У нас вы можете посмотреть бесплатно PATRICE LUMUMBA/ প্যাট্রিস লুমুম্বা или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
আসাদ চৌধুরীর “হ্যানিবল” কবিতাটি প্যাট্রিস লুমুম্বার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও আফ্রিকার স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রতি সংহতির এক শক্তিশালী কাব্যিক উচ্চারণ। কবিতায় হ্যানিবল নামটি ব্যবহৃত হয়েছে প্রতীক হিসেবে—যে প্রতিরোধ, নেতৃত্ব ও সাম্রাজ্যবাদবিরোধী সংগ্রামের চিহ্ন বহন করে। লুমুম্বার হত্যার পর যে বিশ্বব্যাপী ক্ষোভ, বেদনা ও প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়েছিল, সেই আবেগকে কবি নিজের ভাষায় ধারণ করেছেন। আফ্রিকার দীর্ঘ রক্তক্ষরণ, উপনিবেশিক শোষণ, এবং স্বাধীনতার জন্য মানুষের অদম্য আকাঙ্ক্ষা—সবকিছু মিলিয়ে কবিতাটি হয়ে ওঠে এক ধরনের রাজনৈতিক শোকগাথা। লুমুম্বার নামের পাশে হ্যানিবলের নাম যুক্ত করে কবি বোঝাতে চেয়েছেন, ইতিহাসের প্রতিটি যুগেই এমন কিছু মানুষ জন্ম নেয় যারা অত্যাচার ও দমননীতির বিরুদ্ধে দাঁড়ায়, এবং তাদের মৃত্যু হলেও তাদের সংগ্রাম ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে। এই কবিতায় তাই ব্যক্তিগত শোক নয়, বরং একটি মহাদেশের সংগ্রাম, একটি যুগের ক্ষত, এবং মানবমুক্তির স্বপ্ন একসঙ্গে মিলেমিশে আছে। প্যাট্রিস লুমুম্বা ছিলেন আফ্রিকার উপনিবেশবিরোধী সংগ্রামের ইতিহাসে এক অনন্য ও সাহসী নেতা। বেলজিয়ান শাসনের অধীনে কঙ্গো দীর্ঘদিন ধরে শোষণ ও বৈষম্যের শিকার ছিল, আর সেই অমানবিক পরিস্থিতির বিরুদ্ধে লুমুম্বা ছিলেন জনগণের কণ্ঠস্বর। তাঁর রাজনৈতিক চিন্তা ছিল স্বাধীনতা, মর্যাদা ও জাতীয় সার্বভৌমত্বের ওপর ভিত্তি করে। তিনি বিশ্বাস করতেন যে কঙ্গোর জনগণ নিজেদের ভবিষ্যৎ নিজেরাই নির্ধারণ করবে, এবং সেই বিশ্বাস থেকেই তিনি স্বাধীনতার আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী করে তুলেছিলেন। ১৯৬০ সালে কঙ্গো স্বাধীনতা লাভ করলে লুমুম্বা দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তাঁর লক্ষ্য ছিল একটি ঐক্যবদ্ধ, ন্যায়ভিত্তিক ও অর্থনৈতিকভাবে স্বনির্ভর রাষ্ট্র গঠন করা। কিন্তু শীতল যুদ্ধের উত্তেজনাপূর্ণ বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে তাঁর স্বাধীন নীতি অনেক শক্তিধর দেশের স্বার্থের সঙ্গে সংঘর্ষে আসে। আন্তর্জাতিক চাপ, অভ্যন্তরীণ ষড়যন্ত্র এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার ফলে তাঁর সরকার দ্রুত দুর্বল হয়ে পড়ে। অবশেষে ১৯৬১ সালে লুমুম্বাকে হত্যা করা হয়—যা আজও আন্তর্জাতিক রাজনীতির এক অন্ধকার অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত। তাঁর মৃত্যু শুধু কঙ্গোর জন্য নয়, সমগ্র আফ্রিকার স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য এক গভীর ক্ষতি ছিল। তবুও তাঁর আদর্শ, সাহস এবং ন্যায়বিচারের প্রতি অটল অবস্থান আজও বহু মানুষের অনুপ্রেরণা হয়ে আছে। লুমুম্বা প্রমাণ করে গেছেন যে সত্যিকারের নেতৃত্ব কখনোই ভয় বা স্বার্থের কাছে মাথা নত করে না; বরং জনগণের অধিকার রক্ষার জন্য শেষ পর্যন্ত লড়াই করে।