У нас вы можете посмотреть бесплатно ‘হিজরা’ বলায় সাংবাদিকদের ওপর ক্ষেপে গেলেন তাশনুভা, সংবাদ পড়া শেষ করেই কান্নার ঢল😒😒 или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
বেদের মেয়ের জীবনের প্রচন্ড কষ্টের কাহিনী • Видео চিরকালীন অচলায়তন ভেঙে বৈশাখী টেলিভিশনের পর্দায় দেশে প্রথম পেশাদার সংবাদ পাঠ করলেন একজন ট্রান্সজেন্ডার নারী। আজ (সোমবার) আন্তর্জাতিক নারী দিবসের বিশেষ এই দিনের মধ্যাহ্নের বৈশাখী সংবাদ শিরোনামে খবর পাঠ করেছেন তাশনুভা আনান শিশির। এর মাধ্যমে আজ (সোমবার) দেশের গণমাধ্যমের জন্য একটি নতুন ইতিহাস রচনা হলো। নারী দিবসে দুপুর ১২টায় সংবাদ বুলেটিনে খবর পাঠ করেছেন শিশির। আজ বিকেল ৪টায় আবারো সংবাদ পড়বেন তিনি। বৈশাখী টিভি কর্তৃপক্ষ বলছে, স্বাধীনতার ৫০ বছরে গর্ব করার মতো অনেক অর্জন থাকলেও বৈষম্যহীন ও সবার জন্য নিরাপদ জীবন নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। এই ব্যর্থতার কারণে সবচে বড় অবহেলিত জনগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে ট্রান্সজেন্ডাররা অন্যতম, যাদের চিরাচরিতভাবে হিজড়া বললে আমাদের সমাজে সকলেই বোঝেন। জন্মগতভাবে এই শারীরিক সীমাবদ্ধতা নিয়ে যারা আমাদের সমাজে ভূমিষ্ঠ হন তাদের পারিবারিক, সামাজিক এমনকি রাষ্ট্রীয়ভাবে বঞ্চনা ও অবহেলার স্বীকার হবার অনাকাঙ্ক্ষিত বাস্তবতাটি আমাদের চিরচেনা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার এই অবহেলিত নাগরিকদের মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় নানা উদ্যোগ নিয়েছেন। ভোটার তালিকায় তারা এখন নারী বা পুরুষ হিসেবে নয় সরাসরি হিজড়া পরিচয়েও নিজেদের নাম নিবন্ধন করার অধিকার পেয়েছেন। বিপুল সংখ্যক হিজড়াকে সরকার ভাতাও দিচ্ছে। তবে আমরা মনে করি ট্রান্সজেন্ডারদের ধারাবাহিক ও স্থায়ী উন্নয়নের ধারা নিশ্চিত করতে সবার মানসিকতার পরিবর্তন অত্যন্ত জরুরি। বিষয়টি নিশ্চিত করে বেসরকারি এই টেলিভিশন চ্যানেলের জনসংযোগ কর্মকর্তা দুলাল খান বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, বৈশাখী টেলিভিশন স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর এই বছর, স্বাধীনতার মাস মার্চে নারী দিবস উদযাপনের প্রাক্কালে আমাদের চ্যানেলের সংবাদে এবং নাটকে দুইজন ট্রান্সজেন্ডার নারীকে যুক্ত করেছি। দেশের মানুষ এই প্রথম কোনও পেশাদার সংবাদ বুলেটিনে খবর পাঠ করতে দেখলেন একজন ট্রান্সজেন্ডার নারীকে, যা স্বাধীনতার ৫০ বছরে দেশে আগে কখনো ঘটেনি।