У нас вы можете посмотреть бесплатно কেন বিজেপি যে কোনও শর্তে, যে কোনও মূল্যে বাংলা দখল করতে চায়? или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
আজকের আলোচনা হল, কেন অমিত শাহ বা মোদির দরকার বাংলার মসনদ? চারটে রাজ্য আর একটা কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলের মধ্যে কেন বাংলাই তাঁদের দরকার। কারণ বাকি তিনটে রাজ্য বা একটা কেন্দ্রীয় শাসিত অঞ্চলে নির্বাচনের ফলাফল যাই হোকনা কেন, বিজেপির খুব কিছু যাবে আসবে না। অসম থেকে শুরু করি। ডিলিমিটেশন করার পরে অসমের মাত্র ২৩ টা আসনেই ৩৪ % মুসলমান জনসংখ্যার বসবাস, ১০৩ টে বাকি আসনে বিজেপির চাই হিন্দু কনসোলিডেশন, হিন্দু ভোটের মেরুকরণ, বাংলাতেও ৩৫ % মুসলমান ভোট, কিন্তু প্রায় ৮০ টা ভোটে মুসলমান ভোটাররাই নির্ণায়ক, বাকি আরও প্রায় ২৫/৩০ টা আসনে তারা বড় সংখ্যায় থাকেন এবং ভোটকে প্রভাবিত করতে পারেন। অসমে মাত্র ২৩ টা আসনে মুসলমান ভোটারেরা নির্ণায়ক। কাজেই হিমন্ত বিশ্বশর্মা বিষ ছড়িয়েই যাচ্ছেন, এই অসমেই একমাত্র বিজেপি জিতবেই এরকম ধারণা তৈরি হয়েছে, যদি খুউউব কম সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে কংগ্রেস জেতে বা হাং অ্যাসেম্বলি হয়, তাহলেও সরকার কিন্তু বিজেপিরই হবে, এ নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। চলুন কেরালা, সিপিএম হেরে গেলে বিজেপি সেই ভ্যাকুয়াম দখল করবে কোনও সন্দেহ নেই, সিপিএম হেরে গেলে আবার ফিরে আসে তখনই যখন অন্য কোনও তৃতীয় শক্তি মধ্যে এসে না পড়ে, আর একবার বিজেপি দ্বিতীয় শক্তি হয়ে উঠলে তাদেরকে সেখান থেকে সরানো বেশ কঠিন, অন্যদিকে কংগ্রেস হেরে গেলেও বিজেপির খুব অসুবিধে নেই, কারণ জাতীয় রাজনীতিতে কংগ্রেস মুক্ত ভারত তো তাদের শ্লোগান। ওদিকে তামিলনাড়ুতে এ আই ডি এম কে – বিজেপি জোট হয়েছে, তারা যদি জেতে তাহলে তামিলনাড়ুতে বিজেপির প্রভাব হু হু করে বাড়বে। অন্যদিকে যদি হেরে যায়, তাহলে এ আই ডি এম কে ছিন্ন ভিন্ন হয়ে যাবে ফলে বিরোধী জায়গাটা নেবে বিজেপি। মানে তখন তামিলনাড়ুর রাজনীতি ডি এম কে অ্যালায়েন্স বনাম বিজেপি এই বাইনারিতে ঘুরবে। পুদুচ্চেরিতে এন রঙ্গস্বামীর অল ইন্ডিয়া এন আর কংগ্রেস আর বিজেপি জোট আছে ক্ষমতায়, ঐ এ আই এন আর সির একমাত্র নেতা এন রঙ্গস্বামী, তাঁর পরে দল সামলানোর কেউ নেই। কাজেই জোট জিতলেও বিজেপির লাভ, যদি কংগ্রেস জেতে তাহলেও পুদুচ্চেরিতে বিজেপিই হবে প্রধান বিরোধী শক্তি। কিন্তু বাংলাতে? অমিত শাহ জানেন আবার যদি তৃণমূল জিতে যায়, তাহলে বাংলাতে বিজেপির ভবিষ্যৎ অন্ধকার আর সেই ক্ষেত্রে মমতা হয়ে উঠবেন র্যালিং পয়েন্ট, সারা ভারতে বিজেপি বিরোধী লড়াই এ তারাই হয়ে উঠবে এক শক্তি। হ্যাঁ রাস্তায় নেমে মোদিজীকে চ্যালেঞ্জ করার ক্ষমতা নিয়ে মমতা নামবেন। দেশের বাকি রিজিওনাল শক্তিগুলোকে অনায়াসে ম্যানেজ করা গেছে প্রায় সবাই হাতের মধ্যে কিন্তু তৃণমূলকে বাগে আনা তো যাচ্ছেই না বরং এই নির্বাচন তৃণমূলের পরবর্তি টিমও তৈরি করে দেবে। কাজেই বিজেপির বাংলা চাই, যে কোনও মূল্যে বাংলা চাই। কিন্তু বিজেপির বাড়া ভাতে ছাই দিচ্ছে তাদের নিজেদের অপরিকল্পিত কিছু সিদ্ধান্ত, একটা সরকার দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকলে তার বিরুদ্ধে এক অ্যান্টি ইনকমব্যান্সি এক প্রতিষ্ঠান বিরোধিতা তৈরি হতে বাধ্য, কিন্তু সেই প্রতিষ্ঠান বিরোধিতাকে একপাশে সরিয়ে দিয়েছে দেশজুড়ে বাঙালি খেদাও অভিযান, বাংলাকে ভাতে মারার বিজেপির বিভিন্ন সিদ্ধান্ত, এস আই আর এর নামে মানুষের ভোটাধিকার ছিনতাই করার চেষ্টা, মাছে ভাতে বাঙালির খাবারে থালা ধরে টান দেওয়া। আর এই সমস্ত ইস্যু নির্বাচনের আগে বিজেপির বিরুদ্ধে ব্যাকফায়ার করছে। সবচেয়ে বড় কথা হল অন্য সমস্ত রাজ্যে বিজেপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বি ছাড়াও একটা বড় ভোট আছে তৃতীয় কোনও দলের বা জোটের, বাংলাতে লড়াই আমনে সামনে, যেটুকু ভোট আছে কংগ্রেসের তা মালদা মুর্শিদাবাদ অঞ্চলে সংখ্যালঘু মুসলমানদের ভোট, যা বিজেপির দিকে আসবে না। আর অন্য সম্ভাবনা যে ৭% সিপিএম এর ভোট এখনও আছে, তার থেকে যদি আরও ৪ % বিজেপি পায়, তাহলেই একমাত্র ছবিটা বদলাতে পারে। হ্যাঁ রাজনীতির সেই অপরিসীম সম্ভাবনার দিকেই আপাতত তাকিয়ে বসে থাকা ছাড়া আর তো কোনও উপায় দেখছি না।