У нас вы можете посмотреть бесплатно দেশের তুলনায় বাংলার মুসলমান জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমছে, আর মোদিজী বাংলায় এসে মুসলমানের ভয় দেখাচ্ছেন। или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
আমি আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে ১০ এ নয় দিই, হ্যাঁ মিথ্যে বলার ক্ষেত্রে প্রতি দশটা কথার ৯ টাই তিনি মিথ্যে বলেন আর নির্বাচনী জনসভাতে তো সবটাই মিথ্যেই বলেন। কিছু কথা বলেন যা পুরোটা মিথ্যে আর কিছু কথা বলেন যা সত্যির সঙ্গে মিথ্যের এক মিশেল, এক অদ্ভুত ককটেল, যা খাবার পরে তার নেশা চড়ে। উনি জানেন এই সিঙ্গুর থেকে টাটাবাবুকে তিনিই আদর করে অনেক ছাড় দিয়েই সানন্দে, মানে গুজরাটে নিয়ে গেছেন। যেখানে জমি অধিগ্রহণ নিয়ে আন্দোলন করলে জেলে পুরে দেওয়া হয়, যেখানে শ্রম আইন বলে কিছুই একজিস্টই করে না, যেখানে সেই ছাড় দেবার পরে শিল্পপতিরা গেলেও রাজ্যের মানুষের কোনও লাভ হয় না, পুরোটাই এক মিথ্যের ফানুস ঐ গুজরাট মডেল, বিরাট উন্নয়নের ঢাক বাজানোর পরেও সবচেয়ে বেশি ম্যাল নিউট্রিশনে ভোগা বাচ্ছাদের জন্ম হয়, সবচেয়ে বেশি বৈষম্য তৈরি হয় যে রাজ্যে সেই রাজ্যে আম্বানি, আদানির আয় আর সম্পদকে জুড়ে এক ফানুসের চেহারা তৈরি করেছেন মোদিজী, সেই তিনিই এ রাজ্যে এসে মিথ্যের পরে মিথ্যে বলে চলেছেন। সপাটে বলে দিলেন যে এ রাজ্যের জুট ইন্ডাস্ট্রি ধুঁকছে কারণ রাজ্য সরকার কিছুই দেখেনা। অথচ ঐ জুট ইন্ডাস্ট্রির জন্য জুট কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া আছে যা ওনার সরকারের হাতে। জুট প্রডাক্ট নিয়ে গবেষণাগার আছে যা ঐ ওনার সরকারেরই হাতে। অবলীলায় মিথ্যে বলে দিলেন। উনি এই কথা বলছেন ১৮ তারিখে সিঙ্গুরে আর মাত্র তার আগের দিন ইন্ডিয়ান জুট মিলস অ্যাসোসিয়েশন থেকে চিঠি লিখে ওনার সরকারকে জানানো হয়েছে যে বরাত নেই, কাঁচা মালের দাম, বাড়ছে, ৭৫ হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে যাবেন, কিছু করুন, উনি জানালেন বিজেপির সরকার হলে তবে জুট ইন্ডাস্ট্রির উন্নতি হবে। কিন্তু এগুলো তো আসলে ওনার বক্তব্যের ফালতু অংশ তা উনিও জানেন, এসব পাবলিক শোনে না, বোঝেও না। যেটা বোঝে সেটাও বলেছেন, অনুপ্রবেশ হচ্ছে, এমন অনুপ্রবেশ হচ্ছে যার ফলে আমাদের ডেমোগ্রাফি, মানে জনসংখ্যার চরিত্র বদলে যাচ্ছে, সোজা বাংলাতে মুসলমানের সংখ্যা বাড়ছে। ইনিয়ে বিনিয়ে এই মিথ্যেটা উনি বললেন, ওনার দলের নেতারা বলেন, শুভেন্দু থেকে শমীক এই কথাগুলো তোতাপাখির মত বলে যান। সমস্যা হল এই মিথ্যেবাদী প্রধানমন্ত্রী তো সাংবাদিক সম্মেলনে বসবেন না, একবার, মাইরি বলছি দেশে অনেক বড় বড় সাংবাদিক আছে, তাঁরা নমস্য, তাঁদের দরকার নেই, আমার মত একজন চোট অতি ক্ষুদ্র সাংবাদিকের সামনেও যদি ওনাকে বসানো হয়, উনি আবার ঢোঁক গিলবেন, আধ গ্লাস জল খেয়ে স্টুডিও ছেড়ে বাইরে চলে যাবেন, আধ ঘন্টা যদি আমার মত একজন তুচ্ছ সাংবাদিকের সামনে বসে দেখাতে পারেন, তাহলেও বোঝা যাবে, কিন্তু আমরা তো জানি কিছু হ্যাঁ হ্যাঁ হেঁ হেঁ বলা সং আর পালতু কুত্তা ছাড়া অন্য কারোর প্রশ্নে মুখোমুখি উনি হবেন না। আসুন আবার ওনার কথাটা নিয়ে কিছু কথা বলি, আগেও বলেছি, আবারও বলবো, অনুপ্রবেশ নিয়ে উনি যা বলছেন তা কেবল মিথ্যে নয়, তা আসলে বিষ ছড়ানো, হ্যাঁ উনি জেনেবুঝেই বিষ ছড়াচ্ছেন, সাম্প্রদায়িকতার বিষ। নরেন্দ্র মোদি থেকে শুভেন্দু অধিকারি বা শমীক ভট্টাচার্য যা বলছেন তা