У нас вы можете посмотреть бесплатно পরিকল্পনা করেই ভোটার তালিকা থেকে সংখ্যালঘু মানুষজনের নাম কাটার চেষ্টা হচ্ছে, রুখে দাঁড়ান। или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
যাঁরা শান্তিকুঞ্জের মুর্তিমান অশান্তি আমাদের শুভেন্দু অধিকারির কথা শুনে তখন পাগলের প্রলাপ মনে করেছিলেন, দেড় কোটি রোহিঙ্গা আর মুসলমানের না ভোতার তালিকা থেকে বাদ দেবার কথায় হেঁসেছিলেন, বা আমাদের মত যাঁরা মনে করেছিলেন সে উনি যাই বলুন না কেন শেষ মেষ উনি যা বলছেন তা ব্যুমেরাং হবে, আদতে নাম তো কাটাযাবে নমশুদ্র হিন্দুদের, মতুয়াদের, রাজবংশী বা আদিবাসীদের, এতাও বলেছিলাম যে বেশ কিছু হিন্দিভাষী মানুষজনের ভোট কাটা যাবে, তারা এই এস আই আর এর প্রথম খসড়ার পরে নিজেরা নিজেদের পিঠ চাপড়েছিলাম, হ্যাঁ সেই সময় পর্যন্য হিসেব বলছিল যে নাম কাটা যাচ্ছে মতুয়াদের, রাজবংশী বা আদিবাসীদের, কলকাতার হিন্দি ভাষা ভাষি মানুষদের, হ্যাঁ যখন প্রথম ৫৮ লক্ষ মানুষের বাদ পড়ার কথা বলা হল তখন হিসেব এটাই দেখেছিলাম। কিন্তু তারপরে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি বলে এক অদ্ভুত ব্যাপার এসে হাজির হলো, এবং সব হিসেব গুলিয়ে দিয়ে এক্কেবারে শুভেন্দু অধিকারির এজেন্ডা নিয়ে কাজ শুরু করে দিল নির্বাচন কমিশন। না রোহিঙ্গা আর পাবে কোথায়? টার্গেট এক্কেবারে সোজা, ঠিক যেমন করে অসমের অসভ্য বর্বর মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা বন্দুকের সামনে রেখেছেন মুসলমান মানুষকে, তেমনিভাবেই মুসলমান ভোটারেরাই আপাতত নির্বাচন কমিশনের টার্গেট। আসুন আপাতত এই এস আই আর এর তান্ডবনৃত্যটাকে একটু বোঝার চেষ্টা করি, খুব ছোট আর অত্যন্ত সাধারণ কারণেও মানুষকে ঘরবাড়ি ছেড়ে, কাজ কামাই করে নির্বাচন কমিশনের অস্থায়ী শিবিরে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে । অভিযোগ উঠছে যে, এই বিশাল কর্মযজ্ঞের আড়ালে আসলে প্রায় দেড় কোটি মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার এক সুপরিকল্পিত ছক কষা হয়েছে । আগে আসুন আবার বুঝি যে এস আই আর খায় না মাথায় দেয়? এসআইআর আসলে কী আর কেন এটা এইমুহূর্তে বাংলায় এক ভয়ংকর চেহারা নিয়েছে? এমনিতে এটা এক প্রক্রিয়া যা দিয়ে এক রাজ্যের পুরো ভোটার তালিকাকে নতুন করে তৈরি বা সংশোধন করা হযবে। সাধারণভাবে এটা প্রতি নির্বাচনের আগে করা হয় না, ইন ফ্যাক্ট আগে কখনও হয় নি। ইলেকশন কমিশনের হ্যান্ডবুকেও দেশ জুড়ে বা রাজ্য জুড়ে এস আই আর করার কোনও এক্তিয়ার ইলেকশন কমিশনের নেই। কিন্তু বিহারে এটা শুরু করা হল, বলা হচ্ছে ওটা ছিল টেস্ট কেস। কিন্তু তার পরেই পশ্চিমবঙ্গে এই দ্বিতীয় দফার সংশোধন শুরু হতেই শুরু হয়ে গেল চরম বিশৃঙ্খলা । নগরায়ন, মানুষের স্থানান্তর এবং মৃত ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া তো খুব সাধারণ ব্যাপার কিন্তু তা নিয়েই তো বিতর্ক নয়, মূলত পশ্চিমবঙ্গের জন্য যে 'অ্যালগরিদম' বা কম্পিউটার প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হচ্ছে, তা নিয়েই তৈরি হয়েছে সবচেয়ে বড় বিতর্ক । 'ম্যাপিং' আর 'আনম্যাপড'— এই দুটো শব্দের মারপ্যাঁচে সাধারণ মানুষকে দিশেহারা করে দেওয়া হচ্ছে। যে ভোটাররা নিজেদের নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে যুক্ত করতে পারছেন না, তাদের 'আনম্যাপড' হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে । আর যাদের নাম কোনোভাবে পাওয়া যাচ্ছে, তাদের গায়ে সাঁটিয়ে দেওয়া হচ্ছে 'লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি'র তকমা । নে এবারে কী করবি কর। সাধারণ মানুষের গলায় এক অদৃশ্য ফাঁস হল এই 'লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি'। আর তার মূল টার্গেট সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষজন।