У нас вы можете посмотреть бесплатно নাফাকুম, ভেলাকুম, আমিয়াকুম || Nafakum, Belakum, Amiakum || Thanchi, Bandarban || Everything BD или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
নাফাকুম, ভেলাকুম, আমিয়াকুম || Nafakum, Belakum, Amiakum || Thanchi, Bandarban || Everything BD ফেব্রুয়ারি, 2020 প্রথমদিনঃ আলীকদম থেকে ভোরে থানচি গেলাম বাইকে করে। ওখানে হালকা পাতলা নাস্তা করেই গাইড আর বোটের সন্ধানে নেমে পড়লাম। আমাদের গাইড ছিলো 'লিটন ত্রিপুরা'। আমাদের বয়সী। রেমাক্রির পথে যাত্রা বোটে করে সাঙ্গু নদী ধরে। দুই ঘন্টার মধ্যেই পৌছে গেলাম রেমাক্রি। যাওয়ার পথে সাঙ্গু নদীর দুই পাশে ভিন্ন ভিন্ন আদিবাসীদের দিনের ব্যস্ততা। ছোট ছোট বাজার। রেমাক্রি বাজারে দুপুরের খাবার খেয়েই নাফাখুমের উদ্দেশ্যে হাঁটাপথ শুরু। বলে রাখা ভালো, বোটে রেমাক্রি পৌছার আধা ঘন্টা আগে থেকে কোনো অপারেটররই নেটওয়ার্ক কাজ করবেনা। সো, সবধরনের যান্ত্রিকতার শেষ এখন থেকে। এখান থেকে প্রায় দুই ঘন্টা উত্তর-পূর্ব দিকে ট্রেইল ধরে হাঁটলেই নাফাখুম। আমরা পৌছতে পৌছতে সন্ধ্যার পর হয়ে গেছিলো। গাইড আমাদের নিয়ে উঠলো নাফাখুম পাড়ার এক আদিবাসীর ঘরে। উনারা আমাদের উষ্ণ আথিতেয়তায় বরণ করে নিলো। রাতে পাহাড়ী মুরগী আর লাল লাল জুম ধানের ভাত। আর ডাল-আলুভর্তা। খেয়ে দেয়ে রাতে বের হলাম কিছুক্ষণ হাঁটতে। পাড়ার নিচেই নাফাখুম ঝর্না। কিছুক্ষণ একদম শান্ত হয়ে ঝর্ণার আওয়াজে মেডিটেশন করে নিলাম। তারপর পাড়ার দোকানে এককাপ চা খেয়ে ঘুমোতে গেলাম। দ্বিতীয়দিনঃ ভোরে তীব্র শীত। রাতে একজনে তিনটে করে কম্বল নিয়েও শীতকে মানানো যায়নি। হালকা পাতলা নাস্তা করে চলে গেলাম ঝর্ণায়। নাফাখুম নাকি শীতকালেই ২৫-৩০ ফুট গভীর। আর বর্ষাকালের কথা নাই বা বললাম। তাই থানচি থেকেই নিয়ে যাওয়া লাইফ জ্যাকেট পড়ে নেমে পড়লাম নাফাখুমে! বরফের মতো ঠান্ডা পানি। পানি বেশি ঠান্ডা হওয়ার কারণে পানিতে গা জমে বরফ হওয়ার অবস্থা! তাই যত ভালো সাঁতারুই হোন না কেনো লাইফ জ্যাকেট পড়ে নামাই শ্রেয়। কিন্তু সেই একটা ফিল! আমাদের গাইড এতো ভালো সেও আমাদের সাথে লাফ দিলো পানিতে। জাস্ট আমাদের সঙ্গ দেওয়ার জন্য। এরপর উঠে ফটোসেশন সেরে দুপুরের খাবার খেয়েই রওনা দিলাম নেক্সট টার্গেট 'জিনা পাড়া'র উদ্দেশ্যে। ওখানে রাতে থেকে পরদিন যাবো আমিয়াখুম। এই হলো প্ল্যান। নাফাখুম থেকে জিনাপাড়ার ট্রেইলটা সেই সেই সেই। একদম বেশি সেরা এই ট্রেইলটা। যেতে যেতে মনে হলো আমাদের দেশটা কোনো অংশেই কাশ্মীর-মানালীর চেয়ে কম নয়। শুধু সমুদ্র পৃষ্ট থেকে বেশি উঁচুতে নয় বলে বরফটা পড়ে না। নাইলে সব সেইম। যাই হোক, দুই ঘন্টায় পৌছে গেলাম জিনা পাড়া। বিকালে দেখলাম অনেকেই আসতেছে আমিয়াখুম থেকে ক্লান্ত শ্রান্ত শরীরে। ওদের অবস্থা দেখে পরদিন নিজের অবস্থাও যে এমন হবে তা আঁচ করতে পারলাম। ওখানেও এক আদিবাসীর ঘরে উঠলাম। রাতে ডিম দিয়ে খেলাম। এবং তাড়াতাড়িই ঘুমাতে গেলাম কারণ পরদিন ভোরে উঠে রওনা দিবো আমিয়াখুমের উদ্দেশ্যে। তৃতীয়দিনঃ একদম ভোরে উঠে নাস্তা করে লোকাল গাইড আর আমাদের রেগুলার গাইড নিয়ে