У нас вы можете посмотреть бесплатно যাত্রাবাড়ী মাছের আরত, ঢাকা, বাংলাদেশ। или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
ঢাকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ত পাইকারি বাজারগুলোর মধ্যে যাত্রাবাড়ী মাছের আড়ত বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। প্রতিদিন ভোর থেকে শুরু করে সকাল পর্যন্ত এই বাজারে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা হাজার হাজার টন মাছ কেনাবেচা হয়। রাজধানীর মাছ সরবরাহ ব্যবস্থায় যাত্রাবাড়ী মাছের আড়ত একটি প্রধান কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। ইতিহাস ও প্রতিষ্ঠার সূচনা যাত্রাবাড়ী মাছের আড়তের যাত্রা শুরু হয় মূলত ১৯৯০-এর দশকের শেষ দিকে। ঢাকায় মাছের চাহিদা দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় একটি বড় পাইকারি মাছের বাজার স্থাপনের প্রয়োজন দেখা দেয়। এরই ধারাবাহিকতায় ১০ অক্টোবর ১৯৯৭ সালে কয়েকজন ব্যবসায়ী একত্র হয়ে “ঢাকা মাছ বাজার” নামে ছোট পরিসরে এই আড়তের কার্যক্রম শুরু করেন। প্রথমদিকে এটি সীমিত পরিসরে পরিচালিত হলেও অল্প সময়ের মধ্যেই ঢাকার মাছ ব্যবসায়ীরা এই বাজারকে কেন্দ্র করে তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণ করতে শুরু করেন। বাজারের বিস্তার ও গুরুত্ব সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যাত্রাবাড়ী মাছের আড়ত দ্রুত সম্প্রসারিত হয়ে বর্তমানে এটি ঢাকার সবচেয়ে বড় মাছের পাইকারি কেন্দ্রগুলোর একটি। বর্তমানে এখানে প্রায় ১৩টি পৃথক মাছ বাজার বা সেকশন গড়ে উঠেছে, যেখানে নদী, সমুদ্র ও ঘেরের মাছ একত্রে বিক্রি হয়। বরিশাল, চাঁদপুর, খুলনা, কক্সবাজার, নোয়াখালী, পটুয়াখালীসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রতিদিন ট্রাক ও পিকআপযোগে মাছ এনে এখানে বিক্রি করা হয়। অর্থনৈতিক ভূমিকা যাত্রাবাড়ী মাছের আড়ত শুধু একটি বাজার নয়, এটি দেশের মৎস্য অর্থনীতির একটি বড় অংশের সঙ্গে জড়িত। এই আড়তে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার মাছ কেনাবেচা হয়। বিশেষ করে ইলিশ মৌসুমে এখানে বিপুল পরিমাণ মাছের লেনদেন হয়। এই বাজারের সঙ্গে জড়িত রয়েছে হাজার হাজার মানুষ—আড়তদার, শ্রমিক, পরিবহন চালক, পাইকারি ব্যবসায়ী ও খুচরা বিক্রেতারা। চ্যালেঞ্জ ও সাম্প্রতিক প্রসঙ্গ যাত্রাবাড়ী মাছের আড়তকে ঘিরে মাঝে মাঝে যানজট, রাস্তার দখল, স্বাস্থ্যকর পরিবেশের অভাব এবং নিষিদ্ধ মাছ বিক্রির অভিযোগও উঠে থাকে। বিভিন্ন সময়ে প্রশাসনের অভিযান পরিচালিত হয়েছে।