У нас вы можете посмотреть бесплатно ট্রাম্পের সঙ্গে চরম সঙ্ঘাতে মোদি। বাংলাদেশে জরুরি ব্যবস্থা নিতে চলেছে ভারত или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
সম্প্রতি ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আপনার উল্লেখ করা বিষয়গুলোর সত্যতা ও বিস্তারিত তথ্য নিচে তুলে ধরা হলো। বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ভারত একই সাথে আমেরিকা ও বাংলাদেশের সঙ্গে জটিল কূটনৈতিক সঙ্কটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এখানে মূল পয়েন্টগুলোর বিস্তারিত বিশ্লেষণ দেওয়া হলো: ১. ট্রাম্প ও মোদির মধ্যে চরম সংঘাত (Trump-Modi Conflict) ডোনাল্ড ট্রাম্প পুনরায় ক্ষমতায় আসার পর ভারতের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্কে বড় ধরনের ফাটল ধরেছে। ব্যক্তিগত সখ্যের (Bromance) কথা বলা হলেও বাস্তবে পরিস্থিতি ভিন্ন: বাণিজ্য ও শুল্ক যুদ্ধ: ট্রাম্প প্রশাসন ভারতের ওপর চাপ বাড়িয়েছে, বিশেষ করে ভারত কর্তৃক রাশিয়া থেকে তেল কেনা নিয়ে। ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, ভারত যদি রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য অব্যাহত রাখে, তবে তাদের ওপর ৫০% থেকে ৫০০% পর্যন্ত শুল্ক (Tariff) আরোপ করা হতে পারে। ভেস্তে যাওয়া বাণিজ্য চুক্তি: খবর অনুযায়ী, ভারত ও আমেরিকার মধ্যে একটি বড় বাণিজ্য চুক্তি হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু শেষ মুহূর্তে তা ভেস্তে যায়। ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, একটি নির্দিষ্ট 'ডেডলাইন'-এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী মোদি ট্রাম্পকে ফোন না করায় ট্রাম্প ক্ষুব্ধ হন এবং চুক্তিটি বাতিল করেন। রাহুল গান্ধীর কটাক্ষ: এই পরিস্থিতি নিয়ে ভারতের বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী মোদিকে কটাক্ষ করে বলেছেন যে, ট্রাম্পের ধমকের মুখে ভারতের পররাষ্ট্রনীতি দুর্বল হয়ে পড়েছে। ২. বাংলাদেশ নিয়ে ভারতের জরুরি ব্যবস্থা (India's Stance on Bangladesh) "জরুরি ব্যবস্থা" বলতে ভারত বর্তমানে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে বেশ কিছু কঠোর ও নজিরবিহীন পদক্ষেপ নিয়েছে, যা কূটনৈতিকভাবে 'জরুরি অবস্থা'র মতোই গুরত্বপূর্ণ: মিশন ও ভিসা কার্যক্রম বন্ধ: নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে ভারত বাংলাদেশে তাদের বেশ কয়েকটি মিশনের ভিসা কার্যক্রম সাময়িক বা আংশিক বন্ধ/স্থগিত রেখেছে। এটি দুই দেশের সাধারণ মানুষের যাতায়াতে বড় প্রভাব ফেলেছে। একে এক ধরনের 'ডিজিটাল আয়রন কার্টেইন' বা কূটনৈতিক অবরোধ হিসেবেও দেখা হচ্ছে। সংখ্যালঘু নির্যাতন ও কড়া বার্তা: বাংলাদেশে হিন্দু সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনায় ভারত অত্যন্ত কড়া ভাষায় নিন্দা জানিয়েছে এবং অবিলম্বে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এসব ঘটনাকে নিছক রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত বিরোধ বলে উড়িয়ে দেওয়া যাবে না। টি-২০ বিশ্বকাপ বিতর্ক: বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (BCB) নিরাপত্তার অজুহাতে ২০২৬ সালের টি-২০ বিশ্বকাপের ভেন্যু ভারত থেকে সরিয়ে নেওয়ার জন্য আইসিসির (ICC) কাছে আবেদন করেছিল। তবে আইসিসি সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছে। এটি ভারতের জন্য একটি কূটনৈতিক বিজয় হলেও দুই দেশের সম্পর্কের তিক্ততা নির্দেশ করে। সীমান্ত ও নিরাপত্তা: ভারত সীমান্তে কড়াকড়ি আরও বাড়িয়েছে এবং বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সঙ্গে সম্পর্কের বরফ না গলায় ভারত 'ধীরে চলো' বা 'কঠোর পর্যবেক্ষণ' নীতিতে অটল রয়েছে। সারসংক্ষেপ আপনার শিরোনামটি বর্তমান পরিস্থিতির সঠিক প্রতিফলন। ভারত এখন 'দ্বিমুখী চাপে' (Two-front pressure) রয়েছে। একদিকে ট্রাম্পের অর্থনৈতিক ও শুল্কের চাপ, অন্যদিকে প্রতিবেশী বাংলাদেশের সঙ্গে ঐতিহাসিক সম্পর্কের অবনতি ও নিরাপত্তার ঝুঁকি।