У нас вы можете посмотреть бесплатно সিপিসি-৩, র্যাব-১৪, টাঙ্গাইল ১৯,৪৬৫ কেজি পলিথিন জব্দসহ ০১ জন আসামী ও ধর্ষণ মামলার ১ আসামী গ্রেফতার। или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
সিপিসি-৩ র্যাব-১৪ টাঙ্গাইল ক্যাম্প পৃথক ০২ টি অভিযানে- টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর থানার মধুপুর পৌরসভাস্থ দৈনিক বাজার হতে ১৯,৪৬৫ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দসহ ০১ জন আসামী গ্রেফতার এবং টাঙ্গাইল জেলার সদর থানাধীন মাহমুদ নগর নন্দবয়ড়া এলাকা হতে দেলদুয়ার থানার ধর্ষণ মামলার এজাহারনামীয় প্রধান আসামী মোঃ সোনা মিয়া মকরম (৩০) গ্রেফতার করা হয়েছে। ১। এরই ধারাবাহিকতায় সিপিসি-৩ টাঙ্গাইল ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল ১৩ নভেম্বর ২০২৫ তারিখ সন্ধ্যা ১৯.০০ ঘটিকা হতে ১৪ নভেম্বর ২০২৫ সকাল ০৭:০০ ঘটিকা পর্যন্ত টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর থানাধীন পৌরসভাস্থ দৈনিক বাজারে মেসার্স মানিক স্টোর এর ০৬ টি গোডাউন থেকে পরিবেশ দূষনকারী, জীব-বৈচিত্র্য ও মানব অস্তিত্বের জন্য হুমকি ১৯,৪৬৫ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন বাজারজাত করণের সময় মানিক চন্দ্র শীল (৫০), পিতা-মৃত কান্দু চন্দ্র শীল, সাং-আঙিনাপাড়া, থানা-মধুপুর, জেলা- টাঙ্গাইল'কে হাতেনাতে আটক করে। পরবর্তীতে জনাব তাপস চন্দ্র পাল সহকারী পরিচালক, পরিবেশ অধিদপ্তর, টাঙ্গাইল উক্ত ১৯,৪৬৫ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ করেন এবং বিপুল পরিমান নিশিদ্ধ পলিথিন নিজ হেফাজতে রেখে বাজারজাত করণের অপরাধে মানিক চন্দ্র শীল (৫০) এর বিরুদ্ধে পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য মধুপুর থানায় এজাহার দায়ের করেন। যার মামলা নং-১৫, তারিখ-১৪ নভেম্বর ২০২৫ খ্রি. ধারা- বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন-১৯৯৫ (সংশোধিত) ২০১০ এর ৬(ক)/১৫(১) এর ৪(খ)। র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন পরিবেশ দূষনকারী, জীব-বৈচিত্র্য ও মানব অস্তিত্বের জন্য হুমকি পলিথিনের বিকল্প হিসেবে পাট বা কাপড়ের ব্যাগ, কাগজের ব্যাগ ও বাজার জাত করার জন্য সব সময় আহহ্বান জানায়। নিষিদ্ধ পলিথিনের ব্যবহার ও বাজারজাত বন্ধে সিপিসি-৩ টাঙ্গাইল ক্যাম্প এর চলমান আভিযানিক কার্যক্রম এবং এর সাথে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আগামীতে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে। ২। দেলদুয়ার থানার ধর্ষণ মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায় যে, বাদীর নাবালিকা কন্যা এবং ধৃত আসামী পূর্ব পরিচিত এবং একই এলাকার বাসিন্দা। গত ২৩-০৮-২৫ তারিখে বিকাল অনুমান ০৩:০০ ঘটিকায় বাদীর বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে আসামী বাদীর বসত ঘরে প্রবেশ করে বাদীর নাবালিকা কন্যা ভিকটিমের মুখ চেপে ধরে ঘর হতে টেনে হেছড়ে বাহির করে বসত ঘরের পশ্চিম পাশে ফাকা জায়গায় ধর্ষণ করে। উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের মা বাদী হয়ে টাঙ্গাইল জেলার দেলদুয়ার থানায় একটি ধর্ষন মামলা দায়ের করে। যার মামলা নং-০৬, তারিখ-২৪-০৮-২৫ খ্রি. ধারা-৯(১) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এর ২০০০। উক্ত মামলা রুজুর পর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে র্যাব-১৪, সিপিসি-৩ টাঙ্গাইল ক্যাম্প ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং আসামীকে গ্রেফতারের জন্য কার্যক্রম গ্রহন করে। ৩। এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-১৪, সিপিসি-৩ টাঙ্গাইল ক্যাম্পের একটি চৌকষ আভিযানিক দল দীর্ঘ ০২ মাসের প্রচেষ্টায় তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় আসামীর বর্তমান অবস্থান নিশ্চিত হয়ে ১৩ নভেম্বর ২০২৫ তারিখ বিকাল ১৫.৩০ ঘটিকায় টাঙ্গাইল সদর থানাধীন মাহমুদ নগর নন্দবয়ড়া এলাকা হতে দেলদুয়ার থানার নাবালিকা কে জোরপূর্বক ধর্ষণ করার অভিযোগে মোঃ সোনা মিয়া মকরম (৩০), থানা-দেলদুয়ার, জেলা-টাঙ্গাইলকে গ্রেফতার করা হয়।