У нас вы можете посмотреть бесплатно আমেরিকার চিকিৎসা পদ্ধতি কেমন? ॥ যুক্তরাষ্ট্রের চিকিৎসা সেবা দেখতে চান? или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
আমেরিকার চিকিৎসা পদ্ধতি কেমন? আমরা জানতাম বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাশালী রাষ্ট্র আমেরিকা। শিক্ষাব্যবস্থা অনেক উন্নত। অর্থনৈতিক অবস্থা ও তাদের আকাশচুম্বী। শিক্ষা সংস্কৃতিতে আজও শ্রেষ্ঠত্ব অধিকার করে আছে। আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্র যুক্তরাজ্য । কিন্তু চিকিৎসা ব্যবস্থা দেখে মনে হল। আমেরিকার চিকিৎসা ব্যবস্থা মনে হয় 100 বছর আগের ব্যবস্থাপনার নীতি তারা গ্রহণ করে। অর্থনৈতিক দিক থেকে যেমন শক্তিশালী। চিকিৎসা ব্যবস্থা ও শক্তিশালী হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু করোনা রোগীদের চিকিৎসা ব্যবস্থা দেখে মনে হল ক্যানাডা ব্রাজিল-স্পেন ভারত চীন। এইসব দেশ থেকেও তারা পিছিয়ে। করোনায় যেভাবে মানুষ মরেছে বিশ্বের সমস্ত দেশে। আমরা তাদের চিকিৎসা দিতে দেখেছি। নতুন কোনো চমক দেখাতে পারে নাই চিকিৎসা ক্ষেত্রে আমেরিকা। তবে আমেরিকার প্রেসিডেন্টের ছিল। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতি কড়া হুঁশিয়ারি। যদি নতুন কিছু আবিষ্কার করতে না পারো। বা নতুন কিছু দিতে না পারো করোনা রোগের জন্য। তাহলে আমরা তোমাদের থেকে আলাদা হয়ে যাবো । আমেরিকার চিকিৎসা খরচ চিকিৎসা ব্যবস্থা বিশ্বের অন্য কোন দেশের চেয়ে দুর্বল মনে হলেও। কিন্তু খরচ অত্যন্ত বেশি। করোনা রোগীদের জন্য নয় অন্যান্য রোগীদের ক্ষেত্রে। চিকিৎসা খরচ রোগীদের জন্য অনেক বেশি। ইকোনমিক কোঅপারেশন এন্ড ডেভেলপমেন্ট নামে একটি সংগঠন আছে। তারা বলেছেন আমেরিকার সবচেয়ে বেশি অর্থ খরচ করেন চিকিৎসা খাতে। ন্যাশনাল হেল্প এক্সপেন্ডিচার থেকে একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ১৯১৮ সালের আমেরিকার প্রতি নাগরিকের প্রতি খরচ ছিল। চিকিৎসা বাবদ ঘরের 10,000 ডলার এর মত। অন্যান্য দেশের তুলনায় যা অনেক বেশি। অথচ সুইজারল্যান্ড সহ আরো অনেক দেশ আছে যাদের ব্যয় ছিল প্রায় আট হাজার 900 ডলার এর মত যথাক্রমে জার্মানিতে 5000 হাজার 728 ডলার সুইডেনের 5000 হাজার 511 ডলার অস্ট্রেলিয়াতে 5000 হাজার 540 ডলার এই খরচ ধরা হয় । একটি দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার পরে মাথা পথি খরচ।। আমেরিকা মাথা প্রতি এত বেশি খরচ করল। চিকিৎসা ক্ষেত্রে পিছিয়ে কেন আমেরিকা। সবচেয়ে বেশি খরচ করার পরেও চিকিৎসা ক্ষেত্রে পিছিয়ে কেন। অধিকাংশ ব্যয় করা হয় নতুন নতুন প্রতিষ্ঠান তৈরীর কাজে এবং hospital-clinic এর ক্ষেত্রে তারা অনেক উন্নত বিশেষ করে প্রশিক্ষণ দেয় অভিজ্ঞ নার্স তৈরি করার পিছনে ব্যয় করে অভিজ্ঞ ডাক্তার তৈরি করার পিছনে। অভিজ্ঞ ডাক্তার ও নার্স থাকলে একদিন হয়তো উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে পারবে। তাই বাজেটের অধিকাংশ খরচের দিকটা ডাক্তার নার্স চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত কর্মীদের