У нас вы можете посмотреть бесплатно ♻️“আল্লাহ ব্যবসাকে হালাল এবং সুদকে হারাম করেছেন কীভাবে! জেনে নিন! || January 28, 2026 или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
Find out how Allah has made trade lawful and interest unlawful! আল্লাহ ব্যবসাকে হালাল এবং সুদকে হারাম করেছেন কীভাবে! জেনে নিন! গর্ভজাত শিশুটি ঋণগ্রস্ত হয়ে জন্মগ্রহন করে কীভাবে! জেনে নিন Find out how a baby is born in debt! ------ Google 👇 ------- ইসলামে আল্লাহ ব্যবসা-বাণিজ্যকে হালাল করেছেন কারণ এতে পণ্য ও সেবার আদান-প্রদান এবং পারস্পরিক কল্যাণ থাকে, আর সুদকে (রেবা) হারাম করেছেন কারণ এতে জুলুম, অন্যায়ভাবে সম্পদ বৃদ্ধি এবং একচেটিয়া ফায়দা থাকে। পবিত্র কুরআনের সুরা আল-বাকারার ২৭৫ নম্বর আয়াতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, "আল্লাহ ব্যবসাকে হালাল এবং সুদকে হারাম করেছেন" [২, ৫, ১২]। ব্যবসাকে হালাল এবং সুদকে হারাম করার মূলনীতিগুলো নিচে দেওয়া হলো: ব্যবসায় সততা ও বৈধতা: ব্যবসায় হালাল পণ্য ও পণ্যদ্রব্য কেনা-বেচা বৈধ [১]। ক্রেতা-বিক্রেতার সন্তুষ্টি, যৌক্তিক মুনাফা এবং ধোঁকা বা ফাঁকি না থাকলে তা ইবাদত হিসেবে গণ্য হয় [৭]। সুদ বা রিবা কেন হারাম: সুদের মাধ্যমে একজন নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য ঋণ দিয়ে মূলধনের অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণ করে, যা ইসলামে জুলুম [৯]। এটি সমাজ থেকে অভাব দূর করার পরিবর্তে ধনিক শ্রেণীকে আরও ধনী করে এবং দরিদ্রকে আরও শোষণ করে, তাই এটি হারাম [৫, ৯]। পরস্পর কল্যাণ বনাম শোষন: ব্যবসার মাধ্যমে মানুষ পণ্য ও সেবা পায়, এতে কল্যাণ নিহিত থাকে [৭]। অন্যদিকে সুদ হলো বিনা পরিশ্রমে বা ঝুঁকি না নিয়ে অন্যের সম্পদ শোষন করা [৫]। অবৈধ ব্যবসা নিষিদ্ধ: যে ব্যবসায় হারাম পণ্যের আদান-প্রদান (যেমন- মদ, জুয়া) বা ধোঁকাবাজি থাকে, তা হারাম বা নিষিদ্ধ [১, ৮]। মূলত, উৎপাদনশীলতা ও কর্মসংস্থান তৈরি করে সমাজে অর্থের প্রবাহ নিশ্চিত করার জন্য ব্যবসায়িক লেনদেন হালাল, আর বিনা পরিশ্রমে সম্পদ বৃদ্ধির জঘন্য উপায় হিসেবে সুদ হারাম [১২, ১৩]।