У нас вы можете посмотреть бесплатно একনজরে জেনে নিন জয়রামবাটী মাতৃ মন্দিরে প্রবেশ, প্রসাদ গ্রহণ ও থাকার নিয়মাবলী। или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
বাঁকুড়া জেলার জয়রামবাটী হল অত্যন্ত পূণ্যভূমি। কারণ এখানেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন শ্রী শ্রী সারদা মা। সারদা মায়ের জন্মস্থানটিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য গড়ে তোলা হয়েছে মাতৃ মন্দির। মাতৃ মন্দির দর্শন করতে বাঁকুড়া জেলার জয়রামবাটী গ্রামে সারাবছরই পূণ্যার্থীদের আনাগোনা লেগেই থাকে। কিন্তু পূণ্যার্থীদের জয়রামবাটী পৌঁছানোর জন্য শুধুমাত্র সড়কপথকেই বেছে নিতে বাধ্য হত। কারণ রেলপথে জয়রামবাটীর সাথে কোন যোগাযোগ ছিল না। ১৮ই জানুয়ারি ২০২৬ থেকে চালু হয়ে গেল জয়রামবাটী বাঁকুড়া মেমু ট্রেন। এটা বাঁকুড়া জেলাবাসীর কাছে খুবই আনন্দের খবর। তবে জয়রামবাটীর এই মাতৃ মন্দিরে প্রবেশের কিছু নিয়ম রয়েছে। শ্রী শ্রী মাতৃ মন্দিরের মূল প্রবেশদ্বার সকাল ৬টা থেকে দুপুর সাড়ে ১১টা পর্যন্ত এবং বৈকাল ৪টা থেকে রাত্রি ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকে। এখানে দুপুরে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। এই প্রসাদ গ্রহণ করার জন্য সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১১টার মধ্যে যথাসাধ্য অনুদান প্রদান করে কুপন সংগ্রহ করতে হয়। এই মন্দিরের ভিতরে কোনপ্রকার ফটোগ্রাফি ও ভিডিওগ্রাফি সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ।