У нас вы можете посмотреть бесплатно ★ হযরত দাউদ (আঃ) এর সম্পূর্ণ জীবনী || Prophet Daud (A.S.) Story или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
00:00 দাউদ আঃ এর সম্পূর্ণ জীবনী 00:26 তালুত ও জালুত 01:04 বিস্ময়কর সিন্দুক 02:30 গরুর গাড়িতে সিন্দুক ফেরত 03:10 তালুতের সৈন্য দাউদ 03:57 নদীর পানি খাওয়া 05:19 ৩১৩ জন সৈন্য 06:06 দাউদ নবী কর্তৃক জালুতকে হত্যা 08:15 তালুতের বিজয় ও দাউদ নবীর রাজত্ব 08:50 ইহুদীদের ইতিহাস 09:22 ইহুদীদের শেষ পরিণতি 09:46 দাউদ নবীর নবুওয়াত ও ১৯ সন্তান 10:12 দাউদ নবীর স্মরণীয় ঘটনাগুলোঃ 10:26 ১। দাউদ আঃ এর বিচার 13:20 ২। দুম্বার মালিক দুই ভাই 15:43 ৩। শনিবারে মাছ ধরার পরিণতি 18:38 দাউদ নবীর বৈশিষ্ট্যগুলোঃ 18:50 দাউদ নবীর সুমধুর কণ্ঠ 19:47 একদিন নবীজির পাহাড়ের ঘটনা 20:52 দাউদ নবীর শক্তি 21:45 পাহাড় ও পাখীদের আনুগত্য 22:22 সাম্রাজ্য, প্রজ্ঞা ও বাগ্মিতা 22:39 দাউদ নবীর ক্ষমতা 23:19 বর্ম তৈরির গুণ 24:49 যাবুর কিতাবের রাসুল 25:36 দাউদ নবীর মহামূল্যবান তথ্য 27:20 দাউদ নবীর বয়স 29:04 দাউদ আঃ এর মৃত্যু 31:21 দাউদ নবীর মৃত্যুর সময় 32:40 দাউদ আঃ এর জানাজা 34:53 দাউদ আঃ এর মৃত্যুর পর 35:56 বনি ইসরাইলের কাহিনী 36:44 দাউদ নবীর জীবনী থেকে ১০টি শিক্ষা বিপুল শক্তি ও রাষ্ট্রক্ষমতার অধিকারী নবী ছিলেন মাত্র দুই জন। তাঁরা হলেন পিতা ও পুত্র দাঊদ ও সুলায়মান (আঃ)। বর্তমান ফিলিস্তিন সহ সমগ্র ইরাক ও শাম (সিরিয়া) এলাকায় তাঁদের রাজত্ব ছিল। পৃথিবীর অতুলনীয় ক্ষমতার অধিকারী হয়েও তাঁরা ছিলেন সর্বদা আল্লাহর প্রতি অনুগত ও সদা কৃতজ্ঞ। সেকারণে আল্লাহ্ তার শেষনবীকে সান্ত্বনা দিয়ে বলেন, ‘তারা যেসব কথা বলে তাতে তুমি ছবর কর এবং আমার শক্তিশালী বান্দা দাঊদকে স্মরণ কর। সে ছিল আমার প্রতি সদা প্রত্যাবর্তনশীল’ (সূরা ছোয়াদ ৩৮/১৭)। দাঊদ নবী হলেন আল্লাহর একমাত্র বান্দা, যাকে খুশী হয়ে পিতা আদম স্বীয় বয়স থেকে বছর কেটে তাকে দান করার জন্য আল্লাহর নিকটে সুফারিশ করেছিলেন এবং সেমতে দাঊদের বয়স ৬০ হতে ১০০ বছরে বৃদ্ধি পায়। উল্লেখ্য যে, হযরত দাঊদ (আঃ) সম্পর্কে কুরআনের ৯টি সূরায় ২৩টি আয়াতে বর্ণিত হয়েছে। হযরত দাউন আঃ ছিলেন শেষনবী (ছাঃ)-এর আগমনের প্রায় দেড় হাযার বছরের পূর্বেকার নবী। বনু ইস্রাঈলগণের নিকটে একটা সিন্দুক ছিল। এর নাম তাবূত। যার মধ্যে তাদের নবী মূসা, হারূণ ও তাঁদের পরিবারের ব্যবহৃত কিছু পরিত্যক্ত সামগ্রী ছিল। তারা এটাকে খুবই বরকতময় মনে করত এবং যুদ্ধকালে একে সম্মুখে রাখত। একবার আমালেক্বাদের সাথে যুদ্ধের সময় বনু ইস্রাঈলগণ পরাজিত হলে আমালেক্বাদের বাদশাহ জালূত উক্ত সিন্দুকটি নিয়ে যায়। এরপর সিন্দুকটি নিয়ে বিরাট বিরাট ঘটনা ঘটতে থাকে। জালুতের নির্দেশে সিন্দুকটি যেখানেই রাখা হতো সেখানেই মহামারি ও অন্যান্য বিপদাপদ দেখা দিত। এমনিভাবে তাদের পাঁচটি শহর ধ্বংস হয়ে যায়। অবশেষে অতিষ্ট হয়ে তারা একে তার প্রকৃত মালিকদের কাছে পাঠিয়ে দেবার সিদ্ধান্ত নিল এবং গরুর গাড়ীতে উঠিয়ে হাঁকিয়ে