У нас вы можете посмотреть бесплатно জয়পুরহাট-পাঁচবিবি পৌর পার্ক ভ্রমন কেমন ছিল?, Joypurhat Poura Park, পাঁচবিবি দর্শনীয় স্থান, Zahangir или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
জয়পুরহাট-পাঁচবিবি পৌর পার্ক ভ্রমন কেমন ছিল?, Joypurhat Poura Park, পাঁচবিবি দর্শনীয় স্থান, Zahangir #Joypurhatzap এই পার্ককে শুধুই বিনোদন পার্ক ভাবলে ভুল হবে। কেননা, এই পার্কটি আর দশটি সাধারণ পার্কের চেয়ে আলাদা। এখানে ৭৩ প্রজাতির বাহারি ফুল-ফল গাছের সাথে বাংলাদেশের জাগ্রত ইতিহাস ভাস্কর্যের মাধ্যমে জীবন্ত করে তোলা হয়েছে। পাঁচবিবি পৌরসভার সাবেক মেয়র মো. হাবিবুর রহমানের সৃজনশীল উদ্যোগে এই পার্কটি আজ অনন্য। তার সৃজনশীলতায় খুশি এলাকার মানুষ। তারা বলছেন, পার্কের মাধ্যমে যে ইতিহাসও জানা যেতে পারে তার জ্বলন্ত দৃষ্টান্ত এই পৌর পার্ক। নিঃসন্দেহে এই ধরণের নির্মাণ ব্যতিক্রমী ও প্রশংসনীয়।সরেজমিনে পার্ক ঘুরে দেখা যায়, দর্শনার্থীদের বেড়ানোর জন্য পার্কের অভ্যন্তরে ওয়াকওয়ে। সেই ওয়াকওয়ের দুইপাশে বাহারি ফুলগাছের সারি। পার্কের প্রধান ফটক পেরিয়ে হাতের বা দিকে ভুবনেশ্বর মঞ্চ। আর তার পাশে শিশুদের খেলাধুলার জন্য রয়েছে স্লিপার-দোলনা। এর পশ্চিম দিকে কৃত্রিম হ্রদের উপর ছোট্ট ঝুলন্ত সেতু। উত্তর দিকে আছে দৃষ্টিনন্দন পুকুর। পার্কের প্রায় চারপাশেই বসার জন্য রয়েছে বেঞ্চ। সংস্কৃতি চর্চার জন্য পার্কের উত্তর পাশে গড়ে তোলা হয়েছে ভোর হলো সাংস্কৃতিক বিদ্যালয়। এর পাশেই অফিস কক্ষ ঘেষে নির্মাণ করা হয়েছে ভাষা সৈনিক মীর শহিদ মণ্ডল পৌর পাঠাগার। পাশেই নাট্যচর্চার জন্য রয়েছে থিয়েটার কক্ষ। নতুন প্রজন্মের কাছে ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস তুলে ধরতে পার্কটির পূর্ব প্রান্তে নির্মাণ করা হয়েছে বর্ণমালার শহিদ মিনার। শহিদ মিনার প্রাঙ্গণের দেয়ালে দেয়ালে বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম, আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী ও অতুল প্রাসাদ সেন-এর বাণী লেখা রয়েছে। জানা যায়, শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে প্রতিবছর নাট্য উৎসব, ঋতুবরণ ও বইমেলার আয়োজন করা হয়। নাট্যউৎসবে অংশ নেন দুই বাংলার শিল্পীরা। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিল্পীরাও দলবেঁধে নিয়মিত অংশ নেন এসব অনুষ্ঠানমালায়।অন্যদিকে, পুরো পার্কের ওয়াকওয়ের পাশ ঘেঁষে নির্মাণ করা হয়েছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় চার নেতা, মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক, লেখক, কবি, সাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ, গীতিকার, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের ভাস্কর্য। এসব ভাস্কর্যে দেশ বরেণ্য ব্যক্তিদের সংক্ষিপ্ত পরিচিতিও তুলে ধরা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইতিহাসখ্যাত বরেণ্যজনকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে নামফলকসহ এসব ভাস্কর্য নির্মাণ করা হয়েছে। পার্কে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ, অর্থমন্ত্রী ক্যাপ্টেন মনসুর আলী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসনাত মোহাম্মদ কামারুজ্জামান, মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম, মুজিবনগর সরকারের মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি আতাউল গনি ওসমানী, বাউল সাধক ফকির লালন শাহ, নারী প্রগতি আন্দোলনের পুরোধা বেগম সুফিয়া কামাল, পল্লী কবি জসিম উদ্দীন, শিল্পাচার্য জয়নাল আবেদীন, মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া, বহুভাষাবিদ ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ্, বাংলা সাহিত্যের আধুনিক কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত, আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশ, গীতিকার ও সুরকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায়, পঞ্চকবি অতুল প্রাসাদ সেন, পঞ্চকবি রজনী কান্ত সেন ও কমিউনিস্ট পার্টির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা বিপ্লবী ডাক্তার আবদুল কাদের চৌধুরী’র ভাস্কর্য রয়েছে। ভাস্কর্যে ইতিহাসখ্যাত বরেণ্য এসব ব্যক্তিদের মুখাবয়ব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ভাস্কর্যের ঠিক নিচে রয়েছে নামফলক। সেখানে তাদের সংক্ষিপ্ত পরিচয় তুলে ধরা হয়েছে। এছাড়া নামফলকে বরেণ্যদের উল্লেখযোগ্য কর্মও সংক্ষিপ্তাকারে তুলে ধরা হয়েছে। পার্কে প্রবেশের প্রধান সড়কের একেবারে শেষ মাথায় রয়েছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য। জাতির পিতার ভাস্কর্যের নামফলকে লেখা রয়েছে- ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জন্ম ১৯২০ মৃত্যু ১৯৭৫। আওয়ামী লীগের সভাপতি, বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা ও প্রথম রাষ্ট্রপতি। তার ডাকে ও নেতৃত্বে বাঙালি জাতি পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে। দেশ-বিদেশের সবাই জানে শেখ মুজিবুরের কথা। জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমান ইতিহাসের পাতা।’৬ বছর বয়সী নুসরাতকে নিয়ে পার্ক ঘুরতে এসেছেন বাবুল ও শিউলী দম্পতি। বিকেলে দোলনা চড়া শেষে বাবা-মায়ের সাথে ভাস্কর্য দেখছিলো নুসরাত। দোলনার পাশেই অতুল প্রাসাদ সেনের ভাস্কর্য। বাবার হাত ধরে হাঁটতে থাকা নুসরাত ভাস্কর্যের সামনে দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করছিলো- উনি কে? পরক্ষণেই অতুল প্রাসাদ সেন সম্পর্কে কিছুটা বলতে শোনা গেলো বাবুল হোসেনকে। এরপর একে একে দ্বিজেন্দ্রলাল রায়, রজনী কান্ত সেন ও বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাস্কর্যগুলো ঘুরে ঘুরে দেখছিলেন তারা। বাবুল হোসেন জানান, ছয় মাস হলো পাঁচবিবিতে একটি এনজিওতে চাকরি করছেন তিনি। বিকেলে অবসর পেলে পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসি। এখানকার পরিবেশ সত্যি অসাধারণ। নিরিবিলি পরিবেশ। পরিবার নিয়ে অবসর সময় কাটানোর জন্য ভালো জায়গা। ভাস্কর্য দেখে মেয়ে এগুলো কাদের ছবি জানতে চাইছিলো। নিজের জানার মধ্য থেকে তাকে ভাস্কর্য সম্পর্কে বোঝানোর চেষ্টা করছি। আজকের এই ছোট আয়োজন আপনাকে কেমন লেগেছে কমেন্ট করুন আপনার মতামত, এবং ভিডিওটি ভালো লাগলে লাইক, Subscribe করে সাথে থাকুন – এরকম আরও দুরদান্ত কোন্টেন্ট পাওয়ার জন্য। চখ রাখুন এই চ্যানেলে নতুন কোন্টেন্ট এর জন্য, আল্লাহ হাফেজ। Vlog 139