У нас вы можете посмотреть бесплатно রমজানের প্রথম ১০ দিনের আমল মাওলানা শায়েখ আহমাদুল্লাহ | রমজানের সেরা ওয়াজ ২০২6- Sheikh Ahmadullah или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
রমজানের সেরা ওয়াজ ২০২6- Sheikh Ahmadullah আমাদের ইউটিউব চ্যানেল ভিজিট করুন : / @islamictv2786 ....................................ইসলামিক টিভি 27সবার কথা বলে................................... Subscribe Us For Daily New Waz......... ✅Like । ✅Comment । ✅ Share। ✅Subscribe (সতর্কতা ভিডিওটি সর্বঃস্বত্ব সংরক্ষিত | সুতরাং, ইউটিউবে ভিডিওটি আপলোড করা থেকে বিরত থাকুন) ▶কেমন লাগলো মন্তব্য করতে ভুলবেন না। রমজানের বিশেষ ২৭ আমল ১. রমজানের চাঁদ দেখা: চাঁদ দেখে দোয়া পড়া সুন্নাহ। ২. রোজা রাখা: সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত ইবাদতের নিয়তে পানাহার ও কামাচার থেকে বিরত থাকা (সুরা বাকারা: ১৮৩-১৮৫)। ৩. তারাবির নামাজ পড়া: রাতের প্রথম প্রহরে ২০ রাকাত বা জামাতের সাথে তারাবিহ আদায় করা (সহিহ বুখারি: ৩৬)। ৪. সাহরি করা: রোজা রাখার উদ্দেশ্যে শেষ রাতে খাবার গ্রহণ করা। ৫. দেরিতে সাহরি খাওয়া: সাহরি রাতের শেষ সময়ে খাওয়া মোস্তাহাব। ৬. সময়মতো ইফতার করা: সূর্যাস্তের পর দেরি না করে দ্রুত ইফতার করা (সহিহ বুখারি: ১৯৫৭)। ৭. খেজুর দিয়ে ইফতার: খেজুর দিয়ে ইফতার করা রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহ। ৮. ইফতারের দোয়া পড়া: ইফতারের আগে ও পরে মাসনুন দোয়া পাঠ করা। ৯. বেশি বেশি দোয়া করা: রোজাদারের দোয়া আল্লাহর কাছে কবুল হয় (আবু দাউদ)。 ১০. পাপাচার বর্জন: মিথ্যা, গিবত ও সকল প্রকার গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা (সহিহ বুখারি: ১৯০৩)। ১১. ঝগড়া পরিহার: কেউ গালি দিলে বা ঝগড়া করতে এলে বলা— ‘আমি রোজাদার’। ১২. কোরআন তেলাওয়াত: রমজান কোরআন নাজিলের মাস, তাই বেশি বেশি কোরআন পড়া। ১৩. তাহাজ্জুদ নামাজ: শেষ রাতে তাহাজ্জুদ ও কিয়ামুল লাইল আদায় করা। ১৪. দান-সদকা করা: রমজানে দান করলে সওয়াব বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। ১৫. রোজাদারকে ইফতার করানো: অন্যকে ইফতার করালে রোজাদারের সমান সওয়াব পাওয়া যায়。 ১৬. ইতিকাফ করা: রমজানের শেষ ১০ দিন মসজিদে আল্লাহর ইবাদতে মগ্ন থাকা (সহিহ বুখারি: ২০২৬)। ১৭. লাইলাতুল কদর তালাশ করা: শেষ ১০ দিনের বেজোড় রাতগুলোতে কদর খুঁজে নেওয়া। ১৮. জিকির ও তওবা: সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ পাঠ ও আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া। ১৯. উমরাহ পালন: রমজানে উমরাহ করলে হজের সমান সওয়াব পাওয়া যায়। ২০. সদকাতুল ফিতর আদায়: ঈদের নামাজের আগে গরিবদের ফিতরা দেওয়া। ২১. আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা: স্বজনদের খোঁজখবর নেওয়া ও সুসম্পর্ক রক্ষা করা। ২২. সুন্নাহ ও নফল নামাজ: ফরজের পাশাপাশি নফল ইবাদতে যত্নশীল হওয়া। ২৩. ইসলামি জ্ঞান অর্জন: দ্বীনি কিতাব পড়া বা আলোচনার মজলিসে যোগ দেওয়া। ২৪. মিথ্যা ও প্রতারণা বর্জন: ব্যবসার কাজে বা সাধারণ কথাবার্তায় স্বচ্ছ থাকা। ২৫. পরনিন্দা ও পরচর্চা না করা: জিহ্বাকে সংযত রাখা। ২৬. বেশি বেশি দরুদ পাঠ: রাসুল (সা.)-এর ওপর দরুদ ও সালাম পেশ করা। ২৭. আল্লাহর কাছে জাহান্নাম থেকে মুক্তি চাওয়া: রমজানের প্রতি রাতে আল্লাহ অনেককে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন।