У нас вы можете посмотреть бесплатно ১০ বছর পর ছেলে মায়ের আশীর্বাদে কিভাবে ছেলে জেলা প্রশাসক হয়ে ফিরে এলো..! Arafat Voice или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
এই গল্পটি কস্তুরী দেবী নামের এক বৃদ্ধা মা এবং তার ছেলে মোহনের। কস্তুরী দেবী গ্রামের এক জরাজীর্ণ কুঁড়েঘরে অত্যন্ত কষ্টে দিনাতিপাত করতেন। তার স্বামী রামধনের মৃত্যুর পর তিনি মানুষের বাড়িতে কাজ করে এবং কঠোর পরিশ্রম করে ছেলেকে বড় করেছিলেন। কিন্তু মোহনের কিশোর বয়সে একটি ভুলের কারণে মা তাকে শাসন করলে সে অভিমানে ঘর ছেড়ে পালিয়ে যায়। দীর্ঘ ১০ বছর মোহন নিখোঁজ ছিল। এই সময়কালে সে শহরে গিয়ে কঠোর পরিশ্রম ও পড়াশোনা করে জেলা প্রশাসক (DM) পদে আসীন হয়। ১০ বছর পর একটি সরকারি রিপোর্টের মাধ্যমে মোহন জানতে পারে যে তার মা আজও সেই পুরনো কুঁড়েঘরে অত্যন্ত অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। নিজের ভুল বুঝতে পেরে মোহন বড় কোনো প্রটোকল ছাড়াই সাধারণ পোশাকে তার মায়ের কাছে ফিরে যায়। মায়ের সামনে গিয়ে সে কান্নায় ভেঙে পড়ে এবং ক্ষমা চায়। কস্তুরী দেবী প্রথমে তাকে চিনতে না পারলেও পরে তার ছেলেকে বুকে জড়িয়ে ধরেন। মা ও ছেলের এই আবেগঘন পুনর্মিলন পুরো গ্রামের মানুষের চোখে জল এনে দেয়। মোহন সিদ্ধান্ত নেয় সে তার মাকে আর কখনো একা ছাড়বে না। তবে তার মা গ্রাম ছেড়ে শহরে যেতে রাজি না হওয়ায়, মোহন তার কুঁড়েঘরের জায়গাতেই একটি সুন্দর পাকা বাড়ি তৈরি করে দেয় এবং গ্রামের অন্য বৃদ্ধা ও অসহায় মানুষদের সাহায্য করার জন্য প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে। গল্পের মূল শিক্ষা: সফলতার চূড়ায় পৌঁছালেও নিজের শিকড় এবং বাবা-মাকে ভুলে যাওয়া উচিত নয়। বাবা-মার দোয়া এবং আশীর্বাদই সন্তানের জীবনের সবচেয়ে বড় সম্পদ।