У нас вы можете посмотреть бесплатно চমৎকার রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন | বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম স্টেশন | Rajshahi Railway Station или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন বাংলাদেশের রাজশাহীতে অবস্থিত একটি রেলওয়ে স্টেশন। রাজশাহী বিভাগীয় শহরের শিরোইল বাস টার্মিনালের বিপরীত দিকে স্টেশটি অবস্থিত। এই রেল স্টেশনটি শহরের প্রধান স্টেশন, এবং ঈশ্বরদী-সিরাজগঞ্জ লাইন হয়ে ঢাকার সাথে সংযুক্ত। স্টেশনটি ঢাকা এবং চট্টগ্রাম রেলস্টেশনের পর বাংলাদেশ রেলওয়ের অন্যতম আধুনিক, বৃহত্তম এবং গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন। বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিম অঞ্চলের সদর দফতরটি এই স্টেশনের কমপ্লেক্সের মধ্যে অবস্থিত। ১৮৭৮ সালে, কলকাতা থেকে শিলিগুড়ি রেলপথটি দুটি ভাগে বিভক্ত ছিল। প্রথম ভাগটি ছিল পূর্ববঙ্গ রাজ্যের রেলপথ ধরে কলকাতা স্টেশন (বর্তমানে শিয়ালদহ) থেকে পদ্মা নদীর দক্ষিণ তীরের দামুকদিয়া ঘাট পর্যন্ত ১৮৫ কিমির পথযাত্রা, তারপর ফেরিতে করে নদীর পেরিয়ে দ্বিতীয় যাত্রা শুরু হত। উত্তরবঙ্গ রেলপথের ৩৩৬ কিলোমিটার মিটার গেজ লাইনটি পদ্মার উত্তর তীরের সারাঘাটকে শিলিগুড়ির সাথে সংযুক্ত করেছিল। রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনের প্ল্যাটফরমের সন্মুখভাগ কলকাতা-শিলিগুড়ির মূল লাইনটি পর্যায়ক্রমে ব্রডগেজে রূপান্তরিত হয়। হার্ডিঞ্জ ব্রিজটি ১৯১৫ সালে খোলা হয়, অন্যদিকে সারা-সিরাজগঞ্জ লাইনটি ১৯১৫-১৬ সালের মধ্যে সারা-সিরাজগঞ্জ রেলওয়ে কোম্পানি দ্বারা দ্বারা নির্মিত হয়। তারপরে ১৯৩০ সালে, আবদুলপুর-আমনুরা ব্রডগেজ লাইনটি সারা-সিরাজগঞ্জ লাইনের একটি শাখা হিসাবে খোলা হয়। তখন আবদুলপুর-আমনুরা শাখা লাইনের স্টেশন হিসাবে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন চালু হয়। ২০০৩ সালে স্টেশনের টার্মিনাল ভবন, প্ল্যাটফর্ম এবং ইয়ার্ডটি পুনর্গঠন এবং পুনঃনির্মাণ করা হয়। রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনটি সামনে থেকে অনেকটা পাখির মতো। স্টেশনের প্রধান প্রবেশ পথের আগেই সামনে রয়েছে গাড়িসহ অন্যান্য যানবাহনের পার্কিংয়ের সুবিশাল জায়গা। প্রধান স্টেশন ভবনের ডান পাশে আছে বিশ্রামাগার এবং টিকেট কাউন্টার। বাম পাশে আছে পুরুষ যাত্রীদের জন্য আরেকটি বিশ্রামাগার, রেলওয়ে ইনকোয়ারি, খাবার হোটেল, বইয়ের দোকান এবং ২ টি ফাস্টফুডের দোকান। প্লাটফর্ম এর ভিন্নতা এনে দিয়েছে এর বিশেষায়ীত ছাদ। চিরাচরিত কনক্রিটের ছাদের পরিবর্তে একটু ভিন্নধর্মী প্লাস্টিক দিয়ে ত্রিভুজ আকৃতির কয়েকটি অংশ দিয়ে ছাদ করা হয়েছে। মোট ৬ টি প্লাটফর্ম সহ প্রধান ভবনটি ৩ তলা বিশিষ্ট। বামপাশের দোতলাতে আছে মসজিদ আর দোতলা ও তিনতলাতে আছে একটি আবাসিক হোটেল। রেলওয়ে স্টেশন এর দুই পাশে দুইটি প্রবেশ পথ দিয়ে প্লাটফর্ম এ প্রবেশ করা যায়। এছাড়াও একটি প্লাটফর্ম আছে যা মূল স্টেশন ভবনের সাথে সরাসরি সংযুক্ত নয়। মূলত চাঁপাইনবাবগঞ্জ/রহনপুরগামী লোকাল ট্রেনসমূহ উক্ত প্লাটফর্মে থামে। স্টেশন ইয়ার্ডে ট্রেন ওয়াশ পিট ও ক্যরেজ শপ অবস্থিত। ওয়াশ পিটটি সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়। সাপ্তাহিক বিরতির দিন বাদে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন থেকে ঢাকা, উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গ পর্যন্ত বেশ কয়েকটি ট্রেন এই স্টেশনের মাধ্যমে চলাচল করে। আন্তঃনগর ট্রেনগুলোর মধ্যে সিল্কসিটি এক্সপ্রেস, পদ্মা এক্সপ্রেস, ধূমকেতু এক্সপ্রেস, বনলতা এক্সপ্রেস নামক চারটি ট্রেন ঢাকার পথে যাতায়াত করে।[৪] যার মধ্যে বনলতা এক্সপ্রেস একটি বিরতিহীন ট্রেন যা সরাসরি চাঁপাইনবাবগঞ্জ-রাজশাহী-ঢাকার মধ্যে চলাচল করে। বরেন্দ্র এক্সপ্রেস ও তিতুমীর এক্সপ্রেস ট্রেনদুটি উত্তরবঙ্গের নীলফামারী জেলার চিলাহাটি পর্যন্ত যাতায়াত করে এবং বাংলাবান্ধা এক্সপ্রেস ট্রেনটি পঞ্চগড় জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত চলাচল করে। কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস, সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস, টুঙ্গীপাড়া এক্সপ্রেস ও মধুমতি এক্সপ্রেস - এই চারটি ট্রেন দক্ষিণবঙ্গের খুলনা , গোপালগঞ্জ ও ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা পর্যন্ত যাতায়াত করে। আন্তনগর সাটল ট্রেনটি রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জের মধ্যে চলাচল করে এবং ঢাকাগামী পদ্মা এক্সপ্রেস ও ডাউন ধুমকেতু এক্সপ্রেস এর সাথে সংযুক্ত। বরেন্দ্রে এক্সপ্রেস ট্রেনটির সাথে আন্তনগর দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস ট্রেনটির সংযোগ আছে যা পার্বতীপুর থেকে দিনাজপুর পর্যন্ত বরেন্দ্র এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রীদের পরিবহণ করে। এবং মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনের সাথে (ডাউনে) ৫০৫ লোকাল ট্রেন এবং (আপে) শাটল-২ এর সংযোগ আছে যা রাজবাড়ীর পাঁচুরিয়া থেকে গোয়ালন্দ ঘাট পর্যন্ত যাত্রী আনা-নেওয়া করে। বেশ কয়েকটি মেইল ট্রেন প্রতিদিনই চলাচল করে থাকে। এগুলোর মধ্যে রাজশাহী এক্সপ্রেস, মহানন্দা এক্সপ্রেস, উত্তরা এক্সপ্রেস, রাজশাহী কমিউটার ট্রেনগুলো অন্যতম। এছাড়াও ঈশ্বরদী, চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ কয়েকটি রুটের লোকাল ট্রেনও এই স্টেশন থেকে নিয়মিত চলাচল করে থাকে। আমের মৌসুমে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে রাজধানী ঢাকা পর্যন্ত "ম্যাংগো স্পেশাল" ট্রেন সার্ভিস চলাচল করে থাকে। রহনপুর-সিংঘাবাদ ট্রানজিট পয়েন্টে চলাচলরত সকল পণ্যবাহী ট্রেনসমূহ এই স্টেশনের উপর দিয়ে যাতায়াত করে। খুব শীঘ্রই রাজশাহী থেকে কোলকাতা পর্যন্ত একটি যাত্রীদের আন্তর্জাতিক ট্রেন সার্ভিস চালু হতে যাচ্ছে।