У нас вы можете посмотреть бесплатно INNOCENT ছাত্রের রামকৃষ্ণ মিশন সম্বন্ধে মতামত ও ভাইদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য : BHRATRIBARAN 2025 | или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
INNOCENT ছাত্রের (PIJUSH PRADHAN) রামকৃষ্ণ মিশন সম্বন্ধে মতামত ও ভাইদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য : BHRATRIBARAN 2025 | STUDENTS' HOME প্রথমে ঠাকুর মা স্বামীজির পায়ে আমার ভক্তিপূর্ণ প্রণাম। গুরুজনদের আমার প্রণাম জানাই। সহপাঠীদের ভালোবাসা এবং ছোটদের ভালোবাসা জানাই। তো আজকের এই ভাতৃবরণের অনুষ্ঠানে আজকে আমি আমার মিশনে থাকার অভিজ্ঞতা বলব। আমি প্রথমে এসেছিলাম 2021 এ। 2021 থেকে আজকে 2025। তো চার বছর হয়ে গেল অনেক অভিজ্ঞতায় আছি সব কথা বলা যাবে না তো প্রথমে আমি প্রথমে আসার কথাটা বলছি আমি কিভাবে ভর্তি হলাম প্রথমে মাধ্যমিক হয়েছে মানে পরীক্ষা তো দিইনি কোভিডের জন্য যাই হোক করে চলে গেছে বেশ আনন্দেই ছিলাম বাড়িতে তারপর টিউশনে টিউশন নিয়েছিলাম ইলেভেন এর জন্য তারপর তারপর কেমিস্ট্রির একটা টিউশনের জন্য প্রচুর সমস্যা হচ্ছিল। যে বাড়ির পাশে একটা কাকু ছিল। তো উনি বাইরে থাকতেন পড়াতেন। তো উনাকে আমার বাবা মা জিজ্ঞাসা করল যে কেমিস্ট্রি টিউশনের একটু সমস্যা হচ্ছে। তো আপনি বলে দিন যে কোথায় পড়লে ভালো হয়। তখন উনি বললেন এখানকার কথা। যে এত টিউশন নেবার কি আছে? এখানে মিশনে আছে। মিশন আছে। মিশনে সব টিউশনের ব্যবস্থা আছে। টিউশন এলেই হয়ে যাবে। তো যাই হোক আমি প্রথমে তো রাজি হয়নি যে বাড়ি ছেড়ে আসতে হবে এখানে। যাই হোক অনেক মারামারি করেছি মা বাবার সঙ্গে। যে তাও মা বাবা যাই হোক করে আমাকে রাজি করে দিয়েছে ইন্টারভিউর জন্য। আমি ফাস্টে ভাবলাম যাই হোক ইন্টারভিউটা দিই। ইন্টারভিউ দিলাম। প্রথমে ভেবেছিলাম যে কিছু বলবো না ইন্টারভিউতে। তাহলেই তো ফেল হয়ে যাব। তাহলে সব কাটাকুটি হয়ে যাবে। কিন্তু তারপরে প্রথমে দু তিনটা কোশ্চেন করেছিল বলিনি ইচ্ছা করে তারপরে একটা সম্মানের ব্যাপার চলে এসছে তো বলে দিলাম আরো দু তিনটা তারপরে আমি ভাবলাম বলতে পারিনি যখন আর হবে না হয়তো তারপরে তারপরের দিন হয়তো এই ছিল মনে আমার ঠিক খেয়াল নেই পরের দিন রেজাল্ট ছিল তো পরের দিন দেখলাম মেরিট লিস্টে নাম বেরিয়ে গেছে তারপরে বাবা মাকে বললাম তারপরে আমার মামা ছিল সবাই যাই হোক করে রাজি করালো যাওয়ার জন্য আমি বললাম ঘুরেই আসি তাহলে দু বছর কাটিয়ে যাই হোক করে চলে আস এলাম প্রথমে প্রথমে এসে যখন দেখি এখানে সবচেয়ে প্রথমে যেটা ভালো লাগে সেটা হচ্ছে আমার মাঠটা এই মাঠটা এসে দেখে একটা ভালো লাগলো যে এখানে আমি খেলতে পাব তারপরে এলাম তারপরে দেখলাম যে