У нас вы можете посмотреть бесплатно কোদোপাল ইকোপার্ক, সুবর্নরেখা নদী, রোহিনী ঝাড়গ্রাম или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
Kodopal Park / কোদোপাল Kodopal Eco Park | কোদোপাল | Jhargram Tourism | Sujit Sahoo Photography **************************** মাওবাদী ভয় ভীতিতে দাঁড়ি পড়েছে। এখন বছরভরই ঝাড়গ্রামের নানা প্রান্তে ভিড় জমাচ্ছেন পর্যটকেরা। আনন্দ ভ্রমন আর অবকাশ যাপনের অনন্য নাম কোদোপালের ইকো নেষ্ট টুরিষ্ট স্পট। ঝাড়গ্রাম ঘুরতে এসে কোদোপালের ইকো নেষ্ট টুরিষ্ট স্পট ভাল লাগবেনা এরকম ভ্রমন পিপাসু পর্যটক পাওয়া যাবে না বললেই চলে। কোদোপাল স্থানীয় নাম মাজুলীর চর সাঁকরাইল ব্লকের রোহিনী গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত। এই এলাকাটি আসলে ডুলুং ও সুবর্ণরেখার মধ্যবর্তী নদীর চর। ডুলুং সুবর্ণরেখা এবং বাঁশিখাল এই এলাকায় মিশে প্রকৃতির সাথে একাকার হয়ে গেছে। সেখানে চারশো একর জমিতে সাঁকরাইল পঞ্চায়েত সমিতি ও ব্লক প্রশাসনের উদ্যোগে গড়ে তোলা হয়েছে একটি বহুমুখী জৈব কৃষি খামার। এলাকার সাতটি গ্রামের আড়াইশোটি আদিবাসী-মূলবাসী পরিবারের কর্মসংস্থানের সুযোগ ঘটছে খামারে। আরও বেশি কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে এবার কোদোপালকে প্রকৃতি পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে তুলে ধরতে চায় সাঁকরাইল ব্লক প্রশাসন। সেজন্য পর্যটন দফতর, পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন দফতর এবং উন্নয়ন ও পরিকল্পনা দফতরের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। বিভিন্ন ফল ও ফুলের বাগান তো ছিলই নতুন করে সংযোজন হয়েছে ৮ টি বিলাস বহুল ডবল বেডের কর্টেজ । এই কর্টেজের বুকিং হবে বর্তমানে পঞ্চায়েত সমিতির মাধ্যমে । সুন্দর মনোরম পরিবেশে এই কর্টেজ গুলি তৈরী করা হয়েছে । কর্টেজের চারপাশে রয়েছে মনোরম পরিবেশ দেখার জন্য প্রায় ৪০ ফুট উচ্চতার ওয়াচ টাওয়ার যা দিয়ে দুর দুরান্তের পরিবেশ নজর বন্দি করা যাবে । শীতকাল ও গরমকালের বেড়াতে আসবার নতুন স্থান হল কোদোপালের ইকো নেষ্ট টুরিষ্ট স্পট । কোদোপাল একটি সুন্দর জায়গা যোগাযোগ ব্যবস্থার আরেকটু উন্নতি ঘটলে এটা একটি সুন্দর টুরিষ্ট স্পট হয়ে উঠবে তাই নয় এটা বায়ো ডাইভারসিটির সুন্দর গবেষনা মুলক এলাকা হিসেবেও গড়ে উঠতে পারে। এখানে বিভিন্ন রকমের ম্যাডিসিনাল গাছের প্ল্যান্ট রয়েছে। ঝাড়গ্রাম এই জঙ্গলমহল এলাকার প্রাকিতিক সম্পদে ভরপুর। প্রচুর প্রাকৃতিক সম্পদ এখানে রয়েছে যার ঔষধি গুনও রয়েছে। গবেষনার জন্য কদোপাল একটি সুন্দর জায়গা। জঙ্গলমহলের অন্যতম দ্রষ্টব্য জায়গা হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছে কোদোপাল। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে , ডুলুং ও সুবর্ণরেখা নদীর মধ্যবতী এই চরটি প্রায় একশো বছর আগে পলি জমে প্রাকৃতিক ভাবে তৈরি হয়েছিল। ঘন ঝোপঝাড়ে ভর্তি এলাকাটি ছিল শ্বাপদসঙ্কুল। ২০১২ সালে সাঁকরাইলের বিডিও সৌরভ চট্টোপাধ্যায় ওই এলাকাটিতে বিবিধ প্রকল্পের মাধ্যমে উন্নয়নের সুযোগ রয়েছে বলে জেলা প্রশাসনের কাছে প্রস্তাব পাঠান। এর পর স্যাটেলাইট ম্যাপিং করে পুরো জমিটি ছোট ছোট প্লটে ভাগ করা হয়। কোদোপালের চরটির মালিক জেলা ভূমি দফতর। তবে প্রকল্পটি রূপায়নের দায়িত্বে রয়েছে সাঁকরাইল পঞ্চায়েত সমিতি। একশো দিনের কাজের প্রকল্পে ঝোপঝাড় সাফ করে জমি সমতলীকরণ করা হয়। এলাকার আড়াইশোটি পরিবার এই কৃষি খামারে নিয়মিত কাজ পাচ্ছে। গত দু’বছরে ২৫ হাজার শ্রমদিবস সৃষ্টি হয়েছে। বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, উদ্যানপালন দফতর, কৃষি দফতরের বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ ও সহযোগিতায় এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দফতরের অর্থানুকুল্যে বহুমুখি ওই খামারে নানা ধরনের উন্নত প্রজাতির চার হাজার ফলের গাছ লাগোনো হয়েছে। রয়েছে আম, পেয়ারা, সফেদা, কুল, পাতিলেবু, গন্ধরাজ লেবু, মৌসাম্বি, লিচু প্রভৃতি গাছ। প্রতিটি গাছে শাওয়ার ইরিগেশনের ব্যবস্থা রয়েছে। এ বার গ্রীষ্মের মরশুমে কোদোপালে প্রায় সাড়ে ১৩ লক্ষ তরমুজের ফলন হয়েছিল। এর পাশাপাশি, ডুয়েল পারপাস-এ বিভিন্ন প্রজাতির ফুল চাষ হচ্ছে। এই বর্ষায় বন দফতরের উদ্যোগে কোদোপালের ৫০ হেক্টর সরকারি জমিতে সেগুন, শিশু, মহুল, ঝাউয়ের মতো গাছ লাগানো শুরু হয়েছে। বিভিন্ন দফতরের বরাদ্দ টাকায় এ পর্যন্ত প্রকল্পটি রূপায়নে ব্যয় হয়েছে পাঁচ কোটি টাকা। সাঁকরাইলের বিডিওর কথায় কোদোপাল কেবল কৃষি খামার নয়, এটিকে ঘিরে ইকোনমিক জোন তৈরি করার পথে এগোচ্ছেন তারা এবং অনেকটা সফল হয়েছেন । এর ফলে, এলাকার ধিতপুর, হরেকৃষ্ণপুর, কুস্তুরিয়া, মাসাড়-শালবনির মতো সাতটি গ্রামের আড়াশোটি আদিবাসী-মূলবাসী পরিবারকে সারা বছর কাজ দেওয়া সম্ভব হয়েছে । এখানে প্রকৃতি পর্যটন কেন্দ্র চালু হলে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে আরও বেশি করে কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে।” কোদোপালের প্রকল্পটি দেখভালের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে স্থানীয় দশজন আদিবাসী যুবককে। এখানে দু’ধরনের কর্মসংস্থানের সুযোগ ঘটছে। প্রথমত, মাটি কাটা ও খামার পরিচর্যার জন্য কাজ পাচ্ছেন স্থানীয়রা। অন্য দিকে, যাঁদের চাষজমি নেই, তাঁদের চাষ করার জন্য একটা মরশুমের জন্য নাম মাত্র টাকায় জমি লিজ দেওয়া হচ্ছে। উৎপাদিত কৃষিজ সামগ্রী বিক্রি করে লাভের মুখ দেখছেন চাষিরা। নিকটবর্তী অঞ্চলের গরিব খেতে খাওয়া মানুষরা খুব উচ্ছসিত এই প্রকল্প নিয়ে তাদের বক্তব্য দু’বছর আগেও ভিন জেলায় খেত মজুরের কাজ করতে যেতে হতো। এখন কৃষি খামারে দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে সারা বছর কাজ মিলছে। সম্প্রতি কোদোপাল পরিদর্শন করে প্রকল্পটির ভূয়সী প্রশংসা করে গিয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যসচিব। বিডিও জানান, কোদোপালের জমিতে কোনও রকম রাসায়নিক সার প্রয়োগ করা হচ্ছে না। কেবলমাত্র জৈব সার ব্যবহার করা হচ্ছে। সারের চাহিদা মেটানোর জন্য উপভোক্তাদের বাড়িতে বায়ো প্ল্যান্ট বসানোর জন্য নাবার্ডের সাহায্য চাওয়া হয়েছে। ঝাড়গ্রাম জেলা পরিষদের তরফে কোদোপালের কর্মযজ্ঞে সব রকম সহযোগিতা করা হচ্ছে। পথনির্দেশ :- খড়্গপুর - হাতিগেড়িয়া -কুলটিকরি -রোহিনী বাসস্ট্যান্ড বাসস্ট্যান্ড থেকে বামদিকের রাস্তায় ১.৫ কিমি ম্যাপ লিংক - https://goo.gl/maps/nDkVJ5trF6w ছবি তোলার তারিখ - ১০ই ডিসেম্বর ২০১৮ Sujit Sahoo Photography All Right Reserved 2018 Music Right - Versatile Bhaskar ( / @singerbhaskarbasu ) #SujitSahooPhotography #kodopal #jhargram #Subarnarekha #Dulung #rohini #sankrail #Ecotourism #JhargramTourism #KodopalFruitGarden