У нас вы можете посмотреть бесплатно সিপিএম, হুমায়ুন কবীর, আইএসএফ কংগ্রেস জোট ২০২৬ এর নির্বাচনে সম্ভব? হলে তার ফল কী হবে? или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
মার্কস সাহেব ভারতে আসেন নি, না কোনওদিনও নয়, কিন্তু তিনি ভারত সম্পর্কিত বই, বিভিন্ন লেখা, বিভিন্ন দলিল দস্তাবেজ খুব খুঁটিয়ে দেখেই বিভিন্ন সময়ে ভারতের আর্থ সামাজিক ব্যাপারে কিছু বলেছেন, কিছু লিখেছেন। সেসব লেখার মধ্যে অন্যতম হল নিউ ইয়র্ক ডেইলি ট্রিবিউন পত্রিকাতে ছাপা এক প্রবন্ধ যাতে তিনি সিপাহী বিদ্রোহ কে এক নিছক কিছু বিক্ষুব্ধ সেপাইদের বিদ্রোহ বলেন নি, বলেছিলেন ফার্স্ট ওয়ার অফ ইন্ডিয়ান ইন্ডিপেনডেন্স। হ্যাঁ বোধ বুদ্ধি আর তথ্য থাকলে বহুদুর থেকে কোনও বিষয় সম্পর্কে সঠিক ধারণা করা সম্ভব, আজকের এই ছোট্ট দুনিয়াতে তো সেটা আরও বেশি বেশি করেই সম্ভব, মানে চান্স অফ এরর কমে গেছে। কিন্তু আমাদের মহম্মদ সেলিম, পলিটব্যুরো নেতা, সিপিএম দলের রাজ্য সম্পাদক, তিনি এই বাংলারই মুর্শিদাবাদের এক সাম্প্রদায়িক নেতার মন বুঝতে এক ঘন্টার বৈঠক করলেন। হ্যাঁ নিউ টাউন এর এক হোটেলে কমরেড মহম্মদ সেলিম এক ঘন্টার বৈঠক করলেন একদা কংগ্রেসী থেকে তৃণমূল হয়ে বিজেপিতে গিয়ে আবার তৃণমূলে এসে আবার তৃণমূল ছেড়ে নিজের দল জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে। কমরেড সেলিম নিজেই জানিয়েছেন উনি নাকি মন বুঝতে গিয়েছিলেন। আমি সেই ২০২১ এই বলেছিলাম, কমরেড সেলিম যে কোনওভাবে এম এল এ বা এম পি হতে চান, তার জন্য তিনি ক্রমাগত তাঁর আসন বদলেছেন, হারা সিট ছেড়ে আরও বেশি মুসলমান ভোট আছে তেমন আসন বেছেছেন, আর দিকভ্রান্তের মত সেই আসনে জেতার জন্য আদর্শ ইত্যাদিকে তাকে তুলে রেখে সাম্প্রদায়িক কার্ড খেলেছেন। আসুন ২০২১ এর ওনার আসন চন্ডিতলার দিকে তাকাই। ২০১৬ তে যে আসনে ভালো লড়েছিল সিপিএম তারমধ্যেই ছিল চন্ডিতলা, তৃণমূলের স্বাতী খন্দকার জিতেছিলেন, হেরেছিলে সিপিএম এর আজিম আলি মহম্মদ শেখ, কিন্তু প্রায় ৪১% ভোট পেয়েছিলেন। এই চন্ডিতলা হল ফুরফুরা শরিফের খুউউব কাছে। কমরেড সেলিম ঠিক করলেন ঐ চন্ডিতলা থেকে দাঁড়াবেন, কারণ ঐ সময়ে ওখানকার এক পীরাজাদা, আব্বাস সিদ্দিকি, অসম্ভব কমিউনাল কথাবার্তা বলেন, মৌলবাদী এক মোল্লা, একটা দল করলেন, ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট আর তাঁর ভাই তিনিও পীরজাদা, নৌশাদ সিদ্দিকিকে সেই দলের মাথায় বসানো হলো। সবচেয়ে নোংরা ছবিটা দেখলাম ব্রিগেডে যখন ঐ আব্বাস সিদ্দিকি মঞ্চের কাছে গেছেন তখন অধীর চৌধুরির ভাষণ থামিয়েই শ্লোগান শুরু হলো, মানুষের কাছে ছবি তুলে ধরতে হবে, পীরজাদাদের সঙ্গে গা ঘেঁসাঘেঁসির ছবি, তো সেলিম গিয়ে মেলায় হারানো ভাইয়ের মত আবেগ নিয়ে জাপটে ধরলেন আব্বাস সিদ্দিকি কে, বিরক্ত অপমানিত অধীর চৌধুরি সেদিন বক্তৃতা থামিয়ে নেমে যেতে চেয়েছিলেন, বিমান বসু আটকেছিলেন সেটাও আমরা দেখেছি। তো ফলাফল কী হল? কমরেড সেলিম চলে গেলেন তিন নম্বরে, ৪০% ভোট কমে দাঁড়ালো ২২% এ, ২৩% ভোট পেয়ে বিজেপির যশ দাসগুপ্ত ছিলেন দু