এখানে অনেক কিছুই হয় আর কি শুধু পড়াশোনা হয় না যেটা বাড়িতে ভেবেছিলাম যে শুধু পড়া পড়াশোনাই হয় এখানে আর কিছু হয় না এখানে খেলাধুলাকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হয় তার সঙ্গে শুধু খেলাধুলা নয় আধ্যাত্মিক দিকটাও দেখা হয় সোমেনদা স্টাডি সার্কেল প্লাস রিলিজিয়াস ক্লাস সৌমিত্রদাও নিত স্টাডি সার্কেল যাই হোক যতটা সম্ভব যাওয়ার চেষ্টা করতাম আমি এবার এখানে তাহলে সবদিকেই দেখা হয় মানে মানসিক শারীরিক এবং আধ্যাত্মিক দেহায় অর্থাৎ সম্পূর্ণ দেবত্বের বিকাশ এখানে হবেই হবে। আর তারপর এখানে খাওয়া-দাওয়া বিশাল একটা এলাহি ব্যাপার। কাঁচার থালা তারপর জলের গ্লাস কাছার একটা এলাহি ব্যাপার। মাঝে মধ্যে ওই ঢেড়স আর আলুমলাটা বাদ দিলে যাই হোক ভালোই লাগে। আর তারপর এক্স দাদাদের সঙ্গে কথা বলি। তো এক্স দাদারা মানে বুঝতে পারে যে এখানটার খাওয়াটা কত ভালো। পরে যখন আমরা বেরিয়ে যাব তখন হয়তো বুঝতে পারবো যে এখানটার খাওয়াটা কত ভালো। এখন। আর তারপর এখানে ভাবতাম যে আগে মহারাজরা মানে প্রচুর একটা গুরু গম্ভীর ব্যাপার। কারো সঙ্গে কথা বলে না হয়তো সারাক্ষণ রুমেও থাকেন ধ্যানফ্যান করেন কিন্তু না এখানে সেরকম না এখানে আমরা সবাইকে দাদা বলেই ডাকি যাতে আরো ক্লোজ সম্পর্কটা হয় মহারাজের সঙ্গে যাই হোক মোটামুটি সবাইকে দাদা বলার সাহস পেয়ে যোগ মানে জোগাড় করতে বলেছি কিন্তু অনেকজনকেই হয় না বাদল মহারাজকে এখনো দাদা বলার সাহস আমি জোগাতে পারিনি আর তারপর মহারাজরা যদি আমাদের কোন সমস্যা হয় তো মহারাজেরা আমাদের সব ঠিকঠাক এ করে দেন এবং তারপর যদি কারো শরীর খারাপ হয় তো সবাই শুভঙ্করদা আছে আমাদের ডাক্তার মহারায় তো ওনার কাছে যাই উনি বেশ ভালোই ওষুধ দিয়ে দেন আর উনি মোটামুটি সবার স্বাস্থ্যের দিকটা খুব ভালোভাবেই খেয়াল রাখেন বিশেষ করে ছাত্রদের ওর জন্য অনেক তুলসী গাছ লাগিয়েছেন উনার বাড়ির দামের সামনে হ্যা সব মিলে মিশনকে আমার প্রচুর ভালোই লাগে। তারপর খারাপের দিকটা বেশি নেই। কিন্তু মিশনে হয়তো তিন চার মাস টানা থাকার পর একটু বাড়ি যাওয়ার ইচ্ছা করে। কিন্তু সুপ্রকাশ মহারাজের কাছে গিয়ে একটু এ করতে আর কি। ওইটাই একটু খারাপ দিক আর কি। আর বাকি সবকিছু তো ঠিকই আছে আমার। হয়তো মিশন থেকে পালিয়ে গেলে হয়তো মিস করব। যাই হোক এইটুকুই বলার ছিল। আর মিশন আমার কাছে একদম পারফেক্ট জায়গা। এখান থেকে আশা করি ভালো জায়গায় যাব এবং সবাই আমার ভাইদের যারা নতুন ভাই এবং সহপাঠী সবার জন্য প্রার্থনা করি তারাও যেন ভালো জায়গায় যায়। যাই হোক এটুকুই আর বলার ছিল। আর কি বলবো গুরুজনদের আবার প্রণাম এবং যথাযোগ্য স্থানে সবাইকে ভালোবাসার শ্রদ্ধা জানিয়ে আমার এই ছোট্ট বক্তৃতা শেষ করছি