У нас вы можете посмотреть бесплатно উড়ে যায় মনের কথা - চিন্ময় চট্টৌপাধ্যায় (রম্যগীতি) * Ure Jay Moner Katha - Chinmoy Chattopadhyay или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
Rammyageeti { Lyrics & Tune - Soumendranath Tagore} (Song Courtesy- Shubhajit Sarkar) চিন্ময় চট্টোপাধ্যায় স্মরণে শ্রী শুভজিৎ সরকারের একটি প্রতিবেদন (সম্পাদিত) টালিগঞ্জের গলফ্ ক্লাব অঞ্চলের এক সভা। অনুষ্ঠান-সূচীতে রয়েছে বেশ কিছু বক্তৃতা ও শেষে কয়েকজন সঙ্গীতশিল্পীর সঙ্গীত পরিবেশনা। অজস্র লোক নিমন্ত্রিত। নিমন্ত্রিতদের মনমর্জিমতন আসা-যাওয়া এবং নিজেদের মধ্যে কথাবার্তা একটা সময়ে সামান্য গুঞ্জনধ্বনি থেকে এক বড়রকমের কোলাহলের আকার ধারণ করল। ফলে যারা গান করছিলেন তাদের গান তেমন দাঁড়াচ্ছিল না! অথচ গাইয়েরা মোটেই স্বল্পপরিচিত বা ছেলেমানুষ নন। এমতাবস্থায় উদ্যোক্তারা মঞ্চে গান করতে বসালেন এক তরুণ শিল্পীকে (যিনি উত্তরকালের অন্যতম রোম্যান্টিক কণ্ঠাধিকারী সঙ্গীতশিল্পী)। সেই তরুণ হারমোনিয়ামে সুর ধরে প্রথমেই সামনে থেকে পিছন পর্যন্ত শ্রোতাদের একবার পূর্ণদৃষ্টিতে দেখে নিলে। তারপর উদাত্ত কণ্ঠে ধরলে রবীন্দ্রনাথের সেই গানখানির মাঝের অংশ - "বারে বারে কারা করে আনাগোনা, কোলাহলে সুরটুকু আর যায় না শোনা -- ক্ষণে ক্ষণে গানে আমার পড়ে ফাঁকি ।। শেষের প্রহর পূর্ণ করে দেবে নাকি ।।" এই চরণটি দুইবার গেয়ে সে ফিরে আসে গানের শুরুতে - " নাই নাই নাই যে বাকি, সময় আমার -" তারপর আর কি? সমস্ত কোলাহল একেবারে স্তব্ধ হয়ে গেল! এই বিশৃঙ্খল জনতা শুনতে লাগল সেই তরুণের গান। তারা আর ছাড়তে চায় না, শুনতে চায় আরো আরো গান! সেই তরুণ যুবকটি হলেন ভাবিকালের অন্যতম রবীন্দ্রসঙ্গীতশিল্পী শ্রী চিন্ময় চট্টোপাধ্যায় - যাঁকে একসময় বলা হত "রবীন্দ্রসঙ্গীতজগতের উত্তমকুমার"! চিন্ময় চট্টোপাধ্যায়ের ছাত্রাবস্থাতেই একদিন সুযোগ হল ভারতবর্ষের সঙ্গীতজগতের এক দিকপাল ভীষ্মদেব চট্টোপাধ্যায়ের একটি অনুষ্ঠান দেখতে যাওয়ার। ভীষ্মদেব চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ি ছিল তখন নর্থ ক্যালকাটায়। চিন্ময় কয়েকজন বন্ধুদের নিয়ে গেলেন সেই অনুষ্ঠান দেখতে। কথা প্রসঙ্গে ভীষ্মদেব চট্টোপাধ্যায় জিজ্ঞেস করলেন, "তোরা যে এখানে গান শুনতে এসেছিস, তোরা কি কেউ গান জানিস?" নীরব চিন্ময়কে ঠেলতে ঠেলতে তাঁর বন্ধুরা বলতে লাগল, "কীরে, তুই তো গান জানিস! বল?" সেই শুনে ভীষ্মদেব বাবু একটি গান শোনাতে অনুরোধ করলেন চিন্ময়কে। তানপুরা সহযোগে চিন্ময় গান ধরলেন। কিছুক্ষণ স্তব্ধ হয়ে থাকার চোখে জল দেখা দিল ভীষ্মদেব বাবুর। বললেন, "তুই গান শিখবি?" তাঁর কথায় চিন্ময় হাতে চাঁদ পেলেন। পরেরদিন চিন্ময়ের বাড়ি গেলেন স্বয়ং ভীষ্মদেব চট্টোপাধ্যায়। ভীষ্মদেব চট্টোপাধ্যায় নিজে সেদিন চিন্ময়ের বাবাকে বলেছিলেন তিনি চিন্ময়কে গান শেখাবেন, সাথে সাথে চলুক পড়াশোনা। টানা প্রায় বারো বছর চিন্ময় চট্টোপাধ্যায় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের তালিম নেন ভীষ্মদেব চট্টোপাধ্যায়ের কাছে। মাত্র উনিশ বছর বয়স থেকে গান করতেন আকাশবাণীতে। আকাশবাণীতে গাওয়া ওনার প্রথম গান বোধয় "তুমি ডাক দিয়েছ কোন সকালে"। বরাবর আত্মবিশ্বাসী চিন্ময় রেডিওতে অডিশন দেওয়ার পর বিলক্ষণ জানতেন যে তিনি accepted হবেনই। শুধু তাই নয়, আকাশবাণীর নিয়মিত শিল্পী ছিলেন একসময়। কলেজের একটি ফাংশনে রবীন্দ্রসঙ্গীত গেয়ে বেশ নাম হল। কলেজ জীবনেই ১৯৫৪ সালে বেরোয় তাঁর প্রথম রেকর্ড এইচ. এম. ভি. থেকে ৭৮ আর.