У нас вы можете посмотреть бесплатно সালামের গুরুত্ব নিয়ে জুম’আর খুতবায় চমৎকার আলোচনা পেশ করলেন মুফতি আব্দুর সাত্তার (মাগুরা হুজুর) или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
সালাম কাকে বলে : ইসলামী পরিভাষায় একজন মুসলমান আরেকজন মুসলমানের সাক্ষাতের সময় যে বাক্য দ্বারা সম্ভাষণ জানায়, স্বাগত জানায়, ভালোবাসা বন্ধুত্ব শান্তি নিরাপত্তা কল্যাণ ও দোয়া কামনা করে তাকেই আমরা সালাম বলে থাকি। আল্লাহ তায়ালার সালাম : আল্লাহ তায়ালা সব জান্নাতিকে সালাম দিয়ে অভিবাদন জানাবেন। আল্লাহ বলেন, ‘পরম দয়ালু প্রতিপালকের পক্ষ থেকে তাদের বলা হবে সালাম’ (সূরা ইয়াসিন-৫৮)। আল্লøাহ অন্যত্র বলেন, ‘যেদিন তারা আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করবে, সে দিন তাদের অভিবাদনসহ সালাম’ (সূরা আল আহজাব-৪৪)। ফেরেশতাদের সালাম : জান্নাতে জান্নাতিদের ফেরেশতারা সালাম দিয়ে অভিবাদন জানাবে এবং পরস্পরের শুভেচ্ছা বিনিময় হবে আসসালামু আলাইকুম দ্বারা। আর তাদের শেষ কথা হবে আল হামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন’ (সূরা ইউনুস-১০)। এ ছাড়া এ সম্বন্ধে সূরা আর-রাদ ২৩-২৪, সূরা আজ-জুমার ৭৩ এ কালিমার কথা বলা হয়েছে। জান্নাতিদের মধ্যে সালাম : জান্নাতে এক জান্নাতি এবং অপর জান্নাতিদের মধ্যে অভিবাদন হবে সালাম। আল্লাহ বলেন, ‘যারা ঈমান আনে এবং সৎকর্ম করে তারা প্রবেশ করবে জান্নাতে সেখানে তারা থাকবে চিরকাল। সেখানে অভিবাদন হবে সালাম’ (সূরা ইবরাহিম-২৩)। তারা শুনবে না কোনো বাজে কথা অথবা পাপবাক্য, সালাম আর সালাম ব্যতীত’ (সূরা আল ওয়াকিয়াহ : ২৫-২৬)। সালাম দেয়া আল্লাহর নির্দেশ : আল্লাহ তায়ালা মুমিনদের সালাম দেয়ার নির্দেশ দেন। ‘হে মুমিনগণ, তোমরা নিজেদের গৃহ ব্যতীত... এবং তাদেরকে সালাম না দিয়ে প্রবেশ করো না’ (সূরা আন নূর-২৭)। সালাম দেয়া রাসূলুল্লাহর নির্দেশ : নবীজী সা: মদিনায় এসে নতুন এক রাষ্ট্রীয় কাঠামো তৈরি করেন, যেখানে ইসলাম প্রচারে নানা ধরনের লোক এসে মুসলমান হয়ে নতুন জীবন যাপন করা শুরু করেছেন। এ সময়ে নানা ধরনের লোকের মধ্যে পরস্পর সম্প্রীতি ভালোবাসা প্রতিষ্ঠায় সালামের ভূমিকা প্রয়োজনীয় হয়ে ওঠে। আবদুল্লøাহ ইবনে সালাম রা: বলেন, নবীজী সা: মদিনায় পদার্পণ করেই সর্বপ্রথম যে কথা বললেন, ‘হে লোক সকল, তোমরা পরস্পর সালাম বিনিময় করো, অভুক্তকে আহার করাও, গভীর রাতে সালাত আদায় করো’ (তিরমিজি-২৪৮৫)। সালাম দেয়ার পদ্ধতি : ইসলাম সালাম দেয়ার পদ্ধতি শিখিয়েছে। যে আগে সালাম দেবে সে বলবেÑ ‘আসসালামু আলাইকুম’ অথবা ‘আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ’ অথবা ‘আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ ওয়া বরকাতুহু’। রাসূলুল্লাহ সা: বলেছেন, ‘আমি কি তোমাদের এমন একটা কথা বলব, যা করলে তোমাদের পারস্পরিক ভালোবাসা বৃদ্ধি পাবে? তোমরা পরস্পরের মধ্যে সালামের প্রচলন করো’ (মুসলিম হা-৫৪)। কৃপণতা দূর করা : সালাম না দেয়া কৃপণতা। এই কৃপণতা থেকে বাঁচতে হলে বেশি বেশি সালাম দাও। আবু হুরায়রা রা: বলেন, ‘যে ব্যক্তি সালাম দিতে কার্পণ্য করে সে সব চেয়ে বড় কৃপণ। যে ব্যক্তি দোয়া করার ব্যাপারে অক্ষম, সে সব চেয়ে বড় অক্ষম’ (আল আদাবুল মুফরাদ হা-১০৪২)। চেনা-অচেনা সবাইকে সালাম দিতে হবে : আবদুল্লাহ ইবনে আমর রা: থেকে বর্ণিতÑ এক লোক এসে জিজ্ঞেস করল ইসলামের কোন কাজ উত্তম? নবীজী সা: বললেন, ‘তুমি খানা খাওয়াবে যাকে চেন অথবা চেন না সবাইকে সালাম দেবে’ (বুখারি হা-১২)। মুসলমানদের হক আদায় করো : এক মুসলমানের ওপর অপর মুসলমানের ছয়টি হক রয়েছেÑ ১. যখন কোনো ব্যক্তি রোগে আক্রান্ত হয়, তখন তাকে দেখতে যাবে; ২. কোনো লোক মৃত্যুবরণ করলে, জানাজায় অংশ নেবে; ৩. কেউ দাওয়াত করলে, সে দাওয়াত কবুল করবে; ৪. কারো সাথে সাক্ষাৎ হলে, প্রথমে সালাম দেবে; ৫. যখন সে হাঁচি দেয় তখন সে হাঁচির জওয়াব দেবে; ৬. কেউ উপস্থিত বা অনুপস্থিত উভয় অবস্থায় তার কল্যাণ কামনা করবে’ (তিরমিজি হা-২৭৩৭)। সালাম কে কাকে দেবে : ছোট বড়কে সালাম দেবে; আরোহী পদচারীকে; পদচারী উপবিষ্টকে এবং অল্পসংখ্যক অধিক সংখ্যককে সালাম দেবে। এটাই ইসলামের রীতি। (বুখারি হা-৬২৩২) অন্যের মাধ্যমে সালাম পৌঁছানো : আয়েশা রা: থেকে বর্ণিতÑ একদা নবীজী সা: বললেন, হে আয়েশা জিবরাইল তোমাকে সালাম দিচ্ছেন। আয়েশা রা: উত্তরে বললেন, তার প্রতিও সালাম, রহমত, বরকত বর্ষিত হোক (বুখারি হা-৩২১৭)। ছোটদের সালাম দেয়া : আনাস রা: বলেন, রাসূল সা: ছোটদের সালাম দিতেন। বৈঠক থেকে যাওয়ার সময় সালাম প্রদান : আবু হুরায়রা রা: বলেন, নবীজী সা: বলেছেন, ‘তোমাদের কেউ মজলিশে উপস্থিত হলে যেন সালাম দেয়। মজলিশ থেকে চলে যাওয়ার সময়ও যেন সালাম দেয়।’ (আবু দাউদ হা-৫২০৮) সালাম দেয়া নিষেধ : কারো ঘুম যেন ভেঙে না যায়; ইহুদিদের সালাম না দেয়া; ইশারায় ইঙ্গিতে সালাম না দেয়া; ইস্তিঞ্জারত অবস্থায় সালাম না দেয়া; সালাতরত অবস্থায় ও কুরআন তিলাওয়াতরত অবস্থায় সালাম না দেয়া। সালাম পরস্পরের প্রতি দয়ামায়া, আন্তরিকতা ভালোবাসা, মমত্ববোধ, দায়িত্ববোধ সহমর্মিতা জাগ্রত করে। তখন মানব মনের কোণে অহঙ্কার বড়ত্ব হিংসা বিদ্বেষ, অন্যের প্রতি মন্দ ধারণা পোষণ ইত্যাদি দূরীভূত হয়। মুসলিম ভ্রাতৃত্ববোধ সুদৃঢ় হয়। ইহজীবন সুন্দর করার ক্ষেত্রে সালামের বিকল্প নেই। আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে বেশি বেশি সালামের প্রচার প্রসার করার তাওফিক দান করুন, আমিন।