У нас вы можете посмотреть бесплатно Ugc net | বাংলায় নেট পাস করার পর কী করবে ? আমার বাংলা নেট সেট или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
নেট পরীক্ষা পাস করে কোন কোন চাকরি করা যাবে ? ইতিমধ্যেই নেট পরীক্ষার রেজাল্ট প্রকাশিত হয়েছে। অনেকেই পাস করেছ। যারা পাস করোনি, একটুর জন্য মিস হয়ে গেছে কিংবা এই জুনটাকেই টার্গেট করছ তাদের জন্য আমার বাংলায় মকটেস্ট + স্পেশাল ক্লাসের একটা তিনমাসের কোর্স আছে। তোমরা কোর্সটায় অ্যাডমিশন নিতে চাইলে আমার বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে যোগাযোগ করতে পারো। এবার আসি যারা নেট পরীক্ষায় পাস করে গেছ, তাদের কাছে। প্রথমেই জানাই অনেক শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন। আর প্রথমে এটাও বলে রাখি এই নেট পাস করা কিন্তু শেষ নয়, প্রফেশনাল জীবনের শুরু। তুমি তোমার ভবিষ্যতের দরজাটা খুলেছ মাত্র। এখনো চলা বাকি। কিন্তু অনেকের মনে প্রশ্ন যে এবার কী করবো ? নেট পাস করার পর প্রথমেই যেটা মাথায় আসে গবেষণা এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসরের পদে নিয়োগ। সেক্ষেত্রে - ১) অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর হিসাবে শিক্ষকতা : নেট পাস করা মানেই কিন্তু প্রফেসর পদে নিয়োগ নয়। নেট পাস করা মানে বিভিন্ন কলেজে অ্যাসিসট্যান্ট প্রফেসর হিসাবে আবেদন করার যোগ্যতা অর্জন করা। অর্থাৎ তুমি তোমার সি.ভি জমা দিতে পারো। এরপর ভাইভা ইত্যাদির মাধ্যমে নিয়োগ হয়। এবিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা চ্যানেলে পেয়ে যাবে। ২) গবেষণা : যদি jrf সহ নেট পাস কর তাহলেতো খুবই ভালো। পি.এইচ.ডি করার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবে। আর যদি jrf না পাও সেক্ষেত্রেও বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে পিএইচডির জন্য সরাসরি ইন্টারভিউ দিতে পারবে এন্ট্রান্স পরীক্ষা দিতে হবে না। তবে, গবেষণা পত্র রেডি রাখতে হবে দুই ক্ষেত্রেই। গবেষণাপত্র কীভাবে লিখতে হবে তা নিয়ে বেশ কিছু আলোচনা পেয়ে যাবে চ্যানেলের বাংলা গবেষণা বিষয়ে প্লেলিস্টে। এছাড়াও তুমি চাইলে আমার বাংলা থেকে গবেষণাপত্র লেখার কোর্সও করতে পারো, তার জন্য আমার বাংলার হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করতে হবে। এই প্রসঙ্গে এটাও জানিয়ে রাখি, সাধারণত আমরা নেট পাস করে নিজেদের অথবায়আমাদের আশেপাশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণা করার চেষ্টা করি। যেমন কলকাতা, যাদবপুর, বিশ্বভারতী, রবীন্দ্রভারতী, কল্যাণী, বর্ধমান, বাঁকুড়া, উত্তরবঙ্গ কিংবা গৌড়বঙ্গ। নেহাত এই সংখ্যাটাও কম নয়। তবে সীট বেশ কম থাকে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের বাইরেও কিছু বিশ্ববিদ্যালয় আছে যেখানে বাংলা সাহিত্যের ওপর গবেষণা করা যায়। পশ্চিমবঙ্গের বাইরে ভারতের অন্যান্য রাজ্যের যেসব কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগ রয়েছে, যেখানে পিএইচডি (PhD) করার সুযোগ মেলে। এ গেল বাধা ধরা ভাবনা, যা বেশিরভাগই ছাত্রছাত্রীরা জানো। এবার বলব নেট পাস করা থাকলে আর কী কী সুবিধা পাবে বা কোন কোন চাকরির জন্য অ্যপ্লাই করতে পারবে ? আমরা বাঙালি, আমাদের চাকরি না হলে চলে না। তাও আবার সরকারী চাকরি চাই। তো নেট পাস করে যে সরকারী চাকরিগুলো পেতে পারবে - ৩) ল্যাঙ্গুয়েজ অফিসার হিসাবে নিয়োগ : বিভিন্ন সরকারি বিভাগে (GAIL, SAIL, ONGC) , বিশেষত SBI কিংবা IBPS ব্যাঙ্কে রাজভাষা আধিকারিক পদ বা ল্যাঙ্গুয়েজ অফিসার হিসাবে অ্যাপ্লাই করতে পারবে বা এ বিষয়ে পরীক্ষা দিতে পারবে। কাজটা কী একটু জানাই, মেইনলি সরকারি নথিপত্র ইংরেজি থেকে বাংলায় অনুবাদ করা এবং অফিসিয়াল কাজে বাংলা ভাষা সংক্রান্ত লেখালেখিগুলো দেখা। এ বিষয়ে যারা ইংরেজিতে দক্ষ তারা বেশি সুবিধা পাবে। ৪) অনুবাদক ও অন্যান্য : মহীশূরে একটা ভাষা প্রতিষ্ঠান আছে - CIIL , central Institute of Indian Language. এখানে ভাষা সংক্রান্ত বিভিন্ন গবেষণার কাজে প্রজেক্ট অফিসার হিসাবে নিয়োগ হয়। আগ্রহীরা এনাদের নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট এবিষয়ে ফলো করতে পারো। এছাড়া আমাদের কলকাতার পাকর্স্ট্রীটে এশিয়াটিক সোসাইটিতেও বিভিন্ন গবেষণার কাজে অ্যাসিস্ট করার জন্যও নোটিস বের হয়। সেক্ষেত্রেও আগ্রহীরা সরাসরি এসিয়াটিক সোসাইটিতে গিয়ে খোঁজ নিতে পারো। এছাড়া আমাদের সাহিত্য একাদেমিতেও বিভিন্ন অনুবাদ, বইএর সম্পাদনার কাজেও অ্যাপ্লাই করতে পারো নেট পাস করা থাকলে। অনুবাদের কাজে যারা আগ্রহী তাদের বলব সাহিত্য একাদেমীতে গিয়ে সরাসরি যোগাযোগ করতে, ওখানে যেমন অনেক ভাষা শেখারও কোর্স থাকে। বিশেষত আমাদের অন্যান্য ভারতীয় ভাষায় অনুবাদমূলক কাজের নানা স্কোপ আছে। তাই যারা আগ্রহী তারা সরাসরি যোগাযোগ করে কীভাবে কী করতে হবে জানতে পারো। এছাড়া আমাদের রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগেও কনটেন্ট ডেভলপার, কালচারাল অফিসার এবং অনুবাদক হিসাবে নিয়োগের ক্ষেত্রে নেট পাসের সার্টিফিকেট থাকলে বিশেষ সুবিধা পাওয়া যায়। এবং এই ক্ষেত্রগুলোতে ভালোই নিয়োগ হয়। তাই এগুলোতেও খোঁজ নিতে পারো। এবার আসি, যারা চাকরি নয়, অন্যরকম কিছু করতে চাও তাদের জন্যও কিন্তু ডিজিট্যাল প্ল্যাটফর্মে বেশ কিছু সুযোগ রয়েছে। ● কনটেন্ট রাইটিং : বিভিন্ন ওয়েবসাইট, ব্লগ এবং সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের জন্য বাংলায় কন্টেন্ট লেখার সুযোগ পাওয়া যায়। ● স্ক্রিপ্ট রাইটিং : সিনেমা, সিরিয়াল, ওয়েব সিরিজ, পডকাস্ট - এগুলো দেখতে যেমন ভালো লাগে এগুলোর পেছনে কিন্তু প্রচুর কাজের সুযোগ থাকে। ● কপি রাইটিং : প্রচুর বিজ্ঞাপনী সংস্থা আছে, যারা তাদের প্রোডাক্টের জন্য সৃজনশীল বাংলা বিজ্ঞাপন তৈরির কাজে বাংলার ছাত্রছাত্রীদের খোঁজে থাকে। এবিষয়ে আগ্রহ ছাকলে নেট পাসের সার্টিফিকেট নিয়ে তাদের দরজাতেও কড়া নাড়তে পারো। আর শেষে একটাই কথা বলব, নেট পাস করা মানে কিন্তু উচ্চশিক্ষার জগতে পা রাখা। এই জগত ফেসবুকের রিলের মতো রঙিন নয়। এটা তাই সবার জন্য নয়। এখানে সবাই টিকে থাকতে পারে না। টিকে থাকার জন্য ধৈর্য্য আর অধ্যাবসায় প্রয়োজন। তুমি এতদূর পৌঁছাতে পেরেছ যখন নিজেকে আরো সময় দাও, পথ মসৃণ হবে তবে সময় লাগবে।