У нас вы можете посмотреть бесплатно আলুর জমিতে কতোদিন বয়সে ৪র্থ স্প্রে করবেন। চতুর্থ স্প্রের উদ্দেশ্য কি?4th spray of potato cultivation или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
আলুর জমিতে চতুর্থ স্প্রে সাধারণত আলু রোপণের ৪০-৬৫ দিনের মধ্যে করা হয়, যেখানে ম্যানকোজেব + ইমিডাক্লোপ্রিড জাতীয় ছত্রাকনাশক ও কীটনাশকের মিশ্রণ ব্যবহার করা যেতে পারে, তবে রোগের প্রকোপ অনুযায়ী হাইড্রোক্সি বা নীলাজল (ম্যানকোজেব গ্রুপের) ছত্রাকনাশক এবং প্রয়োজনে ক্লোরোপ্রিফস বা ম্যান্ডিপ্রোপামিড-এর মতো ওষুধ নির্দিষ্ট মাত্রায় ৭ দিন অন্তর প্রয়োগ করা উচিত, যা ব্লাইট ও অন্যান্য রোগ-পোকা থেকে ফসলকে রক্ষা করে। ৪র্থ স্প্রের সময় ও উদ্দেশ্য: সময়: সাধারণত আলুর বয়স ৪০ থেকে ৬৫ দিনের মধ্যে। উদ্দেশ্য: লেট ব্লাইট (ঢলে পড়া রোগ) এবং ম্যাঙ্কোজেব (Manzeb) বা ইমিডাক্লোপ্রিড (Imidacloprid) গ্রুপের কীটনাশক ও ছত্রাকনাশকের মিশ্রণ ব্যবহার করে রোগ-পোকা দমন করা। কীটনাশক ও ছত্রাকনাশক: ছত্রাকনাশক: ম্যানকোজেব (Mancozeb), হাইড্রোক্সি (Hydroxy), নীলাজল (Neelajal) গ্রুপের ছত্রাকনাশক ব্যবহার করতে পারেন। লেট ব্লাইট-এর জন্য ম্যান্ডিপ্রোপামিড (MAndipropamid) বা ক্লোরোথ্যালোনিল (Chlorothalonil) ভিত্তিক ওষুধও কার্যকর। কীটনাশক: ইমিডাক্লোপ্রিড গ্রুপ বা ক্লোরোপাইরিফস (Chlorpyrifos) জাতীয় কীটনাশক ব্যবহার করা যেতে পারে। প্রয়োগ পদ্ধতি ও সতর্কতা: পর্যায়ক্রমিক ব্যবহার: ছত্রাকনাশক ও কীটনাশকের গ্রুপ পরিবর্তন করে ব্যবহার করুন যাতে পোকা বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করতে না পারে। প্রতিরোধমূলক: ম্যান্ডিপ্রোপামিডের মতো ওষুধ প্রতিরোধমূলকভাবে প্রয়োগ করলে ভালো ফল পাওয়া যায় এবং পরপর দুবারের বেশি ব্যবহার করা উচিত নয়। সঠিক সময়: সকালে বা বিকেলে, যখন রোদের তীব্রতা কম থাকে, তখন স্প্রে করুন। সুরক্ষা: মাস্ক, গ্লাভস, সানগ্লাস ও অ্যাপ্রোন পরে স্প্রে করুন এবং সর্বদা বাতাসের অনুকূলে স্প্রে করুন। পাতার নিচে: পাতার নিচের দিকে ভালোভাবে স্প্রে করা জরুরি। বিশেষ দ্রষ্টব্য: আপনার এলাকার কৃষি কর্মকর্তার সাথে পরামর্শ করে নির্দিষ্ট রোগ ও পোকার আক্রমণ অনুযায়ী সঠিক ওষুধ ও মাত্রা জেনে নেওয়া সবচেয়ে ভালো।