পিছনে খরচ করেন । এবং নতুন নতুন চিকিৎসা কেন্দ্র তৈরি করার পিছনে তারা বদ্ধপরিকর স্বাস্থ্য বীমা ব্যবস্থা অন্যান্য দেশের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রের চিকিৎসা ব্যবস্থা আলাদা এবং জটিল। সেখানে স্বাস্থ্যখাতকে মানব কল্যাণের চেয়ে একটি মাল্টি বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা হিসেবে দেখা হয়। আর এই ব্যবসাটি হয় তাদের বিভিন্ন স্বাস্থ্য বীমা থেকে। বীমা কোম্পানিগুলো চিকিৎসা ব্যয় কমানোর জন্য কাজ করে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে তিন ধরনের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা চালু আছে। এগুলো হচ্ছে- সরকারি বীমায় চিকিৎসা, বেসরকারি বীমায় চিকিৎসা এবং অল্প কিছু স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান। সরকারি বীমার মধ্যে রয়েছে মূলত মেডিকেয়ার এবং মেডিকেইড নামক প্রতিষ্ঠান। গবেষণায় উঠে এসেছে, যুক্তরাষ্ট্রে হাসপাতালগুলোর প্রশাসনিক খাতে যে খরচ হয়, তা চিকিৎসা খাতের মোট ব্যয়ের ৮%। অন্যান্য দেশগুলোতে যা ১-৩% এর বেশি নয়। প্রশাসনিক ব্যয়ের কারণ ভিন্নরকম বীমার ব্যবস্থা। মেডিকেয়ার, মেডিকেইড ছাড়াও বিভিন্ন বীমার জন্য বিভিন্ন রকম প্রক্রিয়া থাকে। তাই হাসপাতালকে রোগীদের বিল তৈরির কাজও করতে হয় ভিন্নভাবে। এতে ডাক্তার বা হাসপাতালকে চিকিৎসার চেয়ে প্রশাসনিক কাজেই সময় বেশি দিতে দেখা যায়। ওষুধের মাত্রাতিরিক্ত দামও চিকিৎসা ব্যয় বেশি হওয়ার কারণ। আমেরিকায় ফার্মাসিউটিকেলসের পেছনে মাথাপিছু ব্যয় ১,৪৪৩ মার্কিন ডলার। সেখানে অন্যান্য দেশের মাথাপিছু গড় ব্যয় ৭৪৯ মার্কিন ডলার। সবচেয়ে কাছাকাছি সুইজারল্যান্ডে এই ব্যয় ৯৩৯ মার্কিন ডলার। এছাড়া অস্ত্রোপচার ও রোগ নির্ণয়ের পরীক্ষাগুলোও অন্যান্য দেশের তুলনায় ব্যয়বহুল। ২০১৩ সালে হৃৎপিণ্ডের বাইপাস সার্জারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রে গড়ে খরচ হতো ৭৫,৩৪৫ মার্কিন ডলার। অন্যদিকে, নেদারল্যান্ড ও সুইজারল্যান্ডে এই খরচ ছিলো যথাক্রমে ১৫,৭৪২ ও ৩৬,৫০৯ মার্কিন ডলার। এমআরআই করতে যুক্তরাষ্ট্রে খরচ ১,১৪৫ মার্কিন ডলার, অস্ট্রেলিয়ায় যা ৩৫০ মার্কিন ডলার। এসব খাতে উচ্চমূল্যের কারণ হিসেবে দেখানো হয় যে, এগুলো গবেষণা ও মানোন্নয়নের কাজে ব্যবহার করা হয়। কিন্তু গবেষকরা এই ব্যাখ্যা সন্তুষ্টজনক মনে করছেন না। আমেরিকায় চিকিৎসা ব্যবস্থা অনেক উন্নত এবং তাদের চিকিৎসকরাও অনেক যোগ্যতাসম্পন্ন। কিন্তু সাধারণ আমেরিকান জনগণের জন্য নিজেদের চিকিৎসা নেয়া এক বিরাট বোঝা। অন্যান্য দেশে যেখানে সমন্বিত চিকিৎসা পদ্ধতি রয়েছে, আমেরিকায় স্বাস্থ্য বীমাগুলোর বৈচিত্র্যই চিকিৎসা ব্যবস্থাকে জটিল করেছে। বিভিন্ন সময়ে একে সমন্বিত করার চেষ্টা করা হলেও বীমা কোম্পানিগুলোর বিরোধিতায় তা হয়নি। বিশেষজ্ঞরা কাজ করে যাচ্ছেন কীভাবে এই ব্যয়কে সাধারণ জনগণের সাধ্যের মধ্যে আনা যায় তা নিয়ে। তবে খুব দ্রুতই যে বদলাচ্ছে না, তা চোখ বন্ধ করে বলে দেয়া যায়। #আমেরিকার_চিকিৎসা_পদ্ধতি #আমেরিকা #usa #umme