У нас вы можете посмотреть бесплатно দ্য ইন্টেলিজেন্ট ইনভেস্টর | বেঞ্জামিন গ্রাহাম | The Intelligent Investor | Benjamin Graham или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
` কি হবে যদি আমি আপনাকে বলি যে শেয়ার বাজারে সফল হওয়ার জন্য আপনার আইকিউ (IQ) ১৪০ হওয়ার প্রয়োজন নেই, এমনকি আপনার কাছে কোনো ইনসাইডার তথ্য থাকারও দরকার নেই? আপনি কি বিশ্বাস করবেন যে বিনিয়োগের জগতে সবচেয়ে বড় শত্রু আসলে বাজার নয়, বরং আপনি নিজে? বেঞ্জামিন গ্রাহামের ক্লাসিক বই 'দ্য ইন্টেলিজেন্ট ইনভেস্টর' শুরুই হয়েছে একটি অত্যন্ত জোরালো দাবির মাধ্যমে: বিনিয়োগে সফল হওয়া মানেই কেবল সঠিক স্টক কেনা নয়, বরং নিজের আবেগ বা ইমোশনকে নিয়ন্ত্রণ করা। ওয়ারেন বাফেট এই বইটিকে "বিনিয়োগের ওপর লেখা সর্বকালের সেরা বই" হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। আজকের দ্রুত পরিবর্তনশীল ক্রিপ্টোকারেন্সি বা এআই-চালিত বাজারের যুগে ১৯৪৯ সালে লেখা একটি বই কেন গুরুত্বপূর্ণ? কারণ, বাজার পরিবর্তন হয়, প্রযুক্তি উন্নত হয়, কিন্তু মানুষের মনস্তত্ত্ব - অর্থাৎ লোভ এবং ভয়—একই থাকে। গ্রাহাম আমাদের শিখিয়েছেন যে শেয়ার বাজার একটি পেন্ডুলামের মতো, যা কখনো অযৌক্তিক আশাবাদ এবং কখনো ভিত্তিহীন নিরাশার মধ্যে দুলতে থাকে। আপনি যদি শিখতে চান কীভাবে বাজারের এই পাগলামি থেকে দূরে থেকে টেকসই সম্পদ তৈরি করা যায়, তবে আজকের আলোচনাটি আপনার জন্য। মূল থিসিস এবং কাঠামো বেঞ্জামিন গ্রাহামের মূল যুক্তিটি অত্যন্ত সহজ কিন্তু গভীর: বিনিয়োগ (Investment) এবং সত্তা (Speculation) বা ফাটকাবাজির মধ্যে পার্থক্য বোঝা। গ্রাহামের মতে, "একটি বিনিয়োগ অপারেশন হলো সেটি যা পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণের মাধ্যমে মূলধনের নিরাপত্তা এবং একটি পর্যাপ্ত রিটার্নের প্রতিশ্রুতি দেয়"। এর বাইরে যা কিছু আছে, তা হলো সত্তা বা জুয়া। গ্রাহাম জোর দিয়ে বলেছেন যে বুদ্ধিমান বিনিয়োগকারী হতে হলে আপনাকে গণিতজ্ঞ হতে হবে না, বরং আপনাকে একজন শৃঙ্খলিত এবং ধৈর্যশীল মানুষ হতে হবে। বইটি মূলত ২০টি অধ্যায়ে বিভক্ত এবং জেসন জুইগের আধুনিক ভাষ্য (Commentary) প্রতিটি অধ্যায়কে সমসাময়িক বাজারের সাথে সংযুক্ত করেছে। বইটির কাঠামো তিনটি প্রধান স্তম্ভের ওপর দাঁড়িয়ে: ১. বাজারের মনস্তত্ত্ব: যেখানে গ্রাহাম 'মিস্টার মার্কেট' (Mr. Market)-এর কাল্পনিক চরিত্রের মাধ্যমে বাজারের অস্থিরতাকে ব্যাখ্যা করেছেন। ২. পোর্টফোলিও নীতি: এখানে তিনি 'ডিফেন্সিভ' (প্যাসিভ) এবং 'এন্টারপ্রাইজিং' (অ্যাক্টিভ) বিনিয়োগকারীর জন্য আলাদা আলাদা কৌশল বাতলে দিয়েছেন। ৩. নিরাপত্তার মার্জিন (Margin of Safety): এটি বইটির কেন্দ্রীয় ধারণা, যা আপনাকে লোকসান থেকে বাঁচানোর বর্ম হিসেবে কাজ করে। গ্রাহাম এই বইতে আপনাকে কীভাবে কোটিপতি হওয়া যায় তা শেখানোর প্রতিশ্রুতি দেননি। তার লক্ষ্য হলো আপনাকে এমন একটি বুদ্ধিবৃত্তিক কাঠামো (Intellectual Framework) প্রদান করা যা আপনাকে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি থেকে রক্ষা করবে। তিনি বিশ্বাস করতেন যে বিনিয়োগ হলো একটি ব্যবসা এবং এটিকে ব্যবসার মতোই পরিচালনা