У нас вы можете посмотреть бесплатно কেন কক্সবাজার সৈকতে পর্যটকের মৃ'ত্যু ঠেকানো যাচ্ছে না? Bijoy TV или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
#CoxsBazar #কক্সবাজার প্রতিবছরের মতো এ বছরও ঈদুল আযহার ছুটিতে পর্যটকে মুখরিত ছিল কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত। তবে এবারের ঈদের ছুটিতে সমুদ্রের পানিতে ডুবে বাবা-ছেলেসহ ৬ জনের মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। প্রশাসন বলছে, আগতদের নিরাপত্তায় তারা সচেষ্ট থাকলেও পর্যটকদের সচেতনতার অভাবেই এমন দুর্ঘটনা ঘটছে। এবছর ঈদুল আযহার টানা ছুটিতে লোকে লোকারণ্য ছিল কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের কলাতলি, সুগন্ধা ও লাবণীসহ সব পয়েন্ট। পর্যটকদের পদচারণায় সাগরতীর যেন পরিণত হয়েছিল উৎসবের নগরীতে। তবে, ভ্রমণ শেষে সুন্দর কিছু স্মৃতি নিয়ে বাড়ি ফেরার কথা থাকলেও অনেকে ফিরেছেন লাশ হয়ে। সমুদ্রে গোসলে নেমে পানিতে ভেসে গিয়ে পর্যটকসহ ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। গত ৯ জুন, কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের বিপজ্জনক পয়েন্টে গোসলের একপর্যায়ে স্রোতের টানে ভেসে গিয়ে বাবা-ছেলের হৃদয়বিদারক মৃত্যুর ঘটনা অনেকের মনেই দাগ কাটে। ১২০ কিলোমিটার দীর্ঘ এ সৈকতের একাধিক স্থানে ভাঙন ও গুপ্তখালের সৃষ্টি হওয়ায় সাগরে নামার আগে বিপদ টের পাচ্ছেন না পর্যটকরা। ফলে, বরণ করে নিতে হচ্ছে অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু। তবে এসব মৃত্যুর জন্য বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ভুক্তভোগীরা নিজেরাই দায়ী বলে দাবি করছেন লাইফগার্ডসহ পর্যটকরা। এদিকে, সৈকতে আগতদের নিরাপত্তায় প্রশাসন তৎপর থাকলেও এমন দুর্ঘটনার পেছনে সচেতনতার অভাবকেই দায়ী করছে কর্তৃপক্ষ। সি-সেইফ লাইফগার্ড সংস্থার তথ্য মতে, স্রোতের টানে ভেসে কিংবা গুপ্তখালে আটকা পড়ে গত বছরের আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে পাঁচজন পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে। এর আগের ৬ বছরে স্রোতের টানে ভেসে গিয়ে মারা গেছেন ৪৯ জন পর্যটক। copyright © A BIJOY TV Production-2025 সঙ্গে থাকুন বিজয় টিভির Website: http://bijoy.tv/ Facebook: / bijoytvlimited Youtube: / bijoytvofficial