নম্বরে। হ্যাঁ এটাই কমরেড সেলিম। দু হাজার চব্বিশ, লোকসভার নির্বাচন উনি কি ঐ জায়াগা থেকেই লড়লেন? না, এবারে চলে গেলেন মুর্শিদাবাদ, অধীর বাবু নৌকোর হাল ধরবেন, উনি এম পি হবেন। হন নি, হেরেছেন। দেড় লক্ষের বেশি ভোটে হেরেছেন। ২০০৪ এ তিনি কলকাতা নর্থ ইস্ট এর এম পি নির্বাচনে জিতেছিলেন, ২০০৯ এ হারলেন, হারার পরেই তিনি সেফ সিট খোঁজা শুরু করেছিলেন, ২০১৪ তে গিয়ে দাঁড়ালেন রায়গঞ্জ এ, জিতলেন। ২০১৯ এ রায়গঞ্জ এ হারলেন, ব্যস, ২০২৪ এ চলে গেলেন সেই মুর্শিদাবাদে। মানে একবার হারার পরে তিনি আর সেই আসনে দাঁড়ান না। কেন? ওনাকে জেতার মত আসনেই দাঁড়াতে হবে। মুখে বলবেন কমিউনিস্ট আদর্শের কথা, আমরা তো রাজনৈতিক সংগ্রামের অঙ্গ হিসেবেই নির্বাচনে দাঁড়াই, সেই তিনি আসলে কেবল এম পি বা এম এল এ হতে চান, অন্য কিচ্ছু নয়। এরকম সুবিধে অনুযায়ী আসন বদল কি অন্য দলের নেতা এম এল এ এম পিরা করেন না? করেন, বহু উদাহরণ আছে। কিন্তু ইনি হলেন মার্কসবাদী কমিউনিস্ট পার্টির পলিটব্যুরোর সদস্য, রাজ্য সম্পাদক। সেই তিনি একজন পদলোলুপ আদর্শহীন এক মানুষ, সেটাই আজ আলোচনার বিষয়। তিনি চলে যান না ঐ হুমায়ুনের দলে, চলে যান তৃণমূল বা ঐ আই এস এফ এ, ঘুরিয়ে বিজেপি কে সাহায্য না করে সরাসরি বিজেপিই করুন, এসব প্রশ্নই উঠবে না। কেউ তুলবে না, কেউ আশাও করবে না যে হুমাউন কবীর বা তাঁর দলের কেউ একজনও নৈতিকতা, ধর্মনিরপেক্ষতা, গণতান্ত্রীক মূল্যবোধ বজায় রেখেই মানুষের কাজ করবেন। দয়া করে দল বদলান, দলের মানুষজনও হাঁফ ছেড়ে বাঁচবে। এই হুমায়ুন কবীর কে সেটা বোঝার জন্য ঘন্টা খানেক তার মন বুঝতে হবে? কোনটা নতুন খবর? উনি আজ নয় বরাবর চরম মূর্খের মতন সাম্প্রদায়িক কথাবার্তা বলেন, সেটাই ওনার ইউ এস পি। নিজের জোরে জিতেছেন? একবারও? নির্দল হয়ে দাঁড়িয়ে হেরেছেন ২০১৬ তেঐ রেজিনগর আসন থেকে, বিজেপির হয়ে মুর্শিদাবাদ আসনে দাঁড়িয়েছিলেন ২০১৯ এ, তিন নম্বরে ছিলেন, ১৭% ভোট পেয়েছিলেন। এরপরে আবার কেঁদে কঁকিয়ে তৃণমূলে ফিরে ভরতপুরে দাঁড়িয়ে জিতেছেন, জিতেছেন তৃণমূলের জন্য। এবারে তৃণমূল টিকিট দেবে না সেটা জানার পরেই দল ছাড়লেন, বাবরি মসজিদ করবেন বলে জানালেন, বিরাট তাকা ডনেশন নিলেন, বিরাট টাকা, এদিকে জমি নেই, প্ল্যান নেই, কিছুই নেই, কেবল মুসলমান সেন্টিমেন্ট, কদিন আগেই এক ইন্টারভিউতে বললেন বেশ কিছু আসনে জিতে জামাই আদরে আবার দলে ফিরবেন, সেটা গণশক্তিতে খবরও হলো, কদিন আগে আবার এক ইন্টারভিউ তে জানিয়েছেন ১৫ /২০ জন এম এল এ থাকলে বিজেপির সাহায্য নিয়ে তিনিই হতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই হেন মানুষ অকে বোঝার জন্য কমরেড সেলিমকে পাশে বসে এক ঘন্টা মিটিং করতে হলো। এই মানুষটা কদিন আগে হিন্দুদের কেটে গঙ্গায় ভাসিয়ে দেবে বলেছে, এই উন্মাদ বিজেপিতে গিয়েছিল, বিজেপি থেকে ফিরে এখন বাবরি মসজিদ নির্মাণের কথা বলছে, তাঁর সঙ্গে কথা না বলে তাঁকে নাকি বোঝাই যাবে না। আসলে কমরেড সেলিম গিয়েছিলেন উনি বিধায়ক হতে পারেন এমন কোনও ছকের সন্ধানে। ছক পেলেই জড়িয়ে ধরবেন আয় বাবা বুকে আয়।