করা উচিত। মূল শিক্ষা বা টেকঅ্যাওয়ে শিক্ষা ১: মিস্টার মার্কেট – বাজারের দাস নয়, মালিক হোন গ্রাহাম শেয়ার বাজারকে একজন কাল্পনিক ব্যবসায়িক অংশীদার হিসেবে কল্পনা করতে বলেছেন যার নাম 'মিস্টার মার্কেট'। সে প্রতিদিন আপনার কাছে আসে এবং আপনার শেয়ারের জন্য একটি দাম প্রস্তাব করে। কখনো সে খুব উত্তেজিত থাকে এবং আকাশচুম্বী দাম দেয়, আবার কখনো সে বিষণ্ণ থাকে এবং খুব কম দাম দিতে চায়। বুদ্ধিমান বিনিয়োগকারীর কাজ হলো মিস্টার মার্কেটের মেজাজের ওপর ভিত্তি করে নিজের সিদ্ধান্ত না নেওয়া, বরং তার প্রস্তাবকে কেবল একটি সুযোগ হিসেবে দেখা। "মিস্টার মার্কেট আপনার সেবক হতে পারে কিন্তু সে কখনোই আপনার প্রভু হতে পারে না।" ২০০০ সালের ডট-কম বাবল বা ২০০৮ সালের আর্থিক সংকটের সময় যারা আতঙ্কিত হয়ে শেয়ার বিক্রি করেছিলেন, তারা মিস্টার মার্কেটের বিষণ্ণতার শিকার হয়েছিলেন। কিন্তু বুদ্ধিমান বিনিয়োগকারী যখন দেখে মিস্টার মার্কেট ভয়ে অনেক ভালো শেয়ার পানির দামে বিক্রি করছে, তখন সে সেগুলোকে সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করে। শিক্ষা ২: ডিফেন্সিভ বনাম এন্টারপ্রাইজিং ইনভেস্টর গ্রাহাম বিনিয়োগকারীদের তাদের রিস্ক নেওয়ার ক্ষমতার পরিবর্তে তাদের প্রচেষ্টার (Effort) ভিত্তিতে ভাগ করেছেন। 'ডিফেন্সিভ' বিনিয়োগকারী হলেন তিনি যিনি খুব বেশি সময় দিতে পারেন না এবং পুঁজির নিরাপত্তা চান। তার জন্য আদর্শ হলো ইনডেক্স ফান্ড এবং ব্লু-চিপ শেয়ারের একটি বৈচিত্র্যপূর্ণ পোর্টফোলিও। অন্যদিকে, 'এন্টারপ্রাইজিং' বিনিয়োগকারী হলেন তিনি যিনি গভীর গবেষণা করতে ইচ্ছুক এবং বাজারের গড় রিটার্নের চেয়ে বেশি অর্জন করতে চান। "কাঙ্খিত রিটার্নের হার বিনিয়োগকারীর মেধার বা বুদ্ধিবৃত্তিক প্রচেষ্টার ওপর নির্ভরশীল হওয়া উচিত, ঝুঁকির ওপর নয়।" আপনি যদি একজন ব্যস্ত ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার হন, তবে ইনডেক্স ফান্ডে (Index Fund) স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিনিয়োগ করা আপনার জন্য সেরা কৌশল হতে পারে। আর আপনি যদি প্রতিদিন ব্যালেন্স শিট বিশ্লেষণ করতে পারেন, তবেই আপনি ব্যক্তিগতভাবে স্টক বাছাইয়ের পথে হাঁটতে পারেন। শিক্ষা ৩: মার্জিন অফ সেফটি – নিরাপত্তার বর্ম এটি গ্রাহামের দর্শনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ইঞ্জিনিয়াররা যখন একটি সেতু তৈরি করেন যা ১০,০০০ পাউন্ড ওজন বইতে পারবে, তারা আসলে সেটিকে ৩০,০০০ পাউন্ড ওজন সইবার ক্ষমতা দিয়ে তৈরি করেন। বিনিয়োগেও তাই। কোনো শেয়ারের প্রকৃত মূল্য যদি ১০০ টাকা হয়, তবে সেটি ৮০ বা ৭০ টাকায় কেনা হলো 'মার্জিন অফ সেফটি'। এই অতিরিক্ত পার্থক্যটি আপনাকে আপনার হিসাবের ভুল বা ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা থেকে রক্ষা করে। "নিরাপত্তার মার্জিনের কাজ হলো ভবিষ্যতের নির্ভুল অনুমানকে অপ্রয়োজনীয় করে তোলা।" ওয়ারেন বাফেট যখন কোকা-কোলা বা জিলিটের শেয়ার কিনেছিলেন, তিনি দেখেছিলেন যে কোম্পানিগুলোর ব্র্যান্ড ভ্যালু এবং ভবিষ্যৎ মুনাফার তুলনায় বর্তমান বাজারমূল্য অনেক কম। এই মার্জিন অফ সেফটিই তাকে বিশ্বের অন্যতম ধনী ব্যক্তিতে পরিণত করেছে।