У нас вы можете посмотреть бесплатно ডা. দেবী শেঠি'র পরামর্শ: হার্ট সুস্থ রাখতে ও হার্ট অ্যাটাক হলে কী করবেন? DR. DEBI SETHI'S ADVISES или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
ডা. দেবী শেঠি’র পরামর্শ: হার্ট সুস্থ রাখতে ও হার্ট অ্যাটাক হলে বিশ্ব হার্ট দিবসে হার্ট সুস্থ রাখতে, প্রখ্যাত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জন ডা. দেবী শেঠি ১০ পরামর্শ দিয়েছেন। প্রতি বছর হৃদরোগে অনেক মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। ডা. শেঠীর পরামর্শ মতো একটু সতর্কতা ও নিয়ম মেনে চললে আপনিও এ রোগ থেকে বাঁচতে পারেন। ভারতের এ সার্জন দেশটির নারায়ণা ইনস্টিটিউট অব কার্ডিয়াক সায়েন্সেসের প্রতিষ্ঠাতা। তিনি বাংলাদেশে বিশেষভাবে পরিচিত। তিনি শত ব্যাস্ততা ফেলে তার দেশের বন্ধু সরকারের মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের অসুস্থতায় ঢাকায় এসেছিলেন। আসুন তাহলে জেনে নেই হার্ট সুস্থ রাখতে ডা. দেবী শেঠির সেই ১০ পরামর্শ কি কি- তিনি বলেছেন- শর্করা ও চর্বিজাত খাবার কম খেয়ে আমিষের পরিমাণ বাড়াতে হবে। সপ্তাহে ৫ দিন আধা ঘণ্টা করে হাঁটতে বলেছেন এবং এর পাশা পাশি লিফটে চড়া ও একটানা বেশি সময় বসে না থাকার ব্যাপারে সতর্ক করেছেন। সবাই জানেন ধুমপান হৃদরোগের প্রধান শত্রু, সেটাকে সারা জীবনের জন্য ত্যাগ করতে তিনি বলেছেন। এলোমেলো লাইফস্টাইলে দেহের সাইজ বেমানান করা একদম যাবেনা। তাই শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। হৃদরোগ দেখা দেয়ার আগেই রক্তচাপ ও সুগারের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। আর হৃদরোগ ধরা পরলেতো কথাই নেই। কঠিন ভাবে রক্তচাপ ও সুগারের পরিমান আয়ত্তের বাইরে নেয়া যাবেনা। যাদের বয়স ৩০ পার হয়েছে তাদের সবার উচিত নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা। ডা. দেবী শেঠি বলেছেন - জীবনের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির ইতিবাচক পরিবর্তন করতে হবে। দেবী শেঠীর মতে জগিং না করে হাঁটতে হবে।তার মতে জগিং করলে মানুষ দ্রæত ক্লান্ত হয়ে পরে এবং জয়েন্টে ব্যথা হয়। অনেকের মধ্যে অনিয়মিত খাদ্যাভাস, জাঙ্ক ফুড খাওয়ার প্রবনতা আছে। তিনি নিয়মিত খাদ্যাভাসে গুরুত্ব দিয়েছেন এবং জাঙ্কফুড খেতে না করেছেন। নিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভাস, হাঁটাহাঁটি এবং আখরোট খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন । ফল ও সবজি খান প্রচুর পরিমাণে। তৈলাক্ত খাবার খাবে না। এছাড়া নিয়মিত রক্ত পরীক্ষা, সুগার এবং কোলেস্টেরলের স্বাভাবিক মাত্রা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হবে। তাছাড়া রক্তচাপ পরিমাপও জরুরি। হার্ট অ্যাটাক হলে কী করবেন? সে ব্যপারে প্রখ্যাত এই হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জনের পরামর্শ হচ্ছেঃ হার্ট অ্যাটাকের কিছু সতর্ক সংকেত তাহলে জেনে নেয়া যাক: বুকে অস্বস্তি ও চাপবোধ করা, ব্যথা হওয়া এক বার দু হাতের বাহুতে, চোয়ালে, ঘাড়ে, পেছনে অথবা পাকস্থলিতে ব্যথাবোধ করা বুকে ব্যথা বাড়তে থাকলে এবং নাইট্রোগিøসারিন জিহŸার নিচে দেয়ার পরেও না কমলে এ ধরণের অবস্থা দেখলে বিলম্ব না করে রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে ডা. দেবী শেঠী’র মতে হার্ট অ্যাটাক হলে রোগীকে প্রথমে শুইয়ে দিতে হবে। এরপর জিহŸার নিচে একটি অ্যাসপিরিন ট্যাবলেট রাখতে হবে। যদি হাতের কাছে পাওয়া যায় তবে অ্যাসপিরিনের পাশাপাশি একটি সরবিট্রেট ট্যাবলেটও জিহŸর নিচে রাখতে হবে। এরপর দ্রত হাসপাতালে নেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন - হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীর প্রথম এক ঘণ্টার মধ্যেই সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়।