У нас вы можете посмотреть бесплатно সুনামগঞ্জের সুপ্ত সৌন্দর্য (নারায়ণতলা, চলতি নদী) или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
সুনামগঞ্জ উপজেলার অন্যতম আকর্ষণ হচ্ছে নারায়ণতলা(Narayanatola) ও এর আশেপাশের অঞ্চল। শহর থেকে ১২ কি. মি. দূরে একদম সীমান্ত ঘেঁষে মেঘালয় রাজ্যের খাসিয়া পাহাড়ের পাদদেশে এর অবস্থান। নারায়ণতলায় গেলে আপনাকে প্রথমেই স্বাগত জানাবে বিশাল বিশাল সবুজ পাহাড়। তবে পাহাড়গুলো দু’চোখ জুড়িয়ে দেখার সুযোগ পেলেও চড়ার সুযোগ কিন্তু হবে না। কারণ- বড় পাহাড়গুলোর অবস্থান সীমান্তের ওপারে ভারতের মেঘালয় রাজ্যে। এজন্যে অবশ্য মন খারাপ করার কিছু নেই। সীমান্তে দাঁড়িয়ে অন্য একটি দেশ দেখার মজাও কিন্তু কম নয়। সীমানা নির্ধারক পিলারের এপার-ওপারে পা রাখার আনন্দও এখানে বোনাস হিসেবে পাওয়া যাবে। নারায়ণতলা যে শুধু সৌন্দর্যের দিক দিয়ে অনবদ্য তা কিন্তু নয়, ঐতিহাসিক দিক দিয়েও এ স্থানের গুরুত্ব অপরিসীম। কারণ, নারায়ণতলার ডলুরায় বৃক্ষরাজীর শীতল ছায়াতলে ৪৮ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন। মুক্তিযুদ্ধে বালাট সাব সেক্টরের অধীন যোদ্ধাদের গণ কবর ডলুরার শহীদ মাজারে গিয়ে শ্রদ্ধা জানাতেও অসংখ্য দর্শনার্থী প্রতিদিন ভিড় জমান। নারায়ণতলার, মুগাইর পাড় গ্রামটি গারো অধ্যুষিত। এখানে এলে পাবেন গারো সমাজ ও সংস্কৃতির সংস্পর্শ। এছাড়া নারায়ণতলায় রয়েছে খ্রিস্টান মিশনারী পরিচালিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। মিশনটি পরিচিত সাধু টমাসের গির্জা নামে। এছাড়া ডলুরার পাশ ঘেঁষে বয়ে চলা চলতি নদীও পর্যটকদের জন্যে বেশ আকর্ষণীয়।চলতি নদীর তীরবর্তী বিশাল বালুকাময় প্রান্তরকে মনে হয় বেলাভূমি। সব মিলিয়ে নারায়ণতলার সৌন্দর্য অনবদ্য। চমৎকার এ স্থানটিতে যেতে হলে প্রথমে নৌকায় সুরমা নদী পার হয়ে যেতে হবে হালুয়া ঘাট, এখান থেকে বাইকে করে নারায়ণতলায় যাওয়া যায়।