পি.এম. ডিস্কে "তুমি সন্ধ্যার মেঘমালা" ও "আজি বিজন ঘরে", শ্রোতামহলে আলোড়ন তোলেন সেই গানে। এই সময়েই নিজের সুরে এবং মিল্টু ঘোষের কথায় রেকর্ড হল ওনার দুটি আধুনিক গান "মনে রেখো বলব না আর" এবং "নদীর মতন চলো না যাই"। রবীন্দ্রসঙ্গীত ব্যতীত আধুনিক গান যে কয়টি করেছেন তাতেই নিজের জাত চিনিয়ে দিতে পেরেছেন শিল্পী। পূর্বল্লিখিত দুটি আধুনিক গান ছাড়াও ১৯৫৫তে প্রবীর মজুমদারের সুরে রেকর্ড করেন দুটি গান। প্রথমটি প্রবোধ ঘোষের কথায় "এত রঙ কে দিলো আকাশে" এবং দ্বিতীয়টি পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা "যদি নিজের হারাই আমি তোমার চোখে"। এছাড়াও আকাশবাণীতে গেয়েছেন বেশ কয়েকটি রম্যগীতি যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হল "তুমি কি আকাশে আজ"(কথা - গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার ও সুর - কালীপদ সেন), "যেদিন ফুরায়ে যায়"(কথা ও সুর - অজানা), "উড়ে যায় মনের কথা"( কথা ও সুর - সৌমেন্দ্রনাথ ঠাকুর) ইত্যাদি। এছাড়া আকাশবাণীতে তাঁর গাওয়া রবীন্দ্রসঙ্গীতের রেকর্ডিং রয়েছে প্রায় সাড়ে তিনশর কাছাকাছি। বহু নতুন গান (অর্থাৎ যেগুলি বাণিজ্যিকভাবে রেকর্ড করেননি) গাইতেন আকাশবাণীতে। প্রধানত রবীন্দ্রসঙ্গীতশিল্পী হিসেবে তাঁর রেকর্ড করা রবীন্দ্রসঙ্গীতের সংখ্যা প্রায় দেড়শর কাছাকাছি। প্রায় সবই প্রকাশিত হত এইচ এম ভি লেবেলে। তাঁর গাওয়া কিছু উল্লেখযোগ্য রবীন্দ্রসঙ্গীত হল - "তুমি সন্ধ্যার মেঘমালা", "ভালোবেসে সখী নিভৃতে যতনে", "ভালোবেসে যদি সুখ নাহি", "বলি ও আমার গোলাপবালা", "আমার পরান যাহা চায়", "আমার জীবনপাত্র উচ্ছলিয়া", "কোলাহল তো বারণ হল", "প্রমোদে ঢালিয়া দিনু মন", "বিধি ডাগর আঁখি যদি", "ন্যায় অন্যায় জানি নে", "পাত্রখানা যায় যদি যাক", "মায়াবনবিহারিণী হরিণী", "সুন্দর বটে তব অঙ্গদখানি" ইত্যাদি। তাঁর প্রথম চলচ্চিত্রে প্লে-ব্যাক ১৯৬৩ সালে "মনে কি দ্বিধা রেখে গেলে চলে" - সুমিত্রা সেনের সঙ্গে দ্বৈত কণ্ঠে "ছায়াসূর্য" ছবিতে ৷ এরপর আরো জনপ্রিয়তা লাভ করল ১৯৬৭ সালে "ছুটি" ছবিতে প্রতিমা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে গীত দ্বৈত কণ্ঠে "এই লভিনু সঙ্গ তব" গানটি। এছাড়া "ছেলেটা", সাহিত্যিক মতি নন্দীর কাহিনীর চলচ্চিত্রায়ন "কোনি" এবং ১৯৮২ সালে "বিজয়িনী" ছায়াছবির সঙ্গীত পরিচালক ছিলেন চিন্ময় চট্টোপাধ্যায় স্বয়ং। নিজের সঙ্গীত পরিচালনায় রবীন্দ্রনাথের কাহিনী অবলম্বনে নির্মিত "শেষরক্ষা" (১৯৭৭) এবং "নৌকাডুবি" (১৯৭৯) - এই দুই ছবিতে চিন্ময় চট্টোপাধ্যায়কে দিয়ে গান গাইয়েছিলেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়। এমন বরেণ্য শিল্পীর গান শ্রোতাদের শোনাতে পেরে গানঘর আনন্দিত৷ বিগত শতকের শিল্পীদের গান শুনুন, শোনান এবং share করুন৷ আমাদের youtube channelটি subscribe করুন... Bell Icon press করতে ভুলবেন না৷৷