У нас вы можете посмотреть бесплатно রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনকে যেভাবে ‘ইয়েস উদ্দিন’ বানালো বিএনপি ! সংসদে ভুলুন্ঠিত মুক্তিযুদ্ধ ? или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনকে যেভাবে ‘ইয়েস উদ্দিন’ বানালো বিএনপি ! সংসদে ভুলুন্ঠিত মুক্তিযুদ্ধ ? #president #bnp #parliament #jamat বাংলাদেশের ত্রয়োদশ সংসদের যাত্রা শুরু হলো একপ্রস্ত নাটকের মধ্য দিয়ে। আইনের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে স্পিকারের শূন্য আসন নিয়ে শুরু হয় অধিবেশন। নজিরবিহীনভাবে প্লেকার্ড দেখিয়ে রাষ্ট্রপতির ভাষণের প্রতিবাদ আর ভাষণ শুরুর পরপরই বিরোধী দলীয় এমপিরা ওয়াক আউট করলো। যে রাষ্ট্রপতির আদেশে জুলাই সনদকে সবকিছু মনে করছে বিরোধী এমপিরা তারাই আবার বলছে রাষ্ট্রপতি অবৈধ। আবার রাষ্ট্রপতির ভাষণের বিরোধিতা করতে গিয়ে জাতীয় সঙ্গীতের অবমাননাও করতে দেখা গেছে জামায়াত-এনসিপির এমপিদের। বিরোধী এমপিদের এমন দ্বিচারিতার মধ্যে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন তার নিয়োগকর্তা আওয়ামী লীগকে শূলে চড়ালেন। বিএনপির প্রশংসা করতে গিয়ে নিজের ভাষণে বেশ কয়েকটি অসত্য তথ্য দিয়েছেন বহু নাটকের জন্ম দেয়া এই রাষ্ট্রপতি। প্রশ্ন হলো রাষ্ট্রপতির এ ধরনের ভাষণ কি নতুন কিছু? আবার রাষ্ট্রপতির ভাষণের প্রতিবাদে জামায়াতের যে অবস্থান সেটিও কি নতুন কিছু? আমাদের বিশ্লেষণ হলো – রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনকে দিয়ে বিএনপি ২০০৯ সালের প্রতিশোধ নিলো। ১৯৯১ সালে জাতীয় পার্টি এবং ২০০৯ সালে বিএনপি সংসদের প্রথম অধিবেশনে যে আচরণ করেছিল প্রায় একই আচরণ দেখা গেছে ২০২৬ সালেও। এরই মধ্যে সংসদের বাইরে ১৪৪ ধারা বজায় থাকলেও এনসিপি প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে পুলিশের নাকের ডগায় – যেমনটা তারা করতো ইউনূসের আমলে। এত কিছুর মধ্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের শুরুতেই বড় কলঙ্কটা লেপে দেয়া হয়েছে সংসদের শোক প্রস্তাবে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে তোলা শোকপ্রস্তাবে যুক্ত করা হয় একাত্তরের যুদ্ধাপরাধে দণ্ডিত জামায়াতে ইসলামীর ছয়জন এবং বিএনপির এক নেতার নাম। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় গণহত্যা, হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতনের মত মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ ‘প্রমাণিত হওয়ায়’ তাদের দণ্ড দিয়েছিলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। বিশ্লেষকরা মনে করেন, মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের দল বলে দাবি করা বিএনপিকেই এই কলঙ্কের দায়ভার নিতে হবে।