হল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রোহিঙ্গা ঢোকাচ্ছেন রাজ্যে। তাঁদের দাবি, পশ্চিমবঙ্গে বাংলাদেশী আর রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকারীদের সংখ্যা অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে এবং এই রাজ্যের জনবিন্যাসে (ডেমোগ্রাফিক স্ট্রাকচার এ তার ব্যাপক প্রভাব পড়ছে। এবার গল্পের গরু কীভাবে গাছে ওঠে দেখুন,শুভেন্দু অধিকারী প্রকাশ্যেই বলেছেন যে, "পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনী সমীক্ষা হলে ১ কোটি ২৫ লক্ষ বাংলাদেশী মুসলমান আর রোহিঙ্গা বাদ যাবে" কোথ্বেকে এসব গাঁজাখুরি তথ্য পান জানি না কিন্তু দাবি করেছেন যে রাজ্যের মোট জনসংখ্যার ৩৫ শতাংশই অনুপ্রবেশকারী। মানে এই মূহুর্তে রাজ্যের ১০ কোটি জনসংখ্যার সাড়ে তিন কোটি হল বাংলাদেশী আর রোহিঙ্গা। অতিরিক্ত শুকনো নেশা করলে শুনেছি বেশি হ্যালুশিনেশন হয়, এটাকি সেই নেশার ফল? তা না হলেও এই ধরনের বক্তব্য মানুষের মধ্যে একধরণের ভয় আর অনিশ্চয়তা তৈরি করে বৈকি আর এক নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের প্রতি বিদ্বেষমূলক মনোভাব কে উসকে দেয়, দেবে, দিচ্ছে। কারণ আপনার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা ১০ জনের মধ্যে সাড়ে তিন জন অনুপ্রবেশকারী, মানে তারা আপনার খাবার থেকে জল থেকে যাবতীয় রাষ্ট্রের সুবিধে শুষে নিচ্ছে, হ্যাঁ এটাই তো মোদিজী মালদাতে, সিঙ্গুরে বলেছেন। কিন্তু এই রাজনৈতিক স্লোগানগুলোর পেছনে বাস্তব তথ্য কী বলছে? অঙ্কের খাতায় আসল সত্যিটা কী? জনসংখ্যার বৃদ্ধি নিয়ে রাজনৈতিক দাবির সত্যতা যাচাই করার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায় হলো সরকারি জনগণনার তথ্য বিশ্লেষণ করা। কোন সরকার? নিশ্চই করে ইউনিয়ন গভর্নমেন্ট, দিল্লির সরকার যাকে আমরা ভুল করে কেন্দ্রীয় সরকার বলি, সেই সরকারের তথ্য কী বলছে? আমরা ভারতের শেষ তিনটে জনগণনা (১৯৯১, ২০০১ এবং ২০১১) থেকে পাওয়া তথ্য কে সামনে রেখে পশ্চিমবঙ্গ আর অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যগুলোর জনসংখ্যার বৃদ্ধির হারের এক তুলনামূলক চিত্র যদি দেখি, তাহলে সেই ছবি থেকে আমরা জানতে পারবো যদিও রাজনৈতিক বক্তৃতায় প্রায়শই দাবি করা হয় যে, পশ্চিমবঙ্গের জনসংখ্যার বৃদ্ধি অস্বাভাবিক, যা অনুপ্রবেশের ফলেই হু হু করে বাড়ছে। কিন্তু জনগণনার তথ্য সম্পূর্ণ আলাদা একটা ছবি তুলে ধরে। ১৯৯১ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে জনসংখ্যার বৃদ্ধির হার ছিল ১৭.৭৭ শতাংশ, যা পরবর্তী দশকে (২০০১-২০১১) ব্যাপক হারে কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ১৩.৯৩ শতাংশে । আবার এই হারকে যদি অন্যান্য বড় রাজ্যগুলোর সঙ্গে তুলনা করা হয়, তাহলে দেখা যাবে যে, পশ্চিমবঙ্গের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার তথাকথিত 'অনুপ্রবেশ-মুক্ত' রাজ্যগুলোর তুলনায় অনেক অনেক কম। যেমন, ২০০১-২০১১ দশকে বিহারের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল ২৫.০৭ শতাংশ, উত্তরপ্রদেশের ২০.০৯ শতাংশ এবং মধ্যপ্রদেশের ২০.৩০ শতাংশ । এমনকি, সারা ভারতের গড় বৃদ্ধির হারও ছিল ১৭.৬ শতাংশ । পশ্চিমবঙ্গের বৃদ্ধির হার জাতীয় গড়ের চেয়েও অনেক নিচে। যদি অনুপ্রবেশই পশ্চিমবঙ্গের জনসংখ্যা বৃদ্ধির আসল কারণ হতো, তাহলে এই রাজ্যের বৃদ্ধির হার বিহার বা উত্তরপ্রদেশের চেয়ে বেশি হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু জনগণনার তথ্য বলছে ঠিক উল্টো কথা।