У нас вы можете посмотреть бесплатно "অবুঝ হৃদয়ের স্পন্দন"♥️তুই এমন একটা বাচ্চা মেয়েকে বিয়ে করেছিস? আরে এতো ঘুমের ঘরে ফিডার খাওয়ার.. или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
"অবুঝ হৃদয়ের স্পন্দন"♥️তুই এমন একটা বাচ্চা মেয়েকে বিয়ে করেছিস? আরে এতো ঘুমের ঘরে ফিডার খাওয়ার.. আরে রাফি এটা তো চুনো পুঁটি মাছ রে।হা হা হা.. সিরিয়াসলি তুই এমন একটা বাচ্চা মেয়েকে বিয়ে করেছিস...? আবে ইয়ার এ তো ঘুমের ঘরে ফিডার খাওয়ার জন্য বায়না ধরবে তোর কাছে... তাতে কি ? আমাদের রাফি তখন বৌ এর মুখে ফিডার দিয়ে বলবে বাবু খাও...(ব্যাঙ্গ করে বলল কথাটা) তবে যায় বলিস এতো দিনের "বাবু খাইছো" কথাটা রাফির ক্ষেত্রে একদম খাপে খাপ হয়েছে বুঝলি .. হাসির রোল পড়ে যায় তখন রাফির বন্ধুদের মুখে। রাফি নিজের রাগ আর কন্ট্রোল করতে পারে না। খাবার রেখে হাত ধুয়ে উঠে সোজা নিজের রুমে চলে আসে। রাফি যে ভীষণভাবে রেগে আছে বিষয়টা বুঝতে পারে সবাই । অপমান বোধ করে সব বন্ধুরা রাফি এভাবে উঠে যাওয়ায় । হাত ধুয়ে তাঁরা ও উঠে চলে যায় শুধু থেকে যায় জনি। সবাই চলে যাবার পর জনি রাফির রুমে আসে। দরজা টা ভিরিয়ে দিয়ে রাফির কাঁধে হাত রেখে জানতে চায় কি হয়েছে? জানি কে বুকে জড়িয়ে নিয়ে কিছু সময় পর সব খুলে বলে। রাফির একমাত্র ঘনিষ্ঠ বন্ধু হচ্ছে জনি। রাফিকে বন্ধুদের মাঝে জনি সবার থেকে বেশি বুঝে । একজন ভালো শুভাকাঙ্ক্ষী হিসেবে সব সময় রাফিকে জনি সাপোর্ট করে এসেছে। এখনো করবে। সেদিনের পর কেটে গেছে আরো দুইটা দিন। রাফি এই দুই দিন মায়ের সাথে কথা বলেনি। সকালে অফিসে চলে যায় আর সন্ধ্যায় বাসায় ফিরে আর বের হয় না রুম থেকে। রুবি না হয় রুনা রুমে খাবার দিয়ে আসে।এই দুই দিনে মমতা বেগম খুব যত্ন সহকারে টুসিকে অনেক কিছু বুঝিয়েছেন। টুসি ও লক্ষী মেয়ের মতন যত টুকু পেরেছে আস্তে আস্তে বুঝে নিয়েছে। টুসিকে তিনি স্কুলে ভর্তি করিয়ে দেবেন। মমতা বেগম চায় টুশি পড়াশোনা করবে তার দুই মেয়ের মত যতটা টুশি পড়তে চাইবে ততদূর। জীবন সম্পর্কে টুশিকে সব কিছু জানতে হবে বুঝতে হবে শিখতে হবে তার জন্য প্রয়োজন পড়াশোনা। পাশাপাশি মমতা বেগম চান ছেলে একাকি সময় কাটাক কিছু টা, তাই তিনি ও কিছু বলেন না। এভাবে সপ্তাহ পার হয়ে যায়। হঠাৎ একদিন রাতে মমতা বেগম রাফির রুমে আসে। মম কে রুমে আসতে দেখে রাফি শোয়া থেকে উঠে বসে। গম্ভীর মুখের রাফি বলে কিছু বলবে মম..? হিমম.. বলো কি বলবে..? আমার উপর ভীষণ রাগ তাই না তোমার? তবে আমি কিন্তু তোমার হাত পা বেঁধে রাখিনি রাফি। তোমাকে স্বাধীনতা যেমন দিয়েছি তেমন স্বাধীনভাবে বাঁচার অধিকার ও দিয়েছি। সেই হিসেবে তুমি সব কিছু ছেড়ে চলে যেতে পারতে। আমার কথা না ভাবলেও হতো তোমার! যদিও ধরে নিতাম আমার শিক্ষায় ভুল ছিল..