У нас вы можете посмотреть бесплатно "সেদিন দুজনে দুলেছিনু বনে" ।।অর্পিতা ঘোষ।। или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কালজয়ী রোমান্টিক গান ও কবিতা "সেদিন দুজনে দুলেছিনু বনে" মূলত অতীতে কাটানো ভালোবাসার মুহূর্তের স্মৃতিচারণ এবং বর্তমানে সেই ভালোবাসার মানুষের বিরহ বা অনুপস্থিতির বেদনা নিয়ে রচিত। এই গানটি প্রেম, প্রকৃতির সৌন্দর্য এবং স্মৃতির মিলনে তৈরি একটি অনন্য সৃষ্টি। গানটির মূল বিষয়বস্তু ও সারাংশ নিচে দেওয়া হলো: মধুর স্মৃতির রোমন্থন: গানের শুরুতে কবি অতীতে কাটানো একটি বিশেষ দিনের কথা মনে করেছেন, যখন তিনি এবং তার প্রিয়জন বনের মধ্যে একটি ফুল-দোলনায় (ফুলডোরে বাঁধা ঝুলনা) দুলেছিলেন। প্রকৃতির সাথে প্রেমের সংযোগ: সেই স্মৃতির দিনে বাতাস ছিল কবি ও তার প্রিয়জনের অবুঝ প্রলাপ বা কথোপকথনে জড়ানো, এবং আকাশের আকাশে ছড়িয়ে ছিল প্রিয়জনের হাসির তুলনা। পূর্ণিমা রাতের সাক্ষী: এক পূর্ণিমা রাতে, এক বিশেষ শুভ লগ্নে তাদের দেখা হয়েছিল এবং তারা নিবিড় সময় কাটিয়েছিলেন। বিরহের বেদনা: বর্তমানে কবি একা, তার আগের দিনের মতো আর সেই সময় বা দিন নেই। তিনি এখন বিরহের ভার বহন করছেন। স্মৃতির আকুতি: কবি তার প্রিয়জনকে অনুরোধ করেছেন, সেই যে ভালোবাসার রাখি বা বন্ধন তারা একে অপরের প্রাণে বেঁধেছিলেন, সেই স্মৃতির বন্ধন যেন কোনোভাবেই খুলে না ফেলা হয় (ভুলে না যাওয়া হয়)। সহজ কথায়, এই গানটি অতীতে ভালোবাসার মানুষকে নিয়ে কাটানো মধুময় দিনগুলো, প্রকৃতির রূপ এবং বর্তমানে সেই স্মৃতি নিয়ে একাকী চলার বেদনার একটি সুন্দর চিত্রণ। এটি প্রায় ১৯২৭ সালের দিকে রচিত হয়েছিল এবং শান্তিনিকেতনের প্রকৃতির আদলে গড়া। স্মৃতিচারণ: কবি সেই বিশেষ দিনের কথা মনে করছেন, যখন দুজনে মিলে বনের দোলনায় দুলছিলেন। সেই দিনটি ছিল আনন্দ এবং আবেগে ভরপুর। প্রকৃতির রূপ: দোল খাওয়ার সময় চারপাশের প্রকৃতিও যেন তাদের সাথে মেতে উঠেছিল। ফাল্গুনের সেই বনে বাতাসের দোলায় শিরীষ ফুল ঝরে পড়ছিল, যা পরিবেশকে মায়াবী করে তুলেছিল। আবেগ ও ছদ্ম-অভিমান: গানে দেখা যায়, প্রেয়সীর চোখে ছিল এক ধরণের চপলতা এবং ঠোঁটে ছিল হাসির আড়ালে লুকানো মৃদু আপত্তি বা 'না' বলার ভঙ্গি। কিন্তু সেই 'না' ছিল আদতে প্রেমেরই এক বহিঃপ্রকাশ। বর্তমান বিরহ: অতীতের সেই রঙিন দিনগুলো এখন কেবলই স্মৃতি। বর্তমানের নিঃসঙ্গতায় সেই দোল খাওয়ার স্মৃতি কবির মনে বারবার ফিরে আসে, যা একইসাথে আনন্দ এবং বিষণ্ণতার জন্ম দেয়।