У нас вы можете посмотреть бесплатно কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্রের মহেশ গল্পের সেই অত্যাচারী জমিদার বাড়ী। কাশিপুর জমিদার বাড়ী। চুয়াডাঙ্গা или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
#kajlamedia #kasipurjomidarbari #jomidarbari বাংলাদেশের খুলনা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল ঐতিহাসিক চুয়াডাঙ্গা জেলা। পূর্বে এটি বৃহত্তর কুষ্টিয়া জেলার অন্তর্গত ছিল। দেশ বিভাগের পূর্বে এটি পশ্চিম বঙ্গের নদীয়া জেলার অন্তর্গত ছিল। চুয়াডাঙ্গা জেলার রয়েছে কয়েকশ বছরের ঐতিহাসিক পটভূমি। ঐতিহ্যবাহী এই জেলাটির নানা দর্শনীয় স্থানের মধ্যে একটি কাশীপুর জমিদার বাড়ি। জমিদার বাড়িটি বিশেষভাবে জনপ্রিয় জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্রের স্মৃতিবিজড়িত বলে। বাড়িটি ছিলো শরৎচন্দ্রের মামা বাড়ি। জমিদার বিনয় কুমার চট্টোপাধ্যায় ছিলেন শরৎচন্দ্রের মামা। প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মহেশ নামক ছোট গল্পটি বাংলা সাহিত্যের এক অনবদ্ধ সৃষ্টি। কাশীপুর জমিদার বাড়িটি বাংলাদেশের অস্থায়ী রাজধানী বর্তমান চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর থানার কেডিকে ইউনিয়নের কাশীপুর গ্রামে অবস্থিত। কাশিপুর গ্রামের তৎকালীন জমিদার ছিলেন কথা সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের আপন মামা বিনয় কুমার চট্টোপাধ্যায়। তিনি ছিলেন একজন অত্যাচারী জমিদার। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় একবার মামার বাড়িতে এসে প্রজাদের ওপর অন্যায় অবিচার দেখে মর্মাহত হয়ে জমিদার বাড়ির এই পুকুর পাড়ে বসে তিনি মহেশ নামক ছোট গল্পটি রচনা করেন। তার সেই স্মৃতিবিজড়িত জমিদার বাড়িটি অবহেলা, পরিচর্যার অভাবে এবং অধিক মালিকানার কারণে আজ প্রায় ধ্বংসের মুখে। বাড়িটি ১২৬৮ বঙ্গাব্দ , ১৮৭১ খৃষ্টাব্দ সালে প্রতিষ্ঠিত। দেশ বিভাগের ফলে বাড়িটির বর্তমান বাসিন্দাদের পূর্বপুরুষদের সাথে বিনয় কুমার চট্টোপাধ্যায় ভারতের ১২০০ বিঘা জমির বিনিময় করেন। জমিদার বাড়ীর স্মৃতি হিসেবে শুধুমাত্র লাল ইটের তৈরী জমিদারবাড়ী টি অযত্ন অবহেলায় ঠিকে আছে। এছাড়াও আছে একটি অভিনব কল যা দ্বারা মটর ছাড়াই দ্বিতীয় তলায় পানি ওঠানো হতো সেই সময়। । এছাড়াও সেই সময়ের কাঠের তৈরি খাট-পালং, সোফা, টেবিল, ডেসিন টেবিল, চেয়ার, কাষার তৈরি থালা বাসন, ডাইনিং টেবিল আছে। আছে একটি পালকি। জমিদার বাড়ি থেকে ২০০ মিটার উত্তরে গুফুর মিয়ার বাড়ি ছিল। গরীব অসহায় গফুর জোলার