У нас вы можете посмотреть бесплатно টেক্সটাইল শিল্পে পাট কতটা গুরুত্বপূর্ণ ন্যাচারাল ফাইবার হিসেবে-Why jute is an instant natural fiber или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
পাট একটি অন্যতম সহজলভ্য ন্যাচারাল ফাইবার এবং বহুমুখী ব্যবহার ও উৎপাদনের দিক দিয়ে তুলার পরেই এর অবস্থান।পাটকে সোনালি আঁশ নামে অভিহিত করা হয়।অর্থনৈতিক,কৃষিজ,শিল্প ও বানিজ্য এরকম প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে পাট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।বাংলাদেশের জন্য এই পাটশিল্প প্রচুর সম্ভাবনাময় যদি এর সঠিক মূল্যায়ন আমরা দিতে পারি। ▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬ ইতিহাসঃ পাট এর জনপ্রিয়তা প্রায় কয়েক শতক ধরেই চলে আসছে।আফ্রিকা ও এশিয়া মহাদেশের মানুষ পাটের তৈরি পোশাক পরিধান করত।এমনকি তারা সুতা পাকানো ও দড়ি তৈরি থেকে শুরু করে গৃহস্থলীর বিভিন্ন কাজেও পাটের ব্যবহার করত হাতে তৈরি মাধ্যমে।আর চাইনিজরা কাগজ তৈরি ও বিভিন্ন কাঁচামাল তৈরিতে ব্যবহার করত।ব্রিটিশ শাসনামলে এর ব্যাপক উৎপাদন ও ব্যবহার শুরু হয়।স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে ১৯৭৩ সালে পাট বিভাগ চালু করা হয় এবং পশ্চিম পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠিত পাটকারখানাগুলো সরকারিকরন করা হয়। এরপর থেকেই বাংলাদেশের জন্য পাট এক অপার সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেয়। ▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬ টেক্সটাইলে পাটঃ হোসিয়েরি ফেব্রিক,হেসিয়ান ফেব্রিক,আঞ্জি কিংইয়াম ইত্যাদি সহ বিশেষ ধরনের ফেব্রিক তৈরি করা হয় পাট থেকে। এছাড়াও বস্তা,কটনের মোড়ক,পর্দা,কার্পেট,ফার্নিচার কভারিং,মোটা ফেব্রিকসহ হাজার রকমের টেক্সটাইল পণ্য তৈরির জন্য টেক্সটাইলে পাটের গুরুত্ব অপরিসীম। টেকনিক্যাল টেক্সটাইলে পাটঃ এগ্রোটেকঃ ক্যানভাস ক্লোথ ও টারপোলিন বিল্ডটেকঃ জুট লেমিনেটস ক্লোথটেকঃ জুট এন্ড ব্লেন্ডেড ফেব্রিক্স জিওটেকঃসয়েল সেভার মোবিল্টেকঃ সাউন্ড এন্ড হিট ইন্স্যুলেশন প্রোডাক্ট,সিট ব্যাকিং ফেব্রিক,অটোকারপেট প্যাকটেকঃ লাগেজ ফেব্রিক,হেসিয়ান ক্লোথ,মোড়ক প্রোটেকঃশিখা ও ছত্রাক প্রতিরোধী ফেব্রিক অয়েকোটেকঃক্যানভাস ক্লোথ ও টারপোলিন ▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬ পাটশিল্পে বাংলাদেশের সম্ভাবনাঃ বাংলাদেশে পাট এর এক বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে।পাটের শপিংব্যাগ, পলিথিনসহ ২৮১ ধরনের পাটপণ্য উৎপাদিত হচ্ছে দেশে।দেশে এখন প্রায় ২৫ লক্ষ টন পাট উৎপাদন হচ্ছে।২০১৮ - ২০১৯ অর্থবছরে পাটজাত পণ্য রপ্তানিকরে আমাদের আয় হয় $৪২.১০ কোটি ডলার। এদিকে ২০১৯ অর্থবছরে পাট থেকে আয় হয় $৫১.১৭ কোটি ডলার।বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে পাট পণ্যের চাহিদা প্রায় ৭.৫০ লাখ মেট্রিক টন এবং এর মধ্যে যা বাংলাদেশ রপ্তানি করে ৪.৬০ লাখ মেট্রিক টন। যা প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকেও বেশি।দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার প্রায় ৩ শতাংশ পাট থেকে আসে এবং দেশের জিডিপিতে এর অবদান প্রায় শতকরা ৫ ভাগ। ▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬ পাট সোনালী আঁশ নাকি দীর্ঘ শ্বাস! কালের বিবর্তনে এশিয়ার সবচেয়ে বড় পাটকল আদমজী বন্ধ হয়েছিল ।যার ফলে শ্রমিকরা এখন মানবেতর জীবন যাপন করছে ।বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ জুট মিলস্ করপোরেশনের (বিজেএমসি) আওতায় ২৬টি পাটকলের মধ্যে বর্তমানে চালু আছে ২৫টি(২২টি পাটকল+৩টি জুট কারখানা)।পাটকলগুলোতে মতান্তরে প্রায় ৭০ হাজার শ্রমিক এখন অধিকার বঞ্চিত। হাড়ভাঙা খাটুনি খেটেও তারা প্রাপ্য ও ন্যায্য মজুরি পান না। কয়েক বছর আগে পাটকল শ্রমিকদের জাতীয় মজুরি স্কেল ঘোষণা করা হলেও আজও তার বাস্তবায়ন হয়নি। গত ৪ বছরে পাটকল শ্রমিকদের বর্ধিত মজুরি বকেয়া পড়েছে ১ হাজার ৬১২ কোটি টাকা।যদিও সরকার প্রতি বছরই পাটকলগুলোতে কোটি কোটি টাকা ভর্তুকি দেয় কিন্তু মজুরি পান না শ্রমিকরা। গত ২০১৭-১৮ অর্থবছরে সরকার বিজেএমসিকে ভর্তুকি দিয়েছে ৭৭ কোটি ২৯ লাখ টাকা। আর বিজেএমসি ঐ অর্থবছরে লোকসান দিয়েছে ৪৬৬ কোটি ২২ লাখ টাকা (সূত্র : দৈনিক সময়ের আলো, তাং- ৮/৪/১৯ইং)। এখন একগড়া পাট ছাড়াতে ৭০ টাকা দিতে হয়। পাট কাটাতে একটা মুনিসকে ২০০ টাকা, পাট কাটার পর বয়ে নিয়ে আসতে ২৫০ টাকা প্রতি মুনিস, পাট ডোবাতে গেলে মোটা অঙ্কের টাকা গুনতে হয়।যখন মুনিস খরচ ছিল ৫০ টাকা, পাট ছাড়ানো ১২ টাকা গড়া ছিল তখন পাট কুইন্টাল প্রতি আড়াই থেকে তিন হাজার টাকাতে বিক্রি হত। ▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬ করণীয়ঃ এ জন্য পাটকলগুলোর আধুনিকায়ন যেমন জরুরি, তেমনি বিজেএমসির কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শ্রমিকদের আন্তরিক হয়ে কাজ করাও জরুরি। অর্থাৎ লোকসানি এ প্রতিষ্ঠানটির দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা বন্ধ করে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে হবে।পাটপণ্যকে জনপ্রিয় করার জন্য দেশ ও দেশের বাইরে নানা ধরনের ক্যাম্পেইন করতে হবে৷ প্রশাসনের কিছু দক্ষ মানুষ থাকতে হবে যাঁরা দুনিয়া ঘুরে ঘুরে পাটপণ্যের মার্কেটিং করবেন৷ বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে পাটপণ্যবান্ধব সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে৷ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের অসংখ্য মানুষ বাস করেন৷ তাঁদের থেকে একজন করে ‘জুট এ্যাম্বাসেডর' হয়ে উঠতে হবে।প্রচুর গবেষনা ও উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার থাকাটা জরুরি।এক্ষেত্রে তরুনদের কাজে লাগাতে হবে। পুরো পৃথিবী পরিবেশ বান্ধব সাসটেইনেবল সলিউশনের রাস্তা খুচ্ছে।সেন্টার ফর বায়োলজিক্যাল ডাইভারসিটি বলছে, ২০৫০ সাল নাগাদ সমুদ্রে মাছের চেয়ে প্লাস্টিক বর্জ্যের পরিমাণ বেড়ে যাবে৷প্লাস্টিক এর ফলে পরিবেশ ধ্বংসের মুখে।পলিথিন ও প্লাস্টিকের অন্যতম রিপ্লেসমেন্ট হিসেবে পাটের ব্যবহার করা যেতে পারে। ▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬ This video includes content like : বাংলাদেশের সোনালী আঁশ পাট, Jute- the Golden fiber of Bangladesh, Textile video, Textile vlog Bangladesh Textile industry, Textile future, Textile Article etc Hey Lovely Viewer You Are Watching Your Favorite Youtube Channel TEC Channel. IF You Guys Enjoy Our Videos Then please Do Subscribe, For More Upcoming Videos And What Video You Want To See Comment Below ▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬ Enjoy & stay connected with us! ► Subscribe Now : https://youtube.com/@TEC71BD?si=MJpvJ... ►Group : / 1129177874618979 👉Like Our Facebook Page☑️ :- / tec71bd ▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬ ✅ 𝗠𝗔𝗞𝗘 𝗦𝗨𝗥𝗘 𝗬𝗢𝗨 𝗦𝗨𝗕𝗦𝗖𝗥𝗜𝗕𝗘𝗗 𝗧𝗢 𝗠𝗬 𝗖𝗛𝗔𝗡𝗡𝗘𝗟 & 𝗣𝗥𝗘𝗦𝗦 𝗧𝗛𝗘 𝗕𝗘𝗟𝗟 𝗜𝗖𝗢𝗡 𝗧𝗢 𝗚𝗘𝗧 𝗔𝗟𝗟 𝗡𝗢𝗧𝗜𝗙𝗜𝗖𝗔𝗧𝗜𝗢𝗡𝗦 𝗢𝗙 𝗠𝗬 𝗡𝗘𝗪 𝗩𝗜𝗗𝗘𝗢!