У нас вы можете посмотреть бесплатно বিহারীলাল চক্রবর্তীকে কেনো ভোরের পাখি বলা হয়? Biharilal Chakraborty или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
ফেসবুক পেজের লিঙ্ক: https://www.facebook.com/PracticeforB... আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম গীতিকবি বলা হয় #বিহারীলাল #চক্রবর্তীকে। ১৮৩৫ সালের ২৫ মে কলকাতার জোড়াবাগান অঞ্চলের নিমতলায় জন্মগ্রহণ করেন #বিহারীলালচক্রবর্তী। তার আদি নিবাস ফরাসডাঙ্গায়। গীতি কবিতার ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথের গুরু ছিলেন বিহারীলাল চক্রবর্তী। তিনি বাংলা সাহিত্যে আধুনিক গীতিকবিতার স্রষ্টা। এ জন্য রবীন্দ্রনাথ তাকে ‘#ভোরেরপাখি’ আখ্যা দিয়েছেন। বিহারীলাল চক্রবর্তী ১৮৫৯ সালে ‘#পূর্ণিমা’, ১৮৬৩ সালে ‘#সাহিত্যসংক্রান্তি’ এবং ১৮৬৮ সালে ‘#অবোধবন্ধু’ পত্রিকা সম্পাদনা করেন। ১৮৯৪ সালের ২৪ মে #কলকাতায় মারা যান বিহারীলাল চক্রবর্তী। #বিহারীলাল #চক্রবর্তীকে কেন #ভোরের পাখি বলা হয়? বিহারীলাল চক্রবর্তী বাংলা ভাষায় প্রথম ব্যক্তির #আত্মলীনতা, ব্যক্তিগত #আবেগ-অনুভূতি ও গীতচ্ছ্বাস সহযোগে কবিতা রচনা করে নতুন এক ধারা সৃষ্টি করেন। যার কারণে #রবীন্দ্রনাথ #ঠাকুর তাকে ‘#ভোরের পাখি’ আখ্যা দেন। বিহারীলাল চক্রবর্তী রচিত কাব্যগ্রন্থ: #বঙ্গসুন্দরী: এটি তার প্রথম সার্থক গীতি কবিতা। এ কাব্যের বিখ্যাত উক্তি... ‘সর্বদা হু হু করে মন বিশ্ব যেন মরুর মতন চারিদিকে ফালাফালা উঃ কি জ্বলন্ত জ্বালা অগ্নিকুণ্ডে পতঙ্গপতন।’ #সাধেরআসন ১৮৮৯ সালে রচিত ‘#সারদামঙ্গল’ কাব্যের পরিশিষ্ট হলো ‘সাধের আসন’। বিহারীলালের ‘#সারদামঙ্গল’ পড়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বৌদি কাদম্বরী দেবী নিজের হাতে একটা আসন বুনে কবিকে উপহার দেন। আসনের ওপর প্রশ্নচ্ছলে কার্পেটের অক্ষরে ‘সারদামঙ্গল’ কাব্যের কয়েকটা লাইন লেখা ছিল। এর উত্তরে কবি রচনা করেন একটি কাব্য। কাদম্বরী দেবীর উপহারের কথা স্মরণ করেই বিহারীলাল চক্রবর্তী এ কাব্যের নামকরণ করেন ‘সাধের আসন’। অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ ১৮৫৮ সালে রচনা করেন ‘#স্বপ্নদর্শন’। ১৮৬২ সালে ‘#সঙ্গীতশতক’। ১৮৭০ সালে রচনা করেন ‘#নিসর্গসন্দর্শন’, ‘#বন্ধুবিয়োগ’ ও ‘#প্রেমপ্রবাহিনী’। ১৮৭৯ সালে ‘#সারদামঙ্গল’। ১৮৮১ সালে ‘#নিসর্গসঙ্গীত’। ১৮৮২ সালে ‘#মায়াদেবী’ ও ‘#দেবরাণী’। ১৮৮৭ সালে ‘#বাউলবিংশতি’। ১৮৯৯ সালে ‘#ধূমকেতু’। সারদামঙ্গল কাব্যের পরিচয় বিহারীলালের সর্বশ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ হলো ‘#সারদামঙ্গল’। এটি পাঁচ খণ্ডে স্তবকময় মাধুর্যপূর্ণ ভাষায় রচিত। এ কাব্যে দেখা যায়, শুরুতে কবির মনোজগতে এক কাব্যলক্ষ্মীর আবির্ভাব, লক্ষ্মীর উদ্দেশে কবির মানসভ্রমণ, কবিচিত্তের দ্বন্দ্ব এবং হিমালয়ের উদার প্রকৃতির মধ্যে প্রশান্তি লাভ। সবশেষে হিমালয়ের পূর্ণভূমিতে কবির আনন্দ উপলব্ধির চিত্র। #শেলির মতো বিহারীলালও তার প্রিয়তমার মধ্যে সারদাকে অণে¦ষণ করেছেন এবং দীর্ঘ বিরহের পর হিমাদ্রি শিখরে ভাব সম্মিলনের চিত্র অঙ্কন করে কবি কাব্যের পরিসমাপ্তি টেনেছেন। বিহারীলাল সম্পকে বিগত পরীক্ষায় আসা প্রশ্ন বাংলা সাহিত্যের সর্বাধিক সমৃদ্ধ ধারা কোনটি? আধুনিক বাংলা গীতিকবিতার প্রথম কবি কে? বাংলা গীতিকবিতায় ভোরের পাখি কে? বিহারীলাল চক্রবর্তীকে ভোরের পাখি আখ্যা দিয়েছেন কে?