У нас вы можете посмотреть бесплатно মাত্র ৩০ টাকায় ঢাকার রাজপ্রাসাদ।ROSE GARDEN PALACE. или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
রোজ গার্ডেন প্যালেস রোজ গার্ডেন প্যালেস (Rose Garden Palace) যা রোজ গার্ডেন হিসেবে পরিচিত, বাংলাদেশের একটি ঐতিহাসিক স্থাপনা। এটির অবস্থান রাজধানী ঢাকা শহরের পুরান ঢাকার টিকাটুলিতে। ১৯ শতকে হৃষিকেস দাস নামের ধনী ব্যবসায়ী বিনোদনের জন্য রোজ গার্ডেন প্যালেসটি নির্মাণ করেন। এই প্রাচীন ভবনটি বাংলাদেশের ঐতিহাসিক পুরাকীর্তি হিসাবে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক সংরক্ষিত। ইতিহাস ঋষিকেশ দাস ছিলেন ব্রিটিশ আমলের নতুন ধনী ব্যবসায়ী। সাধারণ পরিবার থেকে আসায় ঢাকার অভিজাত পরিবারগুলো তাকে তেমন গুরুত্ব দিত না। শোনা যায়, একবার বলধা গার্ডেনের এক আসরে অপমানিত হয়ে তিনি সেখান থেকে চলে আসেন। এরপরই তিনি নিজের বাগানবাড়ি তৈরির সিদ্ধান্ত নেন। ১৯৩১ সালে পুরান ঢাকার ঋষিকেশ দাস রোডে তিনি তৈরি করেন রোজ গার্ডেন, যেখানে প্রচুর গোলাপ গাছ থাকায় এর হয় রোজ গার্ডেন। তবে বাড়ি সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই তিনি দেউলিয়া হয়ে পড়েন এবং ১৯৩৭ সালে এটি বিক্রি করতে বাধ্য হন খান বাহাদুর আবদুর রশীদের কাছে। পরে এর নাম রাখা হয় “রশীদ মঞ্জিল”। আবদুর রশীদের মৃত্যুর পর রোজ গার্ডেনের মালিকানা পান তার বড় ছেলে কাজী মোহাম্মদ বশীর (হুমায়ূন সাহেব)।১৯৭০ সালে বেঙ্গল স্টুডিও রোজ গার্ডেন ভাড়া নেয় এবং এখানে জনপ্রিয় সিনেমা হারানো দিন শুটিং হয়। সে সময় এটি “হুমায়ুন সাহেবের বাড়ি” নামেও পরিচিতি পায়। ১৯৮৯ সালে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ভবনটিকে সংরক্ষিত ঘোষণা করে। পরে আইনি জটিলতার পর মালিকানা ফেরত আসে কাজী আবদুর রশীদের পরিবারে। অবশেষে ২০১৮ সালে বাংলাদেশ সরকার প্রায় ৩৩২ কোটি টাকায় রোজ গার্ডেন প্যালেস ক্রয় করে এবং বর্তমানে এটি সরকারের মালিকানায় রয়েছে। রোজ গার্ডেন প্যালেসের এক ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। ১৯৪৯ সালে এই রোজ গার্ডেনেই পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ (বর্তমানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ) গঠিত হয়। স্থাপত্য ও বৈশিষ্ট্য রোজ গার্ডেন প্যালেস তৈরি হয়েছিল ২২ বিঘা জমির উপর। ভবনটির আয়তন প্রায় ৭,০০০ বর্গফুট এবং উচ্চতা ৪৫ ফুট। এটি ছয়টি শক্ত থামের উপর দাঁড়িয়ে আছে, আর প্রতিটি থামে লতাপাতার সুন্দর নকশা করা হয়েছে। প্রাসাদের নকশায় করিন্থীয় ও গ্রীক স্থাপত্যশৈলী ব্যবহার করা হয়েছে। বাড়িটির নীচতলায় একটি হলরুম, আটটি কক্ষ রয়েছে। উপর তলায় আরো একটি হল সহ আরও পাঁচটি কক্ষ রয়েছে। একসময় প্রাসাদ প্রাঙ্গণে একটি ঝর্ণা ছিল, বর্তমানে ঝর্ণাটি চালু না থাকলেও এর চিহ্ন দেখতে পাওয়া যায়। প্রাসাদের সামনে বাগানে রয়েছে মার্বেলের তৈরি কয়েকটি সুদৃশ্য মূর্তি। তবে যেই গোলাপের বাগানের জন্য এই প্রাসাদটির নামকরণ রোজ গার্ডেন প্যালেস করা হয়েছিল সেই গোলাপ বাগান বর্তমানে নিশ্চিহ্ন। #rosegarden #রোজগার্ডেন