আমিয়াখুমের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু। গন্তব্য দেবতা পাহাড়। দেবতা পাহাড়ের পাদ দেশেই আছে আমিয়াখুম-ভেলাখুম। যাত্রা পথে দুটো পাহাড় অতিক্রম করে দেড় ঘন্টার মধ্যেই পৌছে গেলাম দেবতা পাহাড়ের চুড়ায়। এখান থেকে পাহাড় বেয়ে সোজা নিচে নামলেই আমিয়াখুম! একদম খাড়া পাহাড়। শুধু নামতেই লাগে আধা ঘন্টা! অনেক অনেক রিস্কি আর কষ্টের। একটু এদিক ওদিক হলে দূর্ঘটনা! নেমে যা দেখলাম তা দেখেই চোখ জুড়িয়ে গেলো! আহা! আহা! কি স্বর্গীয় একটা দৃশ্য! ভাষায় বুঝানো যাবেনা। এরপর গেলাম ভেলাখুম! ভেলায় চড়ে সেই একটা অনুভুতি। একদম নীরব নিস্তব্দ চারদিক। আর আমরা ভেলায় কয়েকজন বন্ধু! ভেলা চড়া শেষে গেলাম আমিয়াখুম। এখানেও গোসল করলাম মন ভরে। ততক্ষণে ক্ষুধায় পেটে ইঁদুর দৌড়াচ্ছে! দুপুরের খাবার আমরা নিয়ে গিয়েছিলাম। জিনা পাড়ার যে আদিবাসীর বাড়িতে ছিলাম উনিই রেডি করে দিয়েছিলেন সবকিছু। ওখানেই খেলাম কলাপাতায়। আরো একটা অভিজ্ঞতা! খাওয়া দাওয়া শেষে এবার ফেরার পালা। আবারো এই দেবতা পাহাড় বেয়ে উপরে উঠতে হবে ভেবে বুকে চিক্কুর দিয়ে উঠতেছিলো! চল্লিশ মিনিট লাগলো শুধু এই খাড়া পাহাড় উঠতে! কি যে কষ্টের এই পাহাড় বেয়ে উঠা! চূড়ায় উঠেই সবাই ওখানেই শুয়ে পড়লো। আধা ঘন্টা বিশ্রামের পর আবার জিনা পারার উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম। ঘন্টা দেড়েকের মধ্যেই জিনাপাড়া চলে আসলাম। আগেরদিন যাদের দেখে আমরা ভয় পাচ্ছিলাম ঠিক তেমনি নতুন আরেকটা আমাদের অবস্থা দেখে হাসতেছে! এসেই দিলাম এক ঘুম! রাতে উঠে পাড়ার হেডম্যানের দোকানে গিয়ে আড্ডা হলো খুব জমিয়ে। এরপর রাতে খেয়ে আবার ঘুমোতে গেলাম ক্লান্ত শ্রান্ত শরীরে। চতুর্থদিনঃ রাতে প্যারাসিটামল খেয়ে ঘুমোনোয় ব্যাথা অনেকটা কমে গিয়েছিলো। আজকের জার্নিটা সবচেয়ে কষ্টের! প্রায় ছয় ঘন্টা পাহাড় - ঝিরিপথ হেঁটে যেতে হবে পদ্মমুখ। যাওয়ার সময় আমরা আর রেমাক্রি দিয়ে ব্যাক করি নাই। পদ্মমুখ হচ্ছে রেমাক্রি বাজারের অনেক আগে অবস্থিত একটা বাজার। যেখান থেকে বোটে থানচি মাত্র আধা ঘন্টার পথ। যেখানে আমাদের ভাড়া করা বোট এসে বসে থাকবে আমাদের জন্য। খরচের হিসাব 💵 ঢাকা অথবা চট্টগ্রাম থেকে বান্দরবান হয়ে থানচি অথবা আলীকদম হয়ে থানচি। কিন্তু আমার মনে হয় আলীকদম হয়ে আসলে সময়টা একটু কম লাগবে। ঢাকা থেকে আলীকদম - 800/= আলীকদম থেকে থানচি বাইকে - প্রতিজন 300/= (এক বাইকে দুজন) থানচি থেকে বোট- আপ ডাউন 4000/= (বোটে গাইড সহ সর্বোচ্চ 6 জন ধরবে) গাইড - 4500 থেকে 5000/= আর ওখানে প্রতিবেলা খাওয়া- মুরগী, ভাত, ডাল, আলুভর্তা - 150/= ডিম, ভাত, ডাল, আলুভর্তা -120/= প্রতি রাত থাকা 150/= এগুলা স্থানীয় প্রশাসনের ফিক্সড করা রেট। কেউ বেশি কিংবা কম নিবেনা। Music By: Track 1 : ► Jarico - Paradise : / jaricomusic ► Jarico - Paradise [NCS BEST OF]: • Видео Track 2 : ► Music by: Roa - Carnival : / . . ► Roa - Carnival [NCS BEST OF] : • Видео Track 3 : ► Jarico - Waves : / waves ► Jarico - Waves [NCS BEST OF]: • Видео 🔈 Download free this song here : https://audiograb.com/uRkcIyBV