У нас вы можете посмотреть бесплатно বাংলাদেশে খেলা শুরু ভারতের, সামনে অনেক কিছু или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণ এবং সাম্প্রতিক ঘটনাবলি বিশ্লেষণ করলে বোঝা যায়, দক্ষিণ এশিয়ার এই অঞ্চলে একটি অত্যন্ত জটিল ‘দাবার খেলা’ শুরু হয়েছে। ভারতের জন্য এটি কেবল প্রতিবেশী নীতি নয়, বরং জাতীয় নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার একটি বড় পরীক্ষা। সামনে যা যা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে বা যে দিকগুলো ভারতের নজরে রয়েছে: ১. কৌশলগত প্রভাব ও নিরাপত্তা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পালাবদলের পর ভারত তার 'Neighbourhood First' নীতি নিয়ে নতুন করে ভাবছে। উত্তর-পূর্ব ভারতের (Seven Sisters) নিরাপত্তার জন্য বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা ভারতের কাছে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ। বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলো যাতে বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করতে না পারে, সেটিই হবে দিল্লির প্রধান অগ্রাধিকার। ২. অর্থনৈতিক ও কানেক্টিভিটি প্রজেক্ট ট্রানজিট, ট্রান্সশিপমেন্ট এবং রেল যোগাযোগের যে প্রকল্পগুলো গত কয়েক বছরে গতি পেয়েছিল, সেগুলো বর্তমান পরিস্থিতিতে কতটা কার্যকর থাকে তা দেখার বিষয়। আদানি পাওয়ার বা বিভিন্ন লাইন অফ ক্রেডিট (LoC)-এর মাধ্যমে হওয়া বিনিয়োগগুলোর ভবিষ্যৎ নিয়ে এখন দরকষাকষি হতে পারে। ৩. বহুপাক্ষিক কূটনৈতিক চাপ বাংলাদেশের রাজনীতিতে ভারতের পাশাপাশি এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন এবং পাকিস্তানের সক্রিয়তা চোখে পড়ার মতো। চীন: পরিকাঠামো উন্নয়নে বিনিয়োগ বাড়িয়ে প্রভাব বিস্তার করতে চাইবে। যুক্তরাষ্ট্র: গণতন্ত্র এবং মানবাধিকার ইস্যুতে চাপের মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করছে। ৪. সীমান্ত এবং নাগরিক ইস্যু বিএসএফ-বিজিবি সমন্বয় এবং সীমান্ত হত্যা কমানোর পাশাপাশি অনুপ্রবেশ ও শরণার্থী ইস্যু নিয়ে ভারতের ভেতরে (বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে) রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়তে পারে। হিন্দুসহ অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ভারতের জন্য একটি বড় কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সারসংক্ষেপ: ভারতের জন্য এখনকার মূল কৌশল হলো 'Wait and Watch'। সরাসরি সংঘাতে না গিয়ে কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করা এবং বাংলাদেশের নতুন নেতৃত্বের সাথে একটি কাজের সম্পর্ক (Working Relationship) তৈরি করাই এখন মূল লক্ষ্য।