ। জমিদার গেছে জমিদারিও গেছে। আছে শুধু জরাজীর্ণ এবং প্রায় ভঙ্গুর কয়েকটি ইমারত। শোনা যায় আদিতে মূল বাড়ির আয়তন ছিল ৫০ একর জমি জুড়ে বর্তমানে শরিক বৃদ্ধির ফলে বহু অংশে বিভক্ত হয়ে গেছে। ফলে মূল ভবনগুলো স্মৃতিময় ঐতিহাসিক নিদর্শন মাত্র এবং যথারীতি অবহেলিত। স্থানীয় লোকে বলে চৌধুরী বংশের প্রভাবে গ্রামের নামকরণ হয়েছে সুন্দরপুর। S.B.K. তিনটি গ্রামের প্রথম ইংরেজি অক্ষর নিয়ে এই নাম। S= Sundarpur. B= Bazrapur, K=Khalishpur. সুন্দরপুর, বজরাপুর, খালিশপুর তিন গ্রাম পাশাপাশি অবস্থিত এবং মোঘল আমল থেকে বেশ নামকরা জনপদ, ব্রিটিশ শাসনামলে এই তিন গ্রামের নাম ও গুরুত্ব আরো বৃদ্ধি পায় তখন জমিদার পরিবার হিসেবে এই বংশের প্রভাব ও প্রতিপ্রত্তি ছিল তুঙ্গে।সুন্দরপুরের চৌধুরী তালুকদার বংশ স্থানীয়ভাবে জমিদার বংশ নামে পরিচিত। এই বংশের সামাজিক পদবি ‘চৌধুরী’। ‘চৌধুরী’ শব্দের অর্থ সর্বকর্মে সুদক্ষ। মধ্যযুগে সমাজ-গঠনে সামাজিক শাসন শৃঙ্খলা সংরক্ষণে যারা কৃতিত্বের পরিচয় দিয়েছেন, তারা জাতিধর্ম-নির্বিশেষে ‘চৌধুরী’ উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন। সুলতানি ও মোঘল আমলে চৌধুরী ছিলেন প্রশাসন ও রাজস্ব বিভাগের কর্মচারী। তখন চৌধুরী পদবি ছিল কখনো মনোনয়নমূলক এবং কখনো ভূ-সম্পত্তির উত্তরাধিকারী । ব্রিটিশ আমলে ‘রায় চৌধুরী’ উপাধি দেয়া হতো জমিদারদের ও তাদের অধস্তন তালুকদারদের।ভূ-সম্পত্তির স্বত্বশ্রেণি বিভাগ অনুযায়ী সুন্দরপুরের চৌধুরী বংশ প্রথমে পত্তনিদার, পরে অধিক তালুক ক্রয় করে হয়ে যায় তালুকদার। তালুকের স্বত্বধিকারীতে বলা হতো তালুকদার। এ ক্ষেত্রে মূল জমিদার খাজনা কমায়ে নগদ সেলামি বেশি আদায় করতো তালুকদারের কাছ থেকে। চিরস্থায়ী কন্দোবস্তের সময় এই প্রথা চালু ছিল বাংলার সর্বত্র। তালুকদারেরা স্থানীয়ভাবে পরিচিত ছিলেন জমিদার নামে এবং প্রজারা দেরকে জমিদার নামে সম্বোধন করতো। সে সুবাদে সুন্দরপুরের চৌধুরী বংশ জমিদার নামে খ্যাত।এখানে উল্লেখ্য যে, জমিদার ফারসি শব্দ, যার অর্থ ভূ-স্বামী। একটি পরগণার অধিকারীকে জমিদার বলা হতো। তারা বড় জমিদার নামে পরিচিত ছিলেন। জমিদারেরা সাধারণত রাজা, বাদশা, নবাব কিংবা ব্রিটিশদের অনুগ্রহে মনোনীত হতো। এরা মূলত রাজস্ব আদায়ের জন্য ক্ষমতা প্রাপ্ত ব্যক্তি। পরে লর্ড কর্ণওয়ালিসের সময় (১৭৮৬-১৭৯৩ খ্রি.) ১৭৯৩ সালে প্রবর্তিত চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের ফলে এরা প্রকৃত জমিদার শ্রেণিতে রূপান্তরিত হয়। ভূ-সম্পত্তির স্বত্বশ্রেণি বিভাগ অনুযায়ী জমিদার ছিলেন প্রথম শ্রেণির স্বত্বাধিকারী। বিশাল পরগণার রাজস্ব যথাযথভাবে রায়তদের নিকট থেকে আদায় করা জমিদারদের পক্ষে কষ্টসাধ্য ছিল। সে জন্য তারা জমিদারির বিভিন্ন অংশ নিদিষ্ট বার্ষিক রাজস্বের বিনিময়ে বন্দোবস্ত দিত, এগুলোকে তালুক এবং বন্দোবস্ত গ্রহণকারীকে বলা হতো তালুকদার। তালুকদার রায়তদের নিকট হতে রাজস্ব আদায় করে জমিদারকে বার্ষিক রাজস্ব প্রদান করতো এবং এর ফলে তালুকদারি রক্ষা পেত। তবে কারা জমিদার অথবা তালুকদার সে বিষয় নিয়ে প্রজারা মাথা ঘামাতো না। যাকে প্রজারা খাজনা দিত তাকে জমিদার বলে সম্বোধন করতো। প্রজারা সে সুবাদে সুন্দরপুরের চৌধুরী বংশ তালুকদার হয়েও জমিদার বলে সুবিদিত ছিল এতদঞ্চলে। Facebook link : bit.ly/2LTvnOD Facebook Page : http://bit.ly/3iRX8U1