У нас вы можете посмотреть бесплатно কল্পতরু দিবসের গান : রাম কৃষ্ণ শ্যাম শ্যামা শিবে - সোমনাথ চট্টোপাধ্যায় или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
এই গানটি ঠাকুর রামকৃষ্ণদেবের গৃহীভক্ত শ্রী দেবেন্দ্রনাথ মজুমদারের লেখা। গানটির মধ্যে বহুত্বের মধ্যে ঐক্য ও একের দর্শনের কথা বলা হয়েছে যা ঠাকুরের উপদেশ ও আদর্শের নামান্তর মাত্র। রামকৃষ্ণ ভজন কাহারবা (দ্বিমাত্রিক) রাম কৃষ্ণ শ্যাম শ্যামা শিবে, ভেদ ভেব না আমার মন নামরূপের গেলাপে ঢাকা আছেন সেই এক নিরঞ্জন॥ চিনির ছাঁচে উট হাতী ঘোড়া পুতুল পাখী রথ হয় যেমন যার যেমন মন লয় সে তেমন, এক চিনিতে সব গঠন॥ ভেদ ভাবনা মন ছাড় না, সুখ পাবে না তায় কখন বহুতে এক দেখলে তবে, পাবি রে সেই মোক্ষ ধন॥ সাধ যদি তোর থাকে রে মন, পেতে সত্য সনাতন তবে ভাসিয়ে দে না দ্বেষাদ্বেষী, পর না চোখে প্রেমাঞ্জন॥ রচনা : দেবেন্দ্রনাথ মজুমদার (১৮৪৪ – ১৯১১) দেবেন্দ্রনাথ মজুমদার (১৮৪৪-১৯১১): শ্রীশ্রীঠাকুরের গৃহীভক্ত। যশোহর জেলার নড়াইল মহকুমার জগন্নাথপুর গ্রামে ‘মজুমদার’ উপাধিধারী বন্দ্যোপাধ্যায় বংশে জন্ম, পিতা প্রসন্ননাথ, মা বামাসুন্দরী দেবী । কলকাতায় জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারে তিনি জমিদারী সেরেস্তায় চাকরী করতেন ও সঙ্গে সাহিত্যে চর্চাও। যোগাভ্যাসও তিনি করতেন। ১৮৮৪ খ্রীষ্টাব্দে কোনো এক সময়ে একটি বইয়ে ‘পরমহংস রামকৃষ্ণ’ কথা দুইটি প’ড়ে তিনি এক মহা আকর্ষণে দক্ষিণেশ্বরে গিয়ে প্রথম ঠাকুরকে দেখেন ও তাঁর দেবদুর্লভ আচরণে মুগ্ধ হন। কিন্তু সেই দিনই ফেরার পথে প্রবল জ্বরে পড়েন। জ্বরে শয্যাগত অবস্থায় তিনি মাথার কাছে শ্রীরামকৃষ্ণকে দেখতেন। পরে বলরাম বসুর বাড়িতে ঠাকুরকে দ্বিতীয়বার দর্শনের পর মাঝে মাঝেই দক্ষিণেশ্বরে যেতে আরম্ভ করেন। এই সময়ে কলকাতায় নিজের বাড়িতে দেবেন্দ্রনাথ একদিন ঠাকুরকে এনে সেবা করেছিলেন। দেবেন্দ্রনাথ ‘সন্ন্যাস’ গ্রহণের জন্য ঠাকুরের কাছে প্রার্থনা জানালে ঠাকুর তাহাতে সম্মত হন না। পরবর্তী কালে “শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ অর্চনালয়” প্রতিষ্ঠা করে দেবেনদ্রনাথ সেখানে তাঁর স্বরচিত শ্রীরামকৃষ্ণ ভজন কীর্তনাদি পরিবেশনের ব্যবস্থা করেন এবং এই গানগুলিই পরে ‘দেবগীতি’ নামে প্রকাশিত হয়। তাঁহার বিখ্যাত “ভব সাগর তারণ কারণ” ইত্যাদি গুরুবন্দনা ও অন্যান্য ভক্তিমূলক ভজনগুলি খুবই জনপ্রিয় হয়।