У нас вы можете посмотреть бесплатно ব্যবহারিক ক্লাস- ঘাসফড়িং এর মুখোপাঙ্গো পর্যবেক্ষণ или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
#পরিক্ষনের নাম- আরশোলার/ঘাসফড়িংয়ের মুখোপাঙ্গ পর্যবেক্ষণ ---------------------------------------------------------------------------------------- প্রয়োজনীয় উপকরণ --------------------------------------- একটি কাঁচি, দুটি চিমটা, ডিসেকটিং ট্রে, ক্লোরোফর্ম, কিলিং জার, ̄øাইড, গ্লিসারিন, ড্রয়িং পেনসিল, ব্যবহারিক খাতা । কার্যপদ্ধতি ------------- ১। প্রথমে একটি কিলিং জারে ক্লোরোফর্ম প্রয়োগ করে আরশোলা/ঘাসফড়িংকে অজ্ঞান করে নিতে হবে। ২। এরপর আরশোলা/ঘাসফড়িং-এর অঙ্কীয় বা বুকের দিকটা উপরের দিকে এবং পৃষ্ঠীয় দিকটা হাতের তালুর দিকে রেখে উহাকে বাম হাতের তর্জনী এবং বৃদ্ধাঙ্গুল দিয়ে এমনভাবে চেপে ধরতে হবে যাতে মুখোপাঙ্গগুলো দৃষ্টিগোচর হয়। ৩। তারপর একটা নমনীয় ও সূক্ষ্ম চিমটা দিয়ে হালকাভাবে টেনে এক এক করে মুখোপাঙ্গগুলো তুলে আনতে হবে। ৪। প্রথমে ল্যাবিয়াম, এরপর ডান ও বাম ম্যাক্সিলা, পরবর্তীতে ম্যান্ডিবলদ্বয়, তারপর হাইপোফ্যারিংক্স টেনেউঠাতে হবে এবং সবশেষে সাবধানে ছোট কাঁচি দিয়ে ল্যাব্রাম কেটে উঠাতে হবে। ৫। মুখ উপাঙ্গগুলোকে একটি গ্লিসারিনযুক্ত ̄স্লাইডের উপর নিম্ন উপায়ে সাজিয়ে প্রদর্শন করতে হবে। পর্যবেক্ষণ ------------ আরশোলা/ঘাসফড়িং-এর মুখোপাঙ্গ নিম্নলিখিত পাঁচটি অংশ নিয়ে গঠিত- ১। ল্যাব্রাম: এটি মুখছিদ্রের উপরের দিকে অবস্থিত প্রায় গোলাকার, প্রশস্ত, দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসম ও চ্যাপ্টাকৃতির উপাঙ্গ। ২। ম্যান্ডিবল: ল্যাব্রামের নিচে মুখছিদ্রের দুপাশে দুটি ম্যান্ডিবল বিদ্যমান। প্রতিটি ম্যান্ডিবল শক্ত, মজবুত ও ত্রিকোণাকার উপাঙ্গ। এদের ভিতরের প্রান্তে করাতের দাঁতের মতো শক্ত ও কালো বর্ণের কতগুলো দাঁত থাকে। ৩। ম্যাক্সিলা: আরশোলা/ঘাসফড়িং-এর মুখছিদ্রের দুপাশে ম্যান্ডিবলের ঠিক নিচে দুটি ম্যাক্সিলা বিদ্যমান। প্রতিটি মযাক্সিলাতে ৫টি অংশ থাকে, যথা- কার্ডো, স্টাইপস ল্যাসিনিয়া, গ্যালিয়া ও ম্যাক্সিলারি পাল্প। ৪। ল্যাবিয়াম: আরশোলা/ঘাসফড়িং-এর মুখছিদ্রের অঙ্কীয় দিকে একটি বৃহদাকার, সন্ধিযুক্ত, জটিল উপাঙ্গ বিদ্যমান। একে ল্যাবিয়াম বলে। এটি দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসম এবং সাবমেন্টাম, মেন্টাম ও প্রিমেন্টাম নামক তিনটি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত। প্রিমেন্টামের দুই পার্শ্বে দুটি ল্যাবিয়াল পাল্প এবং অগ্রভাগে একজোড়া গ্লোসা ও একজোড়া প্যারাগ্লোসা বিদ্যমান। ৫। হাইপোফ্যারিংক্স : আরশোলা/ঘাসফড়িং-এর মুখবিবরের মেঝেতে অবস্থিত একটি অসম আকৃতির, ক্ষুদ্র, লম্বাটে ও মাংশল উপাঙ্গকে হাইপোফ্যারিংক্স বলে। এর গোড়ায় লালাগ্রন্থি উন্মুক্ত থাকে।