У нас вы можете посмотреть бесплатно সীমানা পেরিয়ে দক্ষিণেশ্বর: একজন বাংলাদেশির চোখে ইতিহাস ও ভক্তিযোগ! или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
দক্ষিণেশ্বর কালী মন্দির ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের অন্যতম প্রখ্যাত তীর্থস্থান। এটি হুগলি নদীর পূর্ব তীরে অবস্থিত এবং ভক্তিমূলক স্থাপত্য ও আধ্যাত্মিক গুরুত্বের জন্য সুপরিচিত। মন্দিরটি রাণী রাসমণি দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৮৫৫ সালে এবং দেবী ভবতারিণী (মা কালী) এই মন্দিরের প্রধান দেবতা। কিভাবে যাবেন: এসপ্লনেড থেকে মেট্রতেকরে সোজা দক্ষিণেশ্বর কালী মন্দির স্টেশনে, তারপর স্টেশন থেকে বেরিয়ে Walk Way ধরে পৌছে গেলাম মন্দির গেটে, তার আগে Walk way এর একটি দোকান থেকে ফুল ও প্রসাদ কিনে নিলাম, মন্দিরের ভিতর থেকেও চাইলে কেনা যায়, গাড়ি নিয়ে এলে ঢুকেও বাম পাকিং, আর পাকিং এর আগেই বামে ব্যাগ/ফোন ও জুতা রাখার কাউন্টার, এখানে ফোন/ব্যাগ ও জুতা জমা দিয়ে টকেন নিয়ে ঢুকতে হবে, দর্শণ শেষে পিছনে গংগা ঘাটে চলে আসুন, তারপর চাইলে স্নান সেরে মন্দিরের গেটের কাছেই ফুডকোর্ট এ খেতে পারেন, তারপর আশপাশের সুন্দর মন্দির টি ঘুরতে ঘুরতে হারিয়ে যায় অপার মায়াতে। মন্দির প্রতিষ্ঠার ইতিহাস: রাণী রাসমণি, যিনি একজন বিশিষ্ট সমাজসেবী ও জমিদার ছিলেন, ১৮৪৭ সালে তীর্থযাত্রার জন্য বারাণসী যাওয়ার পরিকল্পনা করেন। তবে, যাত্রার আগের রাতে তিনি স্বপ্নে মা কালীকে দেখেন। মা কালী নির্দেশ দেন যে, বারাণসী যাওয়ার পরিবর্তে গঙ্গার তীরে একটি মন্দির তৈরি করতে হবে, যেখানে তিনি পূজিত হবেন। এই নির্দেশনা অনুসরণ করে রাণী রাসমণি দক্ষিণেশ্বরে জমি কেনেন এবং মন্দির নির্মাণ শুরু করেন। মন্দির নির্মাণ: মন্দিরের নির্মাণকাজ শুরু হয় ১৮৪৭ সালে এবং শেষ হয় ১৮৫৫ সালে। মন্দির নির্মাণে প্রায় ৯ লক্ষ টাকা ব্যয় হয়, যা সেই সময়ে বিরাট অঙ্ক। মন্দিরের স্থাপত্য বাংলার নবজাগরণ যুগের প্রভাব বহন করে। স্থাপত্যশৈলী: দক্ষিণেশ্বর মন্দিরটি ২৫ একর জায়গা জুড়ে বিস্তৃত। মন্দিরের মূল কাঠামো নবরত্ন শৈলীতে নির্মিত এবং এটি প্রায় ১০০ ফুট উচ্চ। মূল মন্দিরের পাশে ১২টি শিব মন্দির রয়েছে, যা গঙ্গার দিকে মুখ করে সারি আকারে নির্মিত। এছাড়াও একটি রাধাকৃষ্ণ মন্দির রয়েছে। আধ্যাত্মিক গুরুত্ব: দক্ষিণেশ্বর কালী মন্দিরের সঙ্গে শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসের সম্পর্ক গভীর এবং তা হিন্দু ধর্ম, বিশেষত ভক্তি আন্দোলনের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংস এই মন্দিরের প্রধান পুরোহিত হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন এবং এখান থেকেই তিনি তাঁর আধ্যাত্মিক সাধনা