У нас вы можете посмотреть бесплатно পাবনায় বেসরকারি হাসপাতালে সিজার করা মায়ের পেট থেকে বাচ্চা না পাওয়ার ঘটনা উদঘাটনে তদন্ত কমিটি গঠন или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
পাবনায় বেসরকারি হাসপাতালে সিজার করা মায়ের পেট থেকে বাচ্চা না পাওয়ার ঘটনা উদঘাটনে তদন্ত কমিটি গঠন বার্তা সংস্থা আইএনএস পাঠানো তথ্যচিত্রের ডেস্ক রিপোর্ট। পাবনার মডেল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে সিজারিয়ান রোগীর পেট থেকে বাচ্চা না পাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে যে ধুম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে তার জট কাটেনি এখনো। রোগী এবং তার পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নামে পুলিশ ও গণমাধ্যম কমীরা। এদিকে বিভিন্ন টিভি চ্যানেল ও পত্রপত্রিকাসহ সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে অবগত হয়ে পাবনা সিভিলসার্জন তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। তদন্ত শেষে যানা যাবে প্রকৃত ঘটনা। গত ১০ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৮টার দিকে ওই হাসপাতালে পাবনার আমিনপুর থানার রতনগঞ্জের নুরুল ইসলামের স্ত্রী আঁখি খাতুনকে সিজার করার সময় পেটে বাচ্চা না থাকার খবর ছড়িয়ে পড়লে পাবনাসহ দেশব্যাপী চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। প্রশ্ন দেখা দেয় গর্ভবতী নারীর প্রসব ব্যাথায় সিজার করার সময় পেটের বাচ্চা তাহলে গেল কোথায়? সিজার করার পর বাচ্চাটি চুরি হয়েছে না কী ভুলবসত: বাচ্চাটি মারা গেলে ডাক্তার ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গোপন করছেন। এনিয়ে পাবনা শহরজুড়ে শুরু হয় আলোচনার ঝড়। বিষয়টি খোলাশা করার জন্য ডাঃ শাহিন ফেরদৌস শানু, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সেলিম উদ্দিন ও পরিস্থিতির শিকার আঁখি খাতুনের স্বামী নুরুল ইসলাম ১৪ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বেলা ১২ টার দিকে পাবনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে ঘটনার বর্ণনা দেন। এসময় ডাঃ শাহিন ফেরদৌস শানু লিখিত বক্তব্যে বলেন, ওইদিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দেয়া খবর পেয়ে জানতে পারি তার নিয়মিত চেকআপ করা এক গর্ভবতী রোগীকে ভর্তি করা হয়েছে যার পূর্বের সিজারিয়ানের ইতিহাস আছে। এরপর তিনি হাসপাতালে এসে ওটি তে দেখতে পান ফাইলে তার প্রেসক্রিপশন নাই, শুধু রক্ত, প্রশ্রাব পরীক্ষা ও একটা আলট্রাসনো রিপোর্ট আছে। এসময় তিনি দেখতে পান রোগীর লেবার পেইন হচ্ছে, তাতে পূর্বের সেলাইস্থান ছিড়ে জরায়ু ফেটে যেতে পারে। এমন আশঙ্কায় দ্রুত অপারেশনের সিন্ধান্ত নেয়া হয়। দ্রুত অপারেশন করা না হলে রোগীর অবস্থা আরও খারাপ হতে পারে, এ ছাড়া রোগীর প্রেসার বাড়ছিল। এমতাবস্থায় রোগীকে অপারেশন শুরু করে দেখতে পাই রোগীর পেটে বাচ্চা নেই। অপারেশন বন্ধ করে রোগীর স্বামীকে ডেকে বিষয়টি অবগত করি এবং দেখাই তার স্ত্রী নন প্রেগনেন্ট। কিন্তু রোগীর স্বামী ডাক্তারের এ কথা মানতে নারাজ। তিনি সাংবাদিকদের বলেন,আমার স্ত্রী গর্ভবতী ছিল, তার পেট বেশ বড় হওয়ায় মানুষ দুইটি বাচ্চা হবে বলে মন্তব্য করতো। অপারেশনের ৪০ দিন পূর্বে আট্রাসনো করেছিলাম। ডাক্তার বলেছিল একটি ছেলে সন্তানের কথা। আমরা সেই বিশ্বাসের ওপর বাচ্চা যাতে নিরাপদে ডেলিভারী হয় এ জন্য ভর্তি করেছিলাম মডেল হাসপাতালে। মেডিকেল রিপোর্ট যদি বলে আমার স্ত্রীর পেটে সন্তান ছিল না তাহলে আমাকে মেনে নিতে হবে। রোগীর স্বামীকে তার স্ত্রীর অপারেশনের পূর্বে যেসব স্থাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছেল সেইসব পরীক্ষার কাগজপত্র সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, স্থাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্টের তারিখে টেম্পারিং করা হয়েছে। এটি কে করেছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন আমি জানি না। তবে অপারেশনের পূর্বে সবরকম পরীক্ষা করার কথা আমি বলেছিলাম। কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃর্পক্ষ ও ডাঃ শানু আমার কথা কর্ণপাত করেনি। সংবাদ সম্মেলনে ডাঃ শিরিন ফেরদৌস, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও রোগীর স্বামীর দেয়া বক্তব্যে গড়মিল ও যথার্ত মনে না হওয়ায় রোগীর মুখ থেকে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসে কি না যানার জন্য ওই দিন ১৪ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৪ টার দিকে যাওয়া হয় মডেল হাসপাতালে। এসময় হাসপাতালের মালিক সেলিম উদ্দিন রোগীর সাথে দেখা করতে দেয়নি এমন কি হাসপাতালের ম্যানেজারের সাথেও কোনো কথা বলতে দেননি। এদিকে সংবাদপত্রে প্রকাশিত সংবাদ মাধ্যম অবগত হয়ে মডেল হাসপাতালের ঘটনা তদন্ত করে ৭ দিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ১৪ ফেব্রুয়ারি ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন পাবনা সিভিল সার্জন। এ কমিটিতে সভাপতি করা হয়েছে, পাবনা মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক (গাইনী এন্ড অবস:) ডাঃ নার্গিস সুলতানা, সদস্য করা হয়েছে এ কলেজের সহকারী অধ্যাপক (সার্জারী) ডাঃ মো. সিরাজুল ইসলাম এবং সদস্য সচিব পাবনা সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডাঃ জান্নাতুল ফেরদৌস। গতকাল সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে তদন্ত কমিটির সভাপতি ডাঃ নার্গিস সুলতানার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, কমিটি গঠনের পর আমরা তদন্ত শুরু করতে যাচ্ছি। তদন্ত শেষে জানা যাবে আসল ঘটনা। সিএনএফ টিভি।