বাড়ীর চিহ্ এখন আর নেই। ধারনা করা হয় এই বাড়ীটিই স্থানেই ছিলো গফুর জোলার বাড়ী। জমিদার বাড়িটির পাশ ঘেষে বয়ে গেছে সুবিশাল ভৈরব নদী। যা তৎকালীন সময় ভারতবর্ষ থেকে পণ্য আনা-নেওয়া করতেন শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মামা বিনয় কুমার চট্টোপাধ্যায়। মহেশ গল্পের গফুর জোলা, মহেশ আর আমিনার কষ্টগাধা জীবন কাহিনী পড়ে পাঠক যেমন ব্যাথিত হয়। ঠিক তেমনিভাবেই স্বচোখে কাশিপুর জমিদার বাড়ীর বর্তমান অবস্থা দেখলেও হৃদয়ে রক্তক্ষরন হবে। জমিদার বিনয় কুমার ও তার ছোট ভাই মিনয় কুমার চট্টোপাথ্যায়ের বাড়ী পাশপাশি হলেও বর্তমানে দুই বাড়ীর মাঝে এখানে ইটের প্রাচীর আর মালিককানার দেওয়াল দাড়িয়ে। বাড়ী দুইটির প্রায় ৫০ ভাগ নষ্ট হয়ে গেছে। শুধূমাত্র এই বাড়ীতে বসবাস করা পরিবার গুলোর থাকার ঘর গুলো সংসকার করে তারা বসবাস করছে। লাল ইটের দেওয়ালের প্লাস্টার ভেদ করে সেখানে দখল নিয়েছে বন্য গাছগাছালি। জমিদারবারীর পানির চাহিদা যে কুপের পানি থেকে মিঠতো তা আজ ব্যবহার অনুপোযোগী। বাঙ, ছত্রাক সহ কীট পঙ্গতের নিরাপদ বাসস্থান। রান্না ঘরের ছাদ অনেক আগেই দষে পড়েছে। ময়লা আবজর্ণার স্তুত জমেছে কয়েক পড়ত। পবিত্র মনে নতচিত্তে যে তুলসী গাছের তলায় পুজা করা হত সেই তুলশী গাছের মুজাহিদ পাথরের টবটি মুখ থুবরে পড়ে আছে জমিদার বাড়ীর পিছনে ময়লার আবর্জনার মধ্য। সীমানা প্রাচীর গুলো ভেঙ্গে গেছে অনেক আগেই। জমিদার বনিয় কুমারের ছোট ভাই মিয়ন কুমারের বাড়ীতে গেলেও একই রকম দৃশ্য চোখে পড়বে। বৈঠকখানা ভেঙ্গৈ ছুরে একাকার। পাশেই টট্যার সেল। যেখানে সাধারণ প্রজাদের আটকিয়ে নির্যাতন করা হত সেই কক্ষ গুলো আজ প্রকৃতির কাছেই নির্যাতিত হয়ে কোন রকমে টিকে আছে। এই এখানে মোট ৫টি বাড়ী আছে। যার দুইটা জমিদার বিনয় ও মিয়ন কুমারের হলেও বাকী তিনটা কারা ব্যবহার করতে সেটা জানা সম্ভব হয়নি। তবে একটি বাড়ীর সিড়িতে সুরন্দে নাথ মুখোপাধ্যয় ও অনিমা মুখোপ্যাাদয়ের নাম লেখা দেখা পাওয়া যায় । এর একটি বাড়ী ভেঙ্গে সেখানে সরকার বাড়ী নামে আর নতুন করে বিশাল অট্টলিকা তৈরী করা হয়েছে। গফুরের চোখের পানি আর মহেশের খিদে, আমিনার ভালবাসার কাছে জমিদারের জমিদারী সকল জৌলস হারিয়ে এখন এই শুধুই স্মৃতি। পুকুরের পাড়ের বটগাছটি হয়তো এভাবেই দাড়িয়ে দেখছেন অতীত বর্তমান আর ভবিষ্যৎ। সবকিছু মিলিয়ে কাশীপুর জনপদটি ইতিহাস আর ঐতিহ্যের বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে দাঁড়িয়ে আছে বাংলাদেশের বিশাল মানচিত্রের ক্ষুদ্র একটু অংশ জুড়ে। বাড়ীটি সংস্কার করা একান্ত জরুরী।