У нас вы можете посмотреть бесплатно খুব কম দামে এডাল্ট কোয়েল পাখি বিক্রয়।প্রতি পিছ মাত্র ৪০ টাকা। পর্ব ৩৭ или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
ডা. দীদার আলম ও তার স্ত্রী ডলি খান পলাশ উপজেলার চরনগরদী গ্রামের ডা. দীদার আলম ও তার স্ত্রী ডলি খান। দিন-রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে ডা. দীদার আলম ও তার স্ত্রী ডলি খান তাদের বাড়িতে গড়ে তুলেছেন দেশের বড় কোয়েল পাখির খামার। শুধু কোয়েল পাখির ব্যবসা করে শূন্য প্রায় অবস্থা থেকে কোটিপতিতে পরিণত হয়েছে ডা. দীদার আলমের পরিবার। মাত্র ২০ হাজার টাকা পুঁজি নিয়ে ৬ শত কোয়েল পাখির বাচ্চা লালন-পালন করে দীদার আলম ও তার স্ত্রী ডলি খান আজ ৪০ হাজার কোয়েল পাখির মালিক হয়েছেন। ডা. দীদার আলম দাবি করেছেন বাংলাদেশে তার কোয়েল পাখির খামারটি সর্বশ্রেষ্ঠ খামার। তিনি বর্তমানে ভোলা জেলা বাদে সারা বাংলাদেশের ৬৩টি জেলায়ই কোয়েল পাখি ও ডিম রফতানি করে থাকেন। পলাশ উপজেলার পলাশের চর গ্রামের আব্দুল হাকিম মিয়ার পুত্র ডা. দীদার আলমের জীবন খুব একটা সুখের ছিল না। চরনগরদী বাজারে তার একটি ছোটখাট ওষুধের ফার্মেসি ছিল। পল্লি চিকিৎসক ডা. দীদার আলম এখান থেকে যা আয় করতে পারতেন তা দিয়েই তার সংসার চলতো। ২০০৪ সালে কোনো এক ব্যক্তির অনুপ্রেরণায় তিনি ২০ হাজার টাকা ধার করে ৬ শত কোয়েল পাখির বাচ্চা ক্রয় করেন। এই বাচ্চাগুলো লালন-পালন করে ডিম পাড়ার উপযোগী করার পরই তার ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটতে থাকে। ৬ শত বাচ্চা যে ডিম দেয় তা বিক্রি করে তিনি মুনাফা করেন ১ লাখ ৮ হাজার টাকা। এরপর তিনি দ্বিতীয় কিস্তিতে আরো অধিক সংখ্যক বাচ্চা ক্রয় করেন। এতেও তার বিরাট অংকের টাকা লাভ হয়। এরপর তিনি ডিম ফোটানোর উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তিনি প্রথমে ৩টি ইনকিউবেটর ক্রয় করে বাচ্চা ফোটাতে শুরু করেন। শুরু করেন কোয়েল পাখির বাচ্চা বিক্রি। এসব বাচ্চা লালন-পালনের জন্য বাড়িতে কয়েকটি ঘর নির্মাণ করেন। এরপর তিনি আশেপাশের কয়েকটি ঘর ভাড়া করে বাচ্চা লালন-পালন ও বিক্রি শুরু করেন। চারদিকে তার খামারের সুখ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ডিম ও বাচ্চা কেনার জন্য পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতারা তার বাড়িতে ভীড় জমাতে থাকে। এ অবস্থায় তার বাচ্চার চহিদা বৃদ্ধি পেতে থাকলে গ্রাহকদের চাহিদা মেটাবার জন্য আরো ৩টি ইনকিউবেটর ক্রয় করেন। এসব ইনকিউবেটর দিয়ে ফোটানো বাচ্চা সারা বাংলাদেশে সরবরাহ করতে থাকেন। তিনি একদিকে স্থাপন করেন ডিম ফোটানো বাচ্চা লালনের জন্য কয়েকটি খামার এবং ডিম বিক্রির জন্য স্থাপন করেন কয়েকটি খামার। শুধু তাই নয় তিনি মাংসের জন্য কোয়েল পাখি বিক্রি শুরু করেন। কিছুদিন পূর্বে ডা. দীদার আলমের শরিফা আক্তার নামে এক বোন ও তার স্বামী নুরুল হালিম খানকে নিয়ে তার খামারটি দেখতে যান। তার বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় তার বাড়িতে একটি তিন তালা বিল্ডিং। এই বিল্ডিং’র নিচ তলায় তিনি থাকেন। দু তলা ও তিন তলায় তিনি স্থাপন করেছেন কোয়েল পাখির খামার। বাড়ির উঠানেই রয়েছে একটি কোয়েল পাখির বাচ্চা ফোটানোর আধুনিক ইনকিউবেটর। শুধু তাই নয় তিনি কোয়েল পাখির বিষ্টা দিয়ে গ্যাস তৈরি করে তা পারিবারিক কাজে ব্যবহার করেন। তিনি আধুনিক মডেলে তৈরি করেছেন একটি আধুনিক গ্যাস তৈরির কারখানা। সেখানে যাবার পর ডা. দীদার আলম জানান, তার এই সফলতার পেছনে সবচেয়ে বেশি কাজ করেছেন এবং করছেন তার স্ত্রী আনোয়ারা খান ডলি। সূর্য উঠার পূর্ব থেকে খামারে খামারে ঘুরে তিনি কোয়েল পাখির পরিচর্যা করেন। তার স্ত্রী কোয়েল পাখি নিয়ে সারাদিন এতই ব্যস্ত থাকেন যে, তার শিশু বাচ্চাদেরকে নিয়মিত খাবার দিতেও ফুসরত পান না। ডলি খান খামারে খামারে ঘুরে খামারের কর্মচারীদের সাথে ডিম সংগ্রহ করেন। পাখির খাঁচাগুলো পরিষ্কার করেন। আবার কর্মচারীদের সাথে থেকে কোয়েল পাখিদের খাবার সরবরাহ করেন। এমনইভাবে অক্লান্ত পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে দিন কেটে যায় ডলি খানের।