У нас вы можете посмотреть бесплатно প্রকৃতির নিবিড় ছোঁয়া বরিশালের সাতলার শাপলা রাজ্যে |Barisal Part 2 или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
প্রকৃতির নিবিড় ছোঁয়া বরিশালের সাতলার শাপলা রাজ্যে.... Part 1: • Dhaka to Barisal by Launce | ঢাকা টু বরিশা... Voiceover : Jannatul Fardous Nisa / noumi.sanida গ্রামের নাম সাতলা। আর সাতলা গ্রামের আকর্ষণ ও পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে বিশেষ খ্যাতি রয়েছে লাল শাপলার। কেউ কেউ এটিকে আবার লাল শাপলার স্বর্গরাজ্য হিসেবেও অভিহিত করে থাকেন। তবে সাতলা নামের সঙ্গে শাপলার কোনো সম্পর্ক আছে কি না, এমন প্রশ্নের কোনো উত্তর নেই স্থানীয়দের। বিলে ঠিক কত আগে থেকে এভাবে শাপলা জন্মাতে শুরু করেছে, তার কোনো সঠিক তথ্যও দিতে পারেননি স্থানীয়রা। এই বিলে শুধু শাপলাই ফোটে না, শীতের মৌসুমে যখন পানি কমে যায়, তখন সব শাপলা মরে যায়, কৃষকরা এখানে ধান চাষ করেন। সাধারণত সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে এই বিলে লাল শাপলা ফুল ফোটে। #গ্রামের পরিচিতিঃ সাতলা বর্তমানে একটি পর্যটকমুখী এলাকা হলেও এটি একটি বিলের নাম। একসময়ে বর্ষাকালে এটা সম্পূর্ণ ডুবে যেত। স্বাধীনতার পরে তৎকালীন মন্ত্রী আবদুর রব সেরনিয়াবাত প্রথম সাতলায় বাঁধ দেওয়ার কাজ শুরু করেন। তারপর বিল থেকে বিশাল এলাকা উত্থিত হয়ে বর্তমানে মনোরম এলাকায় পরিণত হয়েছে সাতলা গ্রাম। এই বিলে প্রাকৃতিকভাবে শাপলা ফোটে। ছোট নদী, হাওর ও বিলবেষ্টিত ছোট গ্রাম সাতলা। বরিশাল সদর থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত উজিরপুর উপজেলার সাতলা ইউনিয়ন। যতদূর চোখ যায় শুধু সবুজ আর সবুজ। সবুজের মধ্যেই চোখে পড়ে লাল শাপলার আভা। কিছুটা সামনে গেলেই নিজ অস্তিত্বের জানান দেয় ফুটন্ত লাল শাপলা আর আস্তে আস্তে পরিষ্কার হতে থাকে সবুজের মাঝে লাল শাপলার অবস্থান। গ্রামের মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া বাস চলাচলের রাস্তাটি গ্রামটিকে এনে দিয়েছে গতিময়তা। আর বিলের মাঝে ফুটন্ত লাল শাপলা গ্রামটিকে করেছে পরিপাটি। গ্রামের সাদাসিধে লোকজনের অতিথিপরায়ণতা আপনাকে মানসিকভাবে করে তুলবে প্রাণবন্ত। #কীভাবে ঘুরবেনঃ লাল শাপলার বিলে ঘোরার জন্য অবশ্যই নৌকার প্রয়োজন হবে। এ জন্য সাতলার নয়াকান্দির মতি মিয়ার শরণাপন্ন হতে পারেন। সামান্য পারিশ্রমিকের বিনিময়ে ঘোরার জন্য আপনাকে নৌকার ব্যবস্থা করে দেবে। নৌকা ও লোকজনের পরিমাণভেদে নৌকায় ভ্রমণের জন্য এ খরচের পরিমাণ ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা হতে পারে। আর ঘুরতে বেরোনোর সময় অবশ্যই সঙ্গে ক্যামেরা নিতে ভুলবেন না। কারণ, এই মনোমুগ্ধকর পরিবেশকে দ্বিতীয়বার স্মরণ করতে চাইলে ক্যামেরায় তোলা ছবির বিকল্প নেই। ঘুরতে ঘুরতে শাপলার পাতার ওপর দেখা মিলতে পারে ছোট-বড় সাপের। ভয়ের কারণ নেই, এগুলো আপনার কোনো ক্ষতি করবে না। তবে সাবধানে দূরত্ব বজায় রাখাই শ্রেয়। #কিভাবে যাবেনঃ ঢাকার সদরঘাট থেকে লঞ্চযোগে পয়সারহাট বা বৈঠাকাটাগামী যুবরাজ বা তরীকা-২ লঞ্চে হারতা নেমে খুব সহজে সাতলায় আসতে পারেন। ডেকের ভাড়া ২৫০-৩০০ এবং সিঙ্গেল কেবিন ১০০০-১২০০। এ ছাড়া ঢাকা-বরিশাল লঞ্চে বরিশাল শহরে এসে সাতলা যেতে পারেন। নথুল্লাবাদ বাসস্টেশন থেকে ৩০ মিনিট পরপর সরাসরি সাতলার উদ্দেশে বাস ছাড়ে, যেখানে জনপ্রতি ভাড়া ৯০ টাকা। এ ছাড়া বরিশাল থেকে মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার কিংবা মাহিন্দ্রা ভাড়া করেও যাওয়া যায়, এতে ৫০০ থেকে চার হাজার টাকার মতো বাহনভেদে যাওয়া-আসায় খরচ পড়বে। কেউ চাইলে ঢাকা-হুলারহাট-ভাণ্ডারিয়ার এমভি মহারাজ, ফারহান-১০, অগ্রদূত প্লাস, রাজদূত-৭ ইত্যাদি লঞ্চে (ডেকের ভাড়া ২৫০-৩০০ এবং সিঙ্গেল কেবিন ১০০০-১২০০) স্বরূপকাঠি নেমে স্থানীয় ট্রলারযোগে মিয়ারহাট থেকে বৈঠাকাটা-চৌমোহনা হয়ে সাতলা যেতে পারেন। ট্রলারে যাওয়ার জন্য যাতায়াত বাবদ ১৫০০-২৫০০ টাকা লাগবে। কেউ স্থলযোগে বাসে আসতে চাইলে হানিফ, সাকুরা, সোনারতরী বা বিআরটিসি বাসে সরাসরি বরিশাল এসে সাতলার বাসে যেতে পারেন। আর স্বরূপকাঠি পর্যন্ত বাসে আসার জন্য হানিফ, সোনারতরী বা সুগন্ধা পরিবহনে আসতে পারেন। You Can Share your Ideas In comment Box ================================== Contact: Facebook “: - / tanvir.niloy.733 Instagram : - / tanvirkhan.niloy Gmail: - tanvirnilay@outlook.com Page: - / tanvirs.creation.007 Group: - / 661587567899888 Music used from – • Soft Background Music | Royalty Free Piano... • Serious Documentary - by AShamaluevMusic (... Thanks for Watching #satla sapla bil #barisal