শুরু করেন। তাঁর শিক্ষা, সাধনা এবং অভিজ্ঞতা দক্ষিণেশ্বর মন্দিরকে একটি আধ্যাত্মিক কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। শ্রীরামকৃষ্ণের আগমন: ১৮৫৫ সালে, যখন দক্ষিণেশ্বর মন্দির প্রতিষ্ঠিত হয়, তখন রাণী রাসমণি দেবীর মন্দিরের জন্য একজন যোগ্য পুরোহিত খুঁজছিলেন। শ্রীরামকৃষ্ণের বড় ভাই রামকুমার চট্টোপাধ্যায় প্রথমে পুরোহিত হিসেবে নিযুক্ত হন। পরে রামকুমারের মৃত্যুর পর, শ্রীরামকৃষ্ণ মন্দিরের পুরোহিত হন। আধ্যাত্মিক সাধনা: দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে থাকার সময় শ্রীরামকৃষ্ণ একাধিক আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যান। তিনি মা ভবতারিণীর প্রতি গভীর ভক্তি নিবেদন করে সাধনা শুরু করেন। বিভিন্ন পথের মাধ্যমে (যেমন তন্ত্র, যোগ, ভক্তি) তিনি ঈশ্বর উপলব্ধি করার চেষ্টা করেন এবং সফল হন। শ্রীরামকৃষ্ণ বিশ্বাস করতেন যে সব ধর্মের লক্ষ্য একই এবং সমস্ত পথই ঈশ্বরের দিকে নিয়ে যায়। কালী সাধনা: দক্ষিণেশ্বরে অবস্থানকালে শ্রীরামকৃষ্ণ মা কালীকে তাঁর জীবনের সর্বস্ব হিসেবে গ্রহণ করেন। তাঁর মতে, মা কালী একজন জীবন্ত সত্তা এবং তিনি তাঁর সঙ্গে সরাসরি আলাপ করতে পারতেন। শিষ্যদের সঙ্গে সম্পর্ক: দক্ষিণেশ্বরেই তিনি বিবেকানন্দসহ বহু শিষ্যকে শিক্ষা দিয়েছিলেন। এখানে তাঁরা তাঁর কাছ থেকে ধর্ম, দর্শন এবং আধ্যাত্মিকতার গভীর পাঠ গ্রহণ করেন। মন্দিরের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক: দক্ষিণেশ্বর মন্দির ছিল শ্রীরামকৃষ্ণের আধ্যাত্মিক উপাসনার কেন্দ্র। তাঁর ঈশ্বরপ্রাপ্তির এবং আধ্যাত্মিক দীক্ষার সমস্ত কাহিনি এই মন্দিরকে কেন্দ্র করে আবর্তিত। দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে তাঁর উপস্থিতি মন্দিরের মহিমাকে বহুগুণ বৃদ্ধি করে এবং এটি বিশ্বের একটি অন্যতম আধ্যাত্মিক কেন্দ্র হিসেবে পরিণত হয়। শ্রীরামকৃষ্ণের জীবনের এই অধ্যায় তাঁর শিষ্য বিবেকানন্দ এবং রামকৃষ্ণ মিশনের আন্দোলনের মাধ্যমেও বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে। দক্ষিণেশ্বর কালী মন্দির আজও এই আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের স্মারক। বর্তমান সময়ে গুরুত্ব: বর্তমানে দক্ষিণেশ্বর মন্দির কেবলমাত্র একটি ধর্মীয় স্থান নয়, এটি একটি ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবেও পরিচিত। এখানে সারা বছর লক্ষ লক্ষ ভক্ত ও পর্যটক আসেন। মন্দিরটি আধ্যাত্মিক সাধনা, স্থাপত্যশৈলী এবং ঐতিহাসিক গুরুত্বের জন্য যুগ যুগ ধরে গুরুত্বপূর্ণ স্থান হিসেবে পরিচিত। #দক্ষিণেশ্বর #mondir #dakshineswar #kali #india #bangladesh #history #viral #views #kolkata #travel #tranding #ramkrishna #bibekananda #ganga