দিল। তখন ফেরেশতাগণ আল্লাহর নির্দেশমতে গরুর গাড়ীটিকে তাড়িয়ে এনে তালূতের ঘরের সম্মুখে রেখে দিল। বনু ইস্রাঈলগণ এই দৃশ্য দেখে সবাই একবাক্যে তালূতের নেতৃত্বের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন করল। অতঃপর তালূত আমালেক্বাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনার প্রস্তুতি শুরু করলেন। জালূত বিরাট সাজ-সজ্জা করে হাতীতে সওয়ার হয়ে সামনে এসে আস্ফালন করতে লাগল এবং সে যুগের যুদ্ধরীতি অনুযায়ী প্রতিপক্ষের সেরা যোদ্ধাকে আহ্বান করতে থাকল। অল্পবয়ষ্ক বালক দাঊদ নিজেকে সেনাপতি তালূতের সামনে পেশ করলেন। দাঊদ পকেট থেকে পাথর খণ্ড বের করে হাতির পিঠে বসা জালূতের চক্ষু বরাবর নিশানা করে এমন জোরে মারলেন যে, তাতেই জালূতের চোখশুদ্ধ মাথা ফেটে মগয বেরিয়ে চলে গেল। এভাবে জালূত মাটিতে লুটিয়ে পড়লে তার সৈন্যরা পালিয়ে গেল। যুদ্ধে তালূত বিজয় লাভ করলেন। দাঊদ (আঃ) এর বৈশিষ্ট্য সমূহ : আল্লাহ্ দাঊদ (আঃ)-কে আধ্যাত্মিক ও দৈহিক শক্তিতে বলিয়ান করে সৃষ্টি করেছিলেন। পাহাড় ও পক্ষীকুল তাঁর অনুগত ছিল। যেমন আল্লাহ্ বলেন, “আমি পর্বতমালাকে তার অনুগত করে দিয়েছিলাম। তারা সকাল-সন্ধ্যায় তার সাথে পবিত্রতা বর্ণনা করত’। ‘আর পক্ষীকুলকেও, যারা তার কাছে সমবেত হত। সবাই ছিল তার প্রতি প্রত্যাবর্তনশীল’ (সূরা ছোয়াদ৩৮/১৮-১৯)। তাঁকে দেওয়া হয়েছিল সুদৃঢ় সাম্রাজ্য, গভীর প্রজ্ঞা ও অনন্য বাগ্মিতা। হযরত দাঊদ (আঃ) একজন দক্ষ কর্মকার ছিলেন। বিশেষ করে শত্রুর মোকাবিলার জন্য উন্নত মানের বর্ম নির্মাণে তিনি ছিলেন একজন কুশলী কারিগর। আল্লাহ্ পাক দাঊদকে নবুঅত দান করেন এবং তাকে এলাহী কিতাব যবূর’দান করে কিতাবধারী রাসূলের মর্যাদায় অভিষিক্ত করেন। যেমন তিনি বলেন, ‘আমি দাঊদকে ‘যবূর’ প্রদান করেছিলাম’ (সূরা নিসা ৪/১৬৩)। তাঁকে অপূর্ব সুমধুর কণ্ঠস্বর দান করা হয়েছিল। যখন তিনি যবূর তেলাওয়াত করতেন, তখন কেবল মানুষ নয়, পাহাড় ও পক্ষীকুল পর্যন্ত তা একমনে শুনত। দাঊদ (আঃ)-এর জীবনের স্মরণীয় ঘটনাবলী : (১) ছাগপাল ও শস্যক্ষেতের মালিকের বিচার: আল্লাহ্ তাআলা বলেন, ‘আরস্মরণ কর দাঊদ ও সুলায়মানকে, যখন তারা একটি শস্যক্ষেত সম্পর্কে বিচার করেছিল, যাতে রাত্রিকালে কারু মেষপাল ঢুকে পড়েছিল। আর তাদের বিচারকার্য আমার সম্মুখেই হচ্ছিল’। ‘অতঃপর আমি সুলায়মানকে মোকদ্দমাটির ফায়ছালা বুঝিয়ে দিলাম এবং আমরা উভয়কে প্রজ্ঞা ও জ্ঞান দান করেছিলাম’ (সূরা আম্বিয়া ২১/৭৮-৭৯)। ২। ইবাদত খানায় প্রবেশকারী বাদী-বিবাদীর বিচার: আল্লাহ্ বলেন, ‘আপনার কাছে কি সেই বাদী-বিবাদীর খবর পৌঁছেছে, যখন তারা পাঁ চিল টপকিয়ে দাঊদের ইবাদতখানায় ঢুকে পড়েছিল’? (সূরা ছোয়াদ ২১) ৩। শনিবার ওয়ালাদের পরিণতি: আল্লাহ্ বলেন, ‘আর তোমরা তো তাদেরকে ভালভাবে জানো, যারা শনিবারের ব্যাপারে সীমা লংঘন করেছিল। আমি তাদের বলেছিলাম, তোমরা নিকৃষ্ট বানর হয়ে যাও’। ‘অতঃপর আমি এ ঘটনাকে তাদের সমসাময়িক ও পরবর্তীদের জন্য দৃষ্টান্ত হিসাবে এবং আল্লাহ্ভীরুদের জন্য উপদেশ হিসাবে রেখে দিলাম’ (সূরা বাক্বারাহ ২/৬৫-৬৬)।