У нас вы можете посмотреть бесплатно মসনবী শরীফের গল্প-৪২ : আল্লাহর যে পবিচয় ফেরেশতারা জানত না || মাওলানা জালাল উদ্দীন রূমী или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
Masnavi Sharif Bangla || Mawlana Jalal Uddin Rumi || Bangla মানুষকে আল্লাহ তাআলা দিয়েছেন বিশাল অন্তর। এই অন্তর আল্লাহর কাছে সমাদৃত। তার নাম নফসে মুতমাইন্না-প্রশান্ত আত্মা। আত্মার বিশালতার সামনে আসমান জমিন এমনকি আরশও কিছুই না। সেই আত্মা মানু্ষের দেহসত্তায় লুক্কায়িত। দেহ ও আত্মা মিলে মানুষের মানবসত্তা গঠিত। সৃষ্টির আগে মানবসত্তা পৃথিবীর মাটির সাথে একাকার ছিল। এর কারণে পৃথিবীর মাটির সাথে ফেরেশতারা মনে আকর্ষণ অনুভব করত। সৃষ্টির আদিতে ফেরেশতারা মানব সৃষ্টির বিরোধীতা করেছেছিল নিজেদের জ্ঞানের দৈন্যতার কারণে। কী ছিল সেই জ্ঞান, যার কারণে ফেরেশতারা শেষে আদমের সামনে শ্রদ্ধায় সিজদায় অবনত হয়েছিল? সেই জ্ঞান ছিল আল্লাহর নিরান্নব্বই নামের মহিমা। আল্লাহর নিরান্নব্বই নামের মহিমা প্রকাশ অর্থাৎ নিজের পরিচিত দুনিয়ার সামনে প্রকাশ করার জন্য আদমকে সৃষ্টি করা হয়। কারণ নিরান্নব্বই নামের বোদ্ধা হওয়ার যোগ্যতা ফেরেশতাদের ছিল না। তা একমাত্র মানুষের মধ্যে আছে। সৃষ্টির আদিতে সেই জ্ঞানের প্রতিভা ও মেধা দেয়া হয়েছে মানুষকে। এই ভিডিওতে অতিশয় উচ্চাঙ্গের আধ্যাত্মিক তত্ত্বরহ্স্য বিশ্লেষণ করেছেন বাংলা ভাষায় মওলানা রূমীর সফল ভাষ্যকার ডক্টর মওলানা মুহাম্মদ ঈসা শাহেদী। ভিডিওটি আপনার পছন্দ হলে লাইক শেয়াার দিয়ে সর্বত্র ছড়িয়ে দেয়ার অনুরোধ রইল।