У нас вы можете посмотреть бесплатно Saint Martin Island | Travel Guide (A to Z) | সেন্টমার্টিন ভ্রমণের সব তথ্য | ভ্রমণ গাইড или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
Check out my gears: 1.Microphone: https://bit.ly/3b88duF 2.Microphone: https://bit.ly/2SHBrdj Gimbal: https://bit.ly/2xIQBb8 Lighting setup: https://bit.ly/2Wrx732 Smart Assistant: https://bit.ly/3c9hnIL _____________________________________________________ Music Credit: Lakeyinspired Soundcloud: / lakeyinspired ---------------------------------------------------------------------------------------- Like comment and share this video with your friends. Please don't forget to subscribe to my channel :) Like our Page: / dottv.fun Also Subscribe to my other channels: / dottvfun সেন্টমার্টিন দ্বীপ পরিচিতি সেন্টমার্টিন একটি ছোট দ্বীপ যা বাংলাদেশের সীমানার সর্ব দক্ষিণে অবস্থিত। নয়নাভিরাম সৌন্দর্য অবলোকনের ও ভ্রমণের একটি আকর্ষণীয় পর্যটন এলাকা। এটি বঙ্গোপসাগরের উওর-পূর্ব অংশে এবং টেকনাফ থেকে ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত। আরবের কিছু নাবিক ২৫০ বৎসর পূর্বে এটি আবিস্কার করে। তারা এটিকে “জাজিরা” নামকরণ করেন। বৃটিশ শাসনের সময়কালে এটিকে পুনরায় “সেন্টমার্টিন” দ্বীপ নামে নামকরণ করা হয়। দ্বীপটির স্থানীয় নাম নারিকেল জিনজিরা। এটিই বাংলাদেশের একমাএ প্রবাল দ্বীপ। এর আয়তন ৮ বর্গ কিলোমিটার। ২০০৬ সালের হিসেব অনুযায়ী এর জনসংখ্যা ৭,০০০ জন। এবং এর ঘনত্ব প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৮৭৫ জন। সেন্টমার্টিনের ব্যপিÍতে ছেঁড়াদ্বিপ নামে একটি সংযোযিত অংশ রয়েছে। রাজধানী ঢাকা থেকে এখানে পৌঁছাতে প্রায় ১২ ঘন্টা সময় লাগে। এ দ্বীপের বাসিন্দারা প্রাথমিকভাবে মাছ ধরাকে জীবিকা হিসেবে গ্রহণ করেছে। এখানকার লোকদের প্রধানতম শস্য হল ধান এবং নারিকেল। এখানে প্রচুর পরিমাণে শেওলা পাওয়া যায়। এগুলিকে শুকিয়ে সংগ্রহ করে মায়ানমারে পাঠানো হয়। এই দ্বীপে ভ্রমনের একমাত্র উপায় হল নৌপথ। ১৯৯৯ সালের হারিকেনের পর থেকে এ দ্বীপে বিদ্যুতের সমাপ্তি ঘটে। বড় বড় হোটেলগুলোতে জেনারেটরের ব্যবস্থা আছে। দ্বীপটি সূর্য, সমুদ্র এবং পাম গাছ দ্বারা আচ্ছাদিত। সকাল বেলায় সূর্য উদয় এবং সন্ধায় সূর্যাস্তের অপরুপ দৃশ্য দ্বীপের লোকালয়ে প্রাণ ফিরিয়ে আনে। সেন্টমার্টিন দ্বীপ একটি জনপ্রিয় পর্যটন স্পটে পরিণত হয়েছে। দেশী ও বিদেশী পর্যটকদের জন্য এখানে ৫ টি শিপিং লাইন্স (শহিদ শের নিয়াবাদ, এল সি টি কুতুবদিয়া, ঈগল, ক্রিয়ারি ক্রুজ, ডাইন এবং ক্রিয়ারি সিনবাদ) চালু করা হয়েছে। ভ্রমণকারীরা চট্রগ্রাম ও কক্সবাজার থেকে তাদের ট্রিপ বুক করতে পারেন। এ দ্বীপের সাথে জড়িয়ে দ্বীপের একটি সংযোযিত অংশ রয়েছে যার নাম ছেঁড়াদ্বিপ। ছেঁড়াদ্বিপে কোন লোকজন বসবাস করে না। তাই ভ্রমনকারীদের খুব সকালে এখানে যাএা করতে হয় যাতে করে সন্ধা হবার পূর্বেই তার হোটেলে ফিরে আসতে পারে। ১৯৯১ সালের ঘূণিঝড়ে এই দ্বীপটি সম্পুর্ণরূপে বিদ্ধস্ত হয়েছিল, কিন্তু পুনরায় উদ্ধার হয়েছে এবং ২০০৪ সালের সুনামির পরও এটি